ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই-আগস্ট গণহত্যা : ১২ মন্ত্রীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে শুনানি আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩১:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 231

ছবি সংগৃহীত

 

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আজ রোববার (২০ এপ্রিল) একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আলোচিত জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের বর্তমান ও সাবেক ১২ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীসহ মোট ১৯ জনকে হাজির করার বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন  মহাখুনি হাসিনা এখনও প্রতিশোধ পরায়ণ : আসিফ নজরুল

এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চে। বাকি দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মামলার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত কথিত গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের হয়। এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনাল আজকের দিনটিকে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও সাবেক মন্ত্রীরা। এদের মধ্যে রয়েছেন- আনিসুল হক, ফারুক খান, দীপু মনি, আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, গোলাম দস্তগীর গাজী, আমির হোসেন আমু, কামরুল ইসলাম, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী ও সালমান এফ রহমান। এছাড়াও রয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার ও জুনায়েদ আহমেদ পলক, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ছাত্র আন্দোলন দমন করতে গিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত হন এবং এর ফলে বহু নিরীহ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ প্রাণ হারায়।

এই মামলাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা বলেও অভিহিত করছেন। অন্যদিকে, অনেকেই আশা করছেন, সত্য উদঘাটনে এই বিচারিক প্রক্রিয়া নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

আজকের শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল যদি তাদের হাজির করার আদেশ দেন, তবে সেটি হবে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আরেকটি নজিরবিহীন ঘটনা। এখন দেখার বিষয়, এই মামলার শুনানিতে কী সিদ্ধান্ত আসে এবং সেটি দেশের রাজনৈতিক ও বিচার ব্যবস্থায় কী প্রভাব ফেলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই-আগস্ট গণহত্যা : ১২ মন্ত্রীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে শুনানি আজ

আপডেট সময় ১১:৩১:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

 

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আজ রোববার (২০ এপ্রিল) একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আলোচিত জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের বর্তমান ও সাবেক ১২ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীসহ মোট ১৯ জনকে হাজির করার বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্প-রামাফোসা বৈঠক: শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা ও জমি দখলের মিথ্যা অভিযোগ ট্রাম্পের

এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চে। বাকি দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মামলার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত কথিত গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের হয়। এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনাল আজকের দিনটিকে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও সাবেক মন্ত্রীরা। এদের মধ্যে রয়েছেন- আনিসুল হক, ফারুক খান, দীপু মনি, আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, গোলাম দস্তগীর গাজী, আমির হোসেন আমু, কামরুল ইসলাম, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী ও সালমান এফ রহমান। এছাড়াও রয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার ও জুনায়েদ আহমেদ পলক, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ছাত্র আন্দোলন দমন করতে গিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত হন এবং এর ফলে বহু নিরীহ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ প্রাণ হারায়।

এই মামলাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা বলেও অভিহিত করছেন। অন্যদিকে, অনেকেই আশা করছেন, সত্য উদঘাটনে এই বিচারিক প্রক্রিয়া নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

আজকের শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল যদি তাদের হাজির করার আদেশ দেন, তবে সেটি হবে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আরেকটি নজিরবিহীন ঘটনা। এখন দেখার বিষয়, এই মামলার শুনানিতে কী সিদ্ধান্ত আসে এবং সেটি দেশের রাজনৈতিক ও বিচার ব্যবস্থায় কী প্রভাব ফেলে।