ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু

ভেনিজুয়েলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 456

ছবি সংগৃহীত

 

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ভেনিজুয়েলা। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে প্রকাশ্যে সমালোচনা করায় আইনপ্রণেতারা এই সিদ্ধান্ত নেন।

গত সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভেনিজুয়েলার মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরেন ভলকার তুর্ক। তিনি বলেন, ভেনিজুয়েলায় নির্বিচারে গ্রেপ্তার এবং গুমের ঘটনা ঘটছে। এর প্রতিক্রিয়ায় দেশটির পার্লামেন্ট মঙ্গলবার (১ জুলাই) এক সভায় সর্বসম্মতভাবে তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ইউএনএইচসিআর 

পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট জর্জ রদ্রিগেজ জানান, তুর্ক যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ‘চোখ বন্ধ’ রাখছেন। তিনি বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের এল সালভাদরের একটি আটক কেন্দ্রে পাঠানোর বিষয়টি উল্লেখ করেন। এ নিয়ে গত মে মাসে উদ্বেগ প্রকাশ করে তুর্ক বিবৃতি দিয়েছিলেন।

ভেনিজুয়েলায় রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর দমনপীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগও ক্রমেই বাড়ছে। গত জুলাইয়ের বিতর্কিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছে। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটেই জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের মন্তব্য ভেনিজুয়েলার সরকারের ক্ষোভকে আরও উসকে দেয়।

তবে ভলকার তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার পরও তাৎক্ষণিকভাবে তার ওপর কোনো বড় প্রভাব পড়বে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ভেনিজুয়েলা সরকার ভবিষ্যতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের হাইকমিশন বরাবরই ভেনিজুয়েলায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে সোচ্চার। দেশটিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বিরোধীদের গ্রেপ্তার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনা চলে আসছে। তুর্কের সমালোচনাও তারই ধারাবাহিক অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে ভেনিজুয়েলার পার্লামেন্টের এমন সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির জাতিসংঘের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভেনিজুয়েলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

 

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ভেনিজুয়েলা। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে প্রকাশ্যে সমালোচনা করায় আইনপ্রণেতারা এই সিদ্ধান্ত নেন।

গত সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভেনিজুয়েলার মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরেন ভলকার তুর্ক। তিনি বলেন, ভেনিজুয়েলায় নির্বিচারে গ্রেপ্তার এবং গুমের ঘটনা ঘটছে। এর প্রতিক্রিয়ায় দেশটির পার্লামেন্ট মঙ্গলবার (১ জুলাই) এক সভায় সর্বসম্মতভাবে তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন  বিদ্যুৎ সংকটে সরকারি কর্মীদের কাজের সময় ৪ ঘন্টা কমাল ভেনিজুয়েলা

পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট জর্জ রদ্রিগেজ জানান, তুর্ক যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ‘চোখ বন্ধ’ রাখছেন। তিনি বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের এল সালভাদরের একটি আটক কেন্দ্রে পাঠানোর বিষয়টি উল্লেখ করেন। এ নিয়ে গত মে মাসে উদ্বেগ প্রকাশ করে তুর্ক বিবৃতি দিয়েছিলেন।

ভেনিজুয়েলায় রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর দমনপীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগও ক্রমেই বাড়ছে। গত জুলাইয়ের বিতর্কিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছে। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটেই জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের মন্তব্য ভেনিজুয়েলার সরকারের ক্ষোভকে আরও উসকে দেয়।

তবে ভলকার তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার পরও তাৎক্ষণিকভাবে তার ওপর কোনো বড় প্রভাব পড়বে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ভেনিজুয়েলা সরকার ভবিষ্যতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের হাইকমিশন বরাবরই ভেনিজুয়েলায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে সোচ্চার। দেশটিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বিরোধীদের গ্রেপ্তার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনা চলে আসছে। তুর্কের সমালোচনাও তারই ধারাবাহিক অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে ভেনিজুয়েলার পার্লামেন্টের এমন সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির জাতিসংঘের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।