ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

১২০ কিমি বেগে অন্ধ্র উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আঘাত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগের ঝোড়ো হাওয়া নিয়ে আঘাত হেনেছে তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ১টার দিকে রাজ্যের প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগ অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় আগামী ১২ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১টা ৩০ মিনিটের আবহাওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছে অবস্থান করছিল।

আরও পড়ুন  ঝড়ের পূর্বাভাস: ঘূর্ণিঝড় ও কালবৈশাখীর সতর্ক সংকেত

এ সময় ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ছিল।

আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে পারে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত উপকূল ও উপকূলসংলগ্ন এলাকায় ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার সকাল পর্যন্ত স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। এতে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় জলোচ্ছ্বাসের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

১২০ কিমি বেগে অন্ধ্র উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আঘাত

আপডেট সময় ১০:৩৬:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগের ঝোড়ো হাওয়া নিয়ে আঘাত হেনেছে তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ১টার দিকে রাজ্যের প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগ অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় আগামী ১২ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১টা ৩০ মিনিটের আবহাওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছে অবস্থান করছিল।

আরও পড়ুন  টাইফুন ডলফিনের আঘাতে লণ্ডভণ্ড চীন, বাতিল ১,৪০০ ফ্লাইট

এ সময় ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ছিল।

আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে পারে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত উপকূল ও উপকূলসংলগ্ন এলাকায় ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার সকাল পর্যন্ত স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। এতে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় জলোচ্ছ্বাসের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে।