ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

মিছিলের প্রস্তুতিকালে আ.লীগের নেতাসহ আটক ১৪

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৩:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 61

ছবি সংগৃহীত

 

পাবনা শহরে নাশকতা ও মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সুজানগর উপজেলা সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবসহ ১৪ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকদের মধ্যে আব্দুল ওহাবের পরিচয় পাওয়া গেলেও অন্যদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিলের দাবি, ফ্যাসিস্টদের বিচার চাইলেন নাহিদ ইসলাম

পাবনা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম জানান, আটক ব্যক্তিরা শহরের মধ্যে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে পুলিশ জানতে পারে। নাশকতার অংশ হিসেবে তারা মাইক্রোবাসে করে এসে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে তিনি জানান।

পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আটকদের পাবনা সদর থানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানান ডিবির এই কর্মকর্তা।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর আব্দুল ওহাবকে এ নিয়ে তৃতীয়বার আটক করা হলো। এর আগে ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মথুরাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করেছিল পুলিশ।

পুলিশ ভ্যানে তোলার পর স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ওই ঘটনায় আট পুলিশ সদস্য আহত হন। ছিনিয়ে নেওয়ার তিন দিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি আব্দুল ওহাবকে আবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আব্দুল ওহাব ও তার সমর্থকেরা সুজানগর এলাকায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চালিয়ে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল দিবাগত রাতে উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। ওই অভিযানে আব্দুল ওহাবসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।

ওই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর তারা জামিনে মুক্তি পান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মিছিলের প্রস্তুতিকালে আ.লীগের নেতাসহ আটক ১৪

আপডেট সময় ০১:০৩:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

পাবনা শহরে নাশকতা ও মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সুজানগর উপজেলা সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবসহ ১৪ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকদের মধ্যে আব্দুল ওহাবের পরিচয় পাওয়া গেলেও অন্যদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিলের দাবি, ফ্যাসিস্টদের বিচার চাইলেন নাহিদ ইসলাম

পাবনা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম জানান, আটক ব্যক্তিরা শহরের মধ্যে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে পুলিশ জানতে পারে। নাশকতার অংশ হিসেবে তারা মাইক্রোবাসে করে এসে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে তিনি জানান।

পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আটকদের পাবনা সদর থানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানান ডিবির এই কর্মকর্তা।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর আব্দুল ওহাবকে এ নিয়ে তৃতীয়বার আটক করা হলো। এর আগে ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মথুরাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করেছিল পুলিশ।

পুলিশ ভ্যানে তোলার পর স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ওই ঘটনায় আট পুলিশ সদস্য আহত হন। ছিনিয়ে নেওয়ার তিন দিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি আব্দুল ওহাবকে আবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আব্দুল ওহাব ও তার সমর্থকেরা সুজানগর এলাকায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চালিয়ে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল দিবাগত রাতে উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। ওই অভিযানে আব্দুল ওহাবসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।

ওই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর তারা জামিনে মুক্তি পান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।