ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঝিনাইদহে পুলিশের পোশাক ও ইয়াবাসহ ৫ ভুয়া পুলিশ গ্রেপ্তার উগান্ডায় বাংলাদেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি নাগরিকসহ ২৩১ জন বিদেশি আটক মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অগ্নিকাণ্ড; তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ যুদ্ধবিরতির সুযোগে মাটির নিচ থেকে অস্ত্র ও মিসাইল তুলছে ইরান নারায়ণগঞ্জে টহল পুলিশের ওপর সশস্ত্র হামলা; শটগান উদ্ধার, আটক ৩ নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে বিপুল জনসমাগম; প্রধান অতিথি তারেক রহমান হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহে আরও ২ শিশুর মৃত্যু কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি হিসেবে ডলি বেগমের শপথ ইরান, লেবানন ও ইরাকে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করলো সংযুক্ত আরব আমিরাত লালমনিরহাট সীমান্তে বিষধর সাপ ও কুমির আতঙ্ক, স্থানীয়দের মাঝে ভয়

নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 422

ছবি সংগৃহীত

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ৭ দিন ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য।

এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্য, ডগ স্কোয়াড এবং আকাশপথে নজরদারির জন্য ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করা হবে।
সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২০তম সভা শেষে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

আরও পড়ুন  "রাজসাক্ষী হয়ে ট্রাইব্যুনালে সাবেক আইজিপি মামুন: নিরাপত্তা জোরদার"

তিনি জানান, নির্বাচনে মোট ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ এবং র‍্যাবের ৭ হাজার ৭০০ সদস্য থাকবেন। এ ছাড়া নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিস স্ট্রাইকিং ফোর্স ও সহায়ক বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সেনাবাহিনীর ২০০টি, বিজিবির ১০০টিসহ মোট ৪১৮টি ড্রোন দিয়ে নির্বাচনী এলাকা মনিটর করা হবে। দেশের ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যরা ব্যবহার করবেন ২৫ হাজার বডি-ওর্ন ক্যামেরা।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ–২০২৬’ সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি। ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) নির্মিত এই অ্যাপের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম যুক্ত থাকবে।

ডেভিল হান্ট ফেইজ–২ অভিযানের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ১৩ ডিসেম্বর থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫৩ হাজার ৩৬৭ জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি

আপডেট সময় ০৯:২০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ৭ দিন ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য।

এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্য, ডগ স্কোয়াড এবং আকাশপথে নজরদারির জন্য ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করা হবে।
সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২০তম সভা শেষে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

আরও পড়ুন  বৈশাখে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, কঠোর নজরদারিতে থাকবে উৎসব: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

তিনি জানান, নির্বাচনে মোট ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ এবং র‍্যাবের ৭ হাজার ৭০০ সদস্য থাকবেন। এ ছাড়া নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিস স্ট্রাইকিং ফোর্স ও সহায়ক বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সেনাবাহিনীর ২০০টি, বিজিবির ১০০টিসহ মোট ৪১৮টি ড্রোন দিয়ে নির্বাচনী এলাকা মনিটর করা হবে। দেশের ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যরা ব্যবহার করবেন ২৫ হাজার বডি-ওর্ন ক্যামেরা।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ–২০২৬’ সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি। ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) নির্মিত এই অ্যাপের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম যুক্ত থাকবে।

ডেভিল হান্ট ফেইজ–২ অভিযানের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ১৩ ডিসেম্বর থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫৩ হাজার ৩৬৭ জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।