ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

নতুন সরকারের পর রোজার পণ্য আমদানিতে সক্রিয় ৩১৭ প্রতিষ্ঠান, বেড়েছে আমদানিও

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 565

ছবি সংগৃহীত

 

নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এবার রোজার বাজারে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। চলতি বছরে রোজার নিত্যপণ্য আমদানিতে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে ৩১৭টি প্রতিষ্ঠান, যাদের অনেকে এর আগে আমদানির সঙ্গে যুক্ত ছিল না। এতে একদিকে যেমন বাজারে পণ্যের সরবরাহ বেড়েছে, তেমনি প্রতিযোগিতাও ফিরে এসেছে যা ক্রেতাদের জন্য ইতিবাচক।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, জানুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত সময়ে ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠান ছোলা, ডাল, খেজুর, তেল, গমসহ রোজার প্রধান আটটি পণ্য আমদানি করেছে। এর মধ্যে ৩১৭টি প্রতিষ্ঠান নতুন বা আগে সক্রিয় ছিল না। গতবার সক্রিয় ছিল এমন ১৮১টি প্রতিষ্ঠান এবার আর আমদানিতে নেই।

আরও পড়ুন  রোজা শুরুর আগেই ছোলার সরবরাহে স্বস্তি, দাম কমার আশা

নতুনদের মধ্যে রয়েছে সামুদা এডিবল অয়েল, সৈনিক ট্রেডার্স, ইনফিনাইট হরাইজন করপোরেশন, এমজি গ্লোবাল ট্রেড, সহোদর এন্টারপ্রাইজসহ আরও অনেকে। চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ঢাকা ও বগুড়ার এসব প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো বড় অঙ্কের পণ্য আমদানি করেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের ডাল, গম ও তেল আমদানি করেছে।

প্রতিযোগিতা বাড়ায় আমদানির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯ লাখ টন বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩৫ লাখ টনে। ফলে বাজারে পণ্যের সংকট নেই, বরং কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল বা কমেছে।

অন্যদিকে, আলোচিত এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো ফুডস, দেশবন্ধু সুগার মিলসসহ একাধিক বড় প্রতিষ্ঠান এবার আমদানিতে নিষ্ক্রিয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, আর্থিক অনিয়ম ও ব্যাংকঋণের জটিলতার কারণে এ সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বলেন, “নতুন আমদানিকারকদের অংশগ্রহণ বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা ফিরিয়ে এনেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

সব মিলিয়ে রোজার বাজারে এবার আমদানিতে নতুন উদ্যম, নতুন মুখ বাজার ব্যবস্থায় এক স্বস্তির পরশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন সরকারের পর রোজার পণ্য আমদানিতে সক্রিয় ৩১৭ প্রতিষ্ঠান, বেড়েছে আমদানিও

আপডেট সময় ১০:২৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এবার রোজার বাজারে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। চলতি বছরে রোজার নিত্যপণ্য আমদানিতে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে ৩১৭টি প্রতিষ্ঠান, যাদের অনেকে এর আগে আমদানির সঙ্গে যুক্ত ছিল না। এতে একদিকে যেমন বাজারে পণ্যের সরবরাহ বেড়েছে, তেমনি প্রতিযোগিতাও ফিরে এসেছে যা ক্রেতাদের জন্য ইতিবাচক।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, জানুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত সময়ে ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠান ছোলা, ডাল, খেজুর, তেল, গমসহ রোজার প্রধান আটটি পণ্য আমদানি করেছে। এর মধ্যে ৩১৭টি প্রতিষ্ঠান নতুন বা আগে সক্রিয় ছিল না। গতবার সক্রিয় ছিল এমন ১৮১টি প্রতিষ্ঠান এবার আর আমদানিতে নেই।

আরও পড়ুন  জনগণের স্বার্থের বাইরে সরকার এক পাও যাবে না: রিজভী

নতুনদের মধ্যে রয়েছে সামুদা এডিবল অয়েল, সৈনিক ট্রেডার্স, ইনফিনাইট হরাইজন করপোরেশন, এমজি গ্লোবাল ট্রেড, সহোদর এন্টারপ্রাইজসহ আরও অনেকে। চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ঢাকা ও বগুড়ার এসব প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো বড় অঙ্কের পণ্য আমদানি করেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের ডাল, গম ও তেল আমদানি করেছে।

প্রতিযোগিতা বাড়ায় আমদানির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯ লাখ টন বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩৫ লাখ টনে। ফলে বাজারে পণ্যের সংকট নেই, বরং কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল বা কমেছে।

অন্যদিকে, আলোচিত এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো ফুডস, দেশবন্ধু সুগার মিলসসহ একাধিক বড় প্রতিষ্ঠান এবার আমদানিতে নিষ্ক্রিয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, আর্থিক অনিয়ম ও ব্যাংকঋণের জটিলতার কারণে এ সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বলেন, “নতুন আমদানিকারকদের অংশগ্রহণ বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা ফিরিয়ে এনেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

সব মিলিয়ে রোজার বাজারে এবার আমদানিতে নতুন উদ্যম, নতুন মুখ বাজার ব্যবস্থায় এক স্বস্তির পরশ।