০৩:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় বক্তব্যরত অবস্থায় জামায়াতের জেলা আমীরের মৃত্যু বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ? খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিপক্ষে মার্কিন জনগণ স্পেনে দুই হাইস্পিড ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২১ আলিফ হত্যা মামলার শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণসহ ২৩ আসামি আদালতে জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান হৃদয় ম্যাজিকে রংপুরের জয়, এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাঙ্গি চাষে কৃষকদের সফলতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • / 97

ছবি সংগৃহীত

 

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বাঙ্গি চাষে সাফল্য অর্জন করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। চুমুরদি ইউনিয়নের পূর্ব সদরদী গ্রামে ৫০ জন কৃষক ৬০ বিঘা জমিতে বাঙ্গি চাষ করে নিজেদের ভাগ্য বদলেছেন। প্রতিবছর জমির পরিমাণ বাড়াচ্ছে তারা, এবং বাঙ্গি চাষ এখন একটি লাভজনক পেশা হয়ে উঠেছে।

গত বছর এই এলাকায় ৫০ বিঘা জমিতে বাঙ্গি চাষ হয়েছিল, এবং ফলন ছিল ভালো। এ বছরও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাঙ্গির ফলন হয়েছে আরো ভালো। বিশেষ করে, বাঙ্গির আকার বেশ বড় এবং এর স্বাদও অতুলনীয়। ভাঙ্গার বাঙ্গি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু, যার কারণে দেশব্যাপী ব্যবসায়ীরা এখানে এসে বাঙ্গি কিনতে ছুটে আসেন।

[bsa_pro_ad_space id=2]

বাঙ্গি বিক্রি হয় শত হিসেবে, এবং একশত বাঙ্গির দাম ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের বাঙ্গি মাঠে পাওয়া যাচ্ছে। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশের এই ক্ষেতগুলো প্রতিদিন শত শত মানুষ দেখতে আসে এবং বাঙ্গি কিনে নিয়ে যায়।

পূর্ব সদরদী গ্রামে বাঙ্গি চাষ শুরু করেন মাসুদ শেখ, যিনি ২০০০ সালে ১৬ শতাংশ জমিতে প্রথম বাঙ্গি চাষ শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তিনি পৌনে চার বিঘা জমিতে বাঙ্গি চাষ করছেন। তিনি জানান, বাঙ্গি চাষে খরচ অনেক বেশি, তবে এই বছর তার ফলন ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকার বাঙ্গি বিক্রি করেছেন এবং এখনো জমিতে প্রচুর বাঙ্গি রয়েছে। গত বছর ৮ লাখ টাকা আয় করেছিলেন তিনি, যা তার পরিবারের খরচ মেটাতে সহায়ক হয়েছে।

আরেক কৃষক কাদের বেপারী বলেন, ‘বাঙ্গি চাষের মাধ্যমে আমি আমার ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছি। এখন আমি স্বাবলম্বী।’ অন্যান্য কৃষকও তাদের সফলতার কথা শেয়ার করেছেন, এবং সবাই একমত যে, বাঙ্গি চাষ লাভজনক এবং ভবিষ্যতে এই ব্যবসা আরো বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

ভাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোল্লা আল মামুন জানান, ভাঙ্গা উপজেলায় মোট ৫০ হেক্টর জমিতে বাঙ্গি চাষ হচ্ছে, যার মধ্যে ৩০ হেক্টর জমি পূর্ব সদরদী গ্রামে। তারা জৈব পদ্ধতি এবং আইপিএম পদ্ধতি মেনে চাষ করছেন, যার ফলস্বরূপ উৎপাদন ভালো হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাঙ্গি চাষে কৃষকদের সফলতা

আপডেট সময় ০৭:৫০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

 

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বাঙ্গি চাষে সাফল্য অর্জন করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। চুমুরদি ইউনিয়নের পূর্ব সদরদী গ্রামে ৫০ জন কৃষক ৬০ বিঘা জমিতে বাঙ্গি চাষ করে নিজেদের ভাগ্য বদলেছেন। প্রতিবছর জমির পরিমাণ বাড়াচ্ছে তারা, এবং বাঙ্গি চাষ এখন একটি লাভজনক পেশা হয়ে উঠেছে।

গত বছর এই এলাকায় ৫০ বিঘা জমিতে বাঙ্গি চাষ হয়েছিল, এবং ফলন ছিল ভালো। এ বছরও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাঙ্গির ফলন হয়েছে আরো ভালো। বিশেষ করে, বাঙ্গির আকার বেশ বড় এবং এর স্বাদও অতুলনীয়। ভাঙ্গার বাঙ্গি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু, যার কারণে দেশব্যাপী ব্যবসায়ীরা এখানে এসে বাঙ্গি কিনতে ছুটে আসেন।

[bsa_pro_ad_space id=2]

বাঙ্গি বিক্রি হয় শত হিসেবে, এবং একশত বাঙ্গির দাম ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের বাঙ্গি মাঠে পাওয়া যাচ্ছে। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশের এই ক্ষেতগুলো প্রতিদিন শত শত মানুষ দেখতে আসে এবং বাঙ্গি কিনে নিয়ে যায়।

পূর্ব সদরদী গ্রামে বাঙ্গি চাষ শুরু করেন মাসুদ শেখ, যিনি ২০০০ সালে ১৬ শতাংশ জমিতে প্রথম বাঙ্গি চাষ শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তিনি পৌনে চার বিঘা জমিতে বাঙ্গি চাষ করছেন। তিনি জানান, বাঙ্গি চাষে খরচ অনেক বেশি, তবে এই বছর তার ফলন ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকার বাঙ্গি বিক্রি করেছেন এবং এখনো জমিতে প্রচুর বাঙ্গি রয়েছে। গত বছর ৮ লাখ টাকা আয় করেছিলেন তিনি, যা তার পরিবারের খরচ মেটাতে সহায়ক হয়েছে।

আরেক কৃষক কাদের বেপারী বলেন, ‘বাঙ্গি চাষের মাধ্যমে আমি আমার ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছি। এখন আমি স্বাবলম্বী।’ অন্যান্য কৃষকও তাদের সফলতার কথা শেয়ার করেছেন, এবং সবাই একমত যে, বাঙ্গি চাষ লাভজনক এবং ভবিষ্যতে এই ব্যবসা আরো বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

ভাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোল্লা আল মামুন জানান, ভাঙ্গা উপজেলায় মোট ৫০ হেক্টর জমিতে বাঙ্গি চাষ হচ্ছে, যার মধ্যে ৩০ হেক্টর জমি পূর্ব সদরদী গ্রামে। তারা জৈব পদ্ধতি এবং আইপিএম পদ্ধতি মেনে চাষ করছেন, যার ফলস্বরূপ উৎপাদন ভালো হয়েছে।