ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

যুদ্ধে সৃষ্ট আর্থিক বিপর্যয় ঠেকাতে হরমুজ প্রণালীতে কর বসাবে ইরান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / 221

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং ইরানের তেলখাতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে তেহরান তাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এক নজিরবিহীন কৌশলের কথা ভাবছে।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফোয়াদ ইজাদি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট আর্থিক বিপর্যয় মোকাবিলায় ইরানি নীতিনির্ধারকরা এখন বিকল্প পথ খুঁজছেন।

বর্তমানে দেশটিতে একটি ‘আঞ্চলিক পুনর্গঠন তহবিল’ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে যুদ্ধের জন্য দায়ী পক্ষগুলোকে সরাসরি অর্থ প্রদান করতে হবে। তবে সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত প্রস্তাবটি হলো বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি জাহাজের ওপর কর আরোপ করা।

আরও পড়ুন  দশ হাজার অবৈধ প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি

এই কৌশলগত জলপথটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের প্রধান ধমনী হিসেবে পরিচিত, যেখান দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ইরানি বিশ্লেষকদের মতে, ইরান একা অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হবে আর বাকি বিশ্ব স্বাভাবিকভাবে মুনাফা অর্জন করবে—এমন ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি তেহরান আর মেনে নেবে না।

ফলে এই জলপথে নতুন কোনো কর বা কড়াকড়ি আরোপ করা হলে তা কেবল আঞ্চলিক রাজনীতি নয়, বরং বিশ্ব বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এক বিশাল অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। মূলত অবকাঠামোগত যুদ্ধের এই নতুন সমীকরণ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধে সৃষ্ট আর্থিক বিপর্যয় ঠেকাতে হরমুজ প্রণালীতে কর বসাবে ইরান

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং ইরানের তেলখাতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে তেহরান তাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এক নজিরবিহীন কৌশলের কথা ভাবছে।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফোয়াদ ইজাদি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট আর্থিক বিপর্যয় মোকাবিলায় ইরানি নীতিনির্ধারকরা এখন বিকল্প পথ খুঁজছেন।

বর্তমানে দেশটিতে একটি ‘আঞ্চলিক পুনর্গঠন তহবিল’ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে যুদ্ধের জন্য দায়ী পক্ষগুলোকে সরাসরি অর্থ প্রদান করতে হবে। তবে সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত প্রস্তাবটি হলো বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি জাহাজের ওপর কর আরোপ করা।

আরও পড়ুন  উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের শত্রু নয় : কাতার

এই কৌশলগত জলপথটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের প্রধান ধমনী হিসেবে পরিচিত, যেখান দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ইরানি বিশ্লেষকদের মতে, ইরান একা অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হবে আর বাকি বিশ্ব স্বাভাবিকভাবে মুনাফা অর্জন করবে—এমন ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি তেহরান আর মেনে নেবে না।

ফলে এই জলপথে নতুন কোনো কর বা কড়াকড়ি আরোপ করা হলে তা কেবল আঞ্চলিক রাজনীতি নয়, বরং বিশ্ব বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এক বিশাল অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। মূলত অবকাঠামোগত যুদ্ধের এই নতুন সমীকরণ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।