ঢাকা ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
কানাডার দাবানলের ধোঁয়া নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষোভ বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ চলমান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‎যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে সংলাপে ফেরার আহ্বান চীন ও পাকিস্তানের সংবিধান সংশোধন চাই, সংস্কারের কথা কখনও বলিনি: মির্জা ফখরুল ‎পুনর্বাসন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্যার্তদের পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী ফকল্যান্ড ইস্যুতে আর্জেন্টিনাকে গুনতে হতে পারে জরিমানা টানা ষষ্ঠ দিনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত বনভোজন শেষে ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ট্রাম্পের বাংলাদেশকে শুভকামনা জানালেন আর্জেন্টিনার সাবেক অধিনায়ক

পাঁচবিবিতে সরকারী নালা বন্ধ করে বাড়ী নির্মাণ, পানি বন্দি ১৫ পরিবার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • / 562

ছবি সংগৃহীত

 

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আটাপুর ইউনিয়নের রামপুরা গ্রামে চুক্তিনামার শর্ত ভঙ্গ করে পানি নিস্কাশনের সরকারী নালা ভরাট করে বিল্ডিং বাড়ী নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে শাহারুল ইসলাম নামের প্রভাবশালী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পানি নিস্কাশনের একমাত্র নালাটি বন্ধ করায় ঐ গ্রামের ১৫টি পরিবার পানি বন্দি হয়ে মানবতের জীবন যাপন করছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর আবেদন করেছেন ভূক্তভোগি পরিবার গুলো।

তবে শাহারুলের দাবী তারা নালাসহ জমিটি সরকার থেকে ৯৯ বছরের জন্য পত্তনি নিয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রামপুরা গ্রামের মোস্তাকের বাড়ীর পূর্ব পাশ দিয়ে মাঠ ও গ্রামের পানি নিস্কাশনের একটি মাত্র নালা রয়েছে। উক্ত নালা দিয়ে ঐ গ্রামের ১৫ পরিবারের পানি সহ মাঠের পানি নিস্কাশন হয়। কিন্তুু রামপুরা গ্রামের সেকেন্দারের পুত্র প্রভাবশালী শাহারুল ইসলাম পত্তনী সূত্রে পানি যাওয়ার নালাটির মুখ মাটি দিয়ে ভরাট করে বিল্ডিং বাড়ী নির্মাণ করেছে। ফলে মাঠের ও বাড়ীর পানি নিস্কাশন না হওয়ায় হাটু পানি জমে ১৫ টি পরিবার চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়, সেখানে রামপুরা গ্রামের ছাবেদ আলী ও তার স্ত্রী নুর জাহান ৭০৬১ নং কবুলিয়ত ফরম বন্দোবস্ত মামলা নম্বর ১৪২৪(১২) ৮৯-৯০ জেলা প্রশাসক পত্র সূত্রে ডেপুটি কমিমনার সঙ্গে ৯৯ বছরের জন্য ৬৪ শতক কৃষি জমি বন্দোবস্ত হয়।

বন্দোবস্তের অন্যান্য শর্তাবলিসহ উক্ত জমিতে শ্রেণি পরিবর্তন ও কোন নির্মাণ করতে পারবেন না বলে উল্লেখ থাকলেও ছাবেদ আলীর ওয়ারিশ (নাতী) প্রভাবশালী শাহারুল ইসলাম সেই শর্ত ভঙ্গ করে নালা ভরাট করে বিল্ডিং বাড়ী নির্মাণ করেছেন।

শাহারুল ইসলাম বলেন, আমার দাদা জমিটি ৯০ সালে সরকার থেকে লিজ নিয়েছেন। তাই আমি লিজ সুত্রে বাড়ী নির্মাণ করছি।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বেলায়েত হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাঁচবিবিতে সরকারী নালা বন্ধ করে বাড়ী নির্মাণ, পানি বন্দি ১৫ পরিবার

আপডেট সময় ০৪:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

 

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আটাপুর ইউনিয়নের রামপুরা গ্রামে চুক্তিনামার শর্ত ভঙ্গ করে পানি নিস্কাশনের সরকারী নালা ভরাট করে বিল্ডিং বাড়ী নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে শাহারুল ইসলাম নামের প্রভাবশালী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পানি নিস্কাশনের একমাত্র নালাটি বন্ধ করায় ঐ গ্রামের ১৫টি পরিবার পানি বন্দি হয়ে মানবতের জীবন যাপন করছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর আবেদন করেছেন ভূক্তভোগি পরিবার গুলো।

তবে শাহারুলের দাবী তারা নালাসহ জমিটি সরকার থেকে ৯৯ বছরের জন্য পত্তনি নিয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রামপুরা গ্রামের মোস্তাকের বাড়ীর পূর্ব পাশ দিয়ে মাঠ ও গ্রামের পানি নিস্কাশনের একটি মাত্র নালা রয়েছে। উক্ত নালা দিয়ে ঐ গ্রামের ১৫ পরিবারের পানি সহ মাঠের পানি নিস্কাশন হয়। কিন্তুু রামপুরা গ্রামের সেকেন্দারের পুত্র প্রভাবশালী শাহারুল ইসলাম পত্তনী সূত্রে পানি যাওয়ার নালাটির মুখ মাটি দিয়ে ভরাট করে বিল্ডিং বাড়ী নির্মাণ করেছে। ফলে মাঠের ও বাড়ীর পানি নিস্কাশন না হওয়ায় হাটু পানি জমে ১৫ টি পরিবার চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়, সেখানে রামপুরা গ্রামের ছাবেদ আলী ও তার স্ত্রী নুর জাহান ৭০৬১ নং কবুলিয়ত ফরম বন্দোবস্ত মামলা নম্বর ১৪২৪(১২) ৮৯-৯০ জেলা প্রশাসক পত্র সূত্রে ডেপুটি কমিমনার সঙ্গে ৯৯ বছরের জন্য ৬৪ শতক কৃষি জমি বন্দোবস্ত হয়।

বন্দোবস্তের অন্যান্য শর্তাবলিসহ উক্ত জমিতে শ্রেণি পরিবর্তন ও কোন নির্মাণ করতে পারবেন না বলে উল্লেখ থাকলেও ছাবেদ আলীর ওয়ারিশ (নাতী) প্রভাবশালী শাহারুল ইসলাম সেই শর্ত ভঙ্গ করে নালা ভরাট করে বিল্ডিং বাড়ী নির্মাণ করেছেন।

শাহারুল ইসলাম বলেন, আমার দাদা জমিটি ৯০ সালে সরকার থেকে লিজ নিয়েছেন। তাই আমি লিজ সুত্রে বাড়ী নির্মাণ করছি।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বেলায়েত হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।