ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট সত্ত্বেও শিল্প উৎপাদন ও রপ্তানি স্থিতিশীল: বাণিজ্যমন্ত্রী জ্বালানি তেলের পাম্পে ইউএনও’র ওপর হামলা; বডিগার্ড আহত চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার ডেনমার্ক উত্তর ইউরোপের উন্নত জীবন ও সুখের দেশ ‘জামায়াত আমির সুস্থ চিন্তা করতে পারেন না’, পল্টনে মির্জা ফখরুল উৎপাদনে ফেরার ১৫ ঘণ্টায় আবারও অচল বড়পুকুরিয়া, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শঙ্কা নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার গণমাধ্যম দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে: শ্রমমন্ত্রী মাত্র এক লাখ টাকায় রেসিং কার: রিজওয়ানের উদ্ভাবনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার সামান্যই দেখিয়েছে ইরান; পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি

নাইজেরিয়ার জামফারায় সোনার খনিতে সশস্ত্র হামলা, নিহত ২৬

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 232

ছবি সংগৃহীত

 

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জামফারা রাজ্যের একটি সোনার খনিতে ভয়াবহ সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ২৬ জন।

সংবাদ সংস্থা আরআইএ নভস্তির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নাইজেরিয়ান মাইনার্স ইউনিয়নের প্রতিনিধি ইয়াহায়া আদামু গোবিরাওয়া বলেন, প্রথম হামলার ঘটনা ঘটে গত মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল)। তবে সেদিন স্থানীয়রা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল।

আরও পড়ুন  নাইজেরিয়ায় ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ১৫০ ছাড়ালো, বাস্তুচ্যুত ৩ হাজারের বেশি

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) আরও বড় আকারে অস্ত্রধারীরা ফের হামলা চালায়। এবার তাদের হাতে ছিল ভারী অস্ত্র। জামফারার ওই সোনার খনিতে হামলাকারীরা মূলত খনিজ সম্পদ লুটের উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে। এই অঞ্চলে খনিজ শিল্প নিয়ে সহিংসতা এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনার রূপ নিয়েছে। হামলার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হলেও এখনো পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রয়ে গেছে।

‘দ্য কনভারসেশন’ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে সোনা, গ্রানাইট, জিপসাম, কাওলিন, লেটারাইট, লাইমস্টোন, ফসফেট, পটাশ এবং কোয়ার্টজ বালি। নাইজেরিয়ার খনিজ বিষয়ক মন্ত্রী ডেলে আলাকে বলেন, অবৈধ খননকারীদের পেছনে প্রভাবশালী মহলের হাত রয়েছে এবং তারাই এসব সশস্ত্র হামলার অর্থ জোগান দেয়।

নাইজেরিয়ার উত্তর ইডোর সিনেটর অ্যাডামস ওশিওমহোলে আরও অভিযোগ করেন, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অবৈধ খনি খননের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত এবং এসব কর্মকাণ্ড সমন্বয় করছেন।

উল্লেখ্য, নাইজেরিয়ার খনিজ সম্পদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা সহিংসতা চলমান রয়েছে। জামফারার সাম্প্রতিক এই হামলা আবারও সে উদ্বেগকে উস্কে দিয়েছে। সরকার যদিও নিরাপত্তা জোরদারের কথা বলছে, তবে বাস্তবে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হিমশিম খাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নাইজেরিয়ার জামফারায় সোনার খনিতে সশস্ত্র হামলা, নিহত ২৬

আপডেট সময় ০২:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

 

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জামফারা রাজ্যের একটি সোনার খনিতে ভয়াবহ সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ২৬ জন।

সংবাদ সংস্থা আরআইএ নভস্তির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নাইজেরিয়ান মাইনার্স ইউনিয়নের প্রতিনিধি ইয়াহায়া আদামু গোবিরাওয়া বলেন, প্রথম হামলার ঘটনা ঘটে গত মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল)। তবে সেদিন স্থানীয়রা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল।

আরও পড়ুন  আজাদ কাশ্মীরে সতর্কতা জারি, অভিযোগের তীর ভারতের দিকে

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) আরও বড় আকারে অস্ত্রধারীরা ফের হামলা চালায়। এবার তাদের হাতে ছিল ভারী অস্ত্র। জামফারার ওই সোনার খনিতে হামলাকারীরা মূলত খনিজ সম্পদ লুটের উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে। এই অঞ্চলে খনিজ শিল্প নিয়ে সহিংসতা এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনার রূপ নিয়েছে। হামলার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হলেও এখনো পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রয়ে গেছে।

‘দ্য কনভারসেশন’ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে সোনা, গ্রানাইট, জিপসাম, কাওলিন, লেটারাইট, লাইমস্টোন, ফসফেট, পটাশ এবং কোয়ার্টজ বালি। নাইজেরিয়ার খনিজ বিষয়ক মন্ত্রী ডেলে আলাকে বলেন, অবৈধ খননকারীদের পেছনে প্রভাবশালী মহলের হাত রয়েছে এবং তারাই এসব সশস্ত্র হামলার অর্থ জোগান দেয়।

নাইজেরিয়ার উত্তর ইডোর সিনেটর অ্যাডামস ওশিওমহোলে আরও অভিযোগ করেন, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অবৈধ খনি খননের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত এবং এসব কর্মকাণ্ড সমন্বয় করছেন।

উল্লেখ্য, নাইজেরিয়ার খনিজ সম্পদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা সহিংসতা চলমান রয়েছে। জামফারার সাম্প্রতিক এই হামলা আবারও সে উদ্বেগকে উস্কে দিয়েছে। সরকার যদিও নিরাপত্তা জোরদারের কথা বলছে, তবে বাস্তবে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হিমশিম খাচ্ছে।