ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধবিরতির আলোচনায় সৌদি আরবে জেলেনস্কি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলও উপস্থিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • / 123

ছবি সংগৃহীত

 

ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করতে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। স্থানীয় সময় সোমবার তিনি জেদ্দায় পৌঁছান। এই সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন উচ্চপর্যায়ের ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় মঙ্গলবার জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হবে গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনা। সফরের অংশ হিসেবে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করার কথাও রয়েছে জেলেনস্কির।

আরও পড়ুন  ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপ: ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার নতুন উদ্যোগ

এই সফরের আগে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে জেলেনস্কি লেখেন, “যুদ্ধের শুরু থেকেই ইউক্রেন শান্তি চেয়ে আসছে। আমরা সবসময় বলেছি, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার একমাত্র কারণ রাশিয়া।”

জেলেনস্কির পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই জেদ্দায় আসেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও। তিনি শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিকদের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই দলে রয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের এই বৈঠক ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধানের ক্ষেত্রে একটি সম্ভাব্য অগ্রগতি এনে দিতে পারে। যুদ্ধ অবসানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একাধিকবার উদ্যোগ নিলেও কার্যকর কোনো সমাধান এখনো আসেনি।

সৌদি আরব ইতোমধ্যেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। গত বছরও দেশটি যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তাই এই আলোচনার মাধ্যমে নতুন কোনো সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বরাজনীতির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এখন দেখার বিষয়, রাশিয়া এই আলোচনার প্রতিক্রিয়ায় কী অবস্থান গ্রহণ করে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধবিরতির আলোচনায় সৌদি আরবে জেলেনস্কি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলও উপস্থিত

আপডেট সময় ১১:১৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

 

ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করতে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। স্থানীয় সময় সোমবার তিনি জেদ্দায় পৌঁছান। এই সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন উচ্চপর্যায়ের ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় মঙ্গলবার জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হবে গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনা। সফরের অংশ হিসেবে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করার কথাও রয়েছে জেলেনস্কির।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: শনিবারের মধ্যে জিম্মি মুক্তি না দিলে যুদ্ধবিরতি বাতিল

এই সফরের আগে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে জেলেনস্কি লেখেন, “যুদ্ধের শুরু থেকেই ইউক্রেন শান্তি চেয়ে আসছে। আমরা সবসময় বলেছি, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার একমাত্র কারণ রাশিয়া।”

জেলেনস্কির পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই জেদ্দায় আসেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও। তিনি শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিকদের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই দলে রয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের এই বৈঠক ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধানের ক্ষেত্রে একটি সম্ভাব্য অগ্রগতি এনে দিতে পারে। যুদ্ধ অবসানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একাধিকবার উদ্যোগ নিলেও কার্যকর কোনো সমাধান এখনো আসেনি।

সৌদি আরব ইতোমধ্যেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। গত বছরও দেশটি যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তাই এই আলোচনার মাধ্যমে নতুন কোনো সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বরাজনীতির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এখন দেখার বিষয়, রাশিয়া এই আলোচনার প্রতিক্রিয়ায় কী অবস্থান গ্রহণ করে।