০১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

পানামা খাল নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের বড় জয়ের ইঙ্গিত, ট্রাম্পের কৌশলগত বিজয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 101

ছবি সংগৃহীত

 

পানামা খালের গুরুত্ব নিয়ে প্রথম থেকেই মুখ খুলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার, এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথের দুটি প্রধান বন্দর মার্কিন বহুজাতিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকরকের অধীনে আসতে যাচ্ছে। এর ফলে, বিশ্ব বন্দর ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হংকংভিত্তিক সিকে হাচিসন ২ হাজার ২৮০ কোটি ডলারে পানামা খালের দুটি প্রধান বন্দর বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই চুক্তি মূলত চীনের প্রভাব নিয়ে ট্রাম্পের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে সম্পাদিত। সিকে হাচিসন তাদের ব্যবসা ব্ল্যাকরক এবং অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করছে। চুক্তির মাধ্যমে, পানামার দুটি বন্দরের মালিকানা ও পরিচালনার ৯০ শতাংশ শেয়ার ব্ল্যাকরক ও তার সহযোগীদের হাতে চলে আসবে।

বিজ্ঞাপন

ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের পরিচালক রায়ান বার্গের মতে, এই চুক্তি পানামা খালের নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটাবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রতিযোগিতায় একটি বড় জয় হিসেবে বিবেচিত হবে। ট্রাম্প প্রশাসন বারবার দাবি করে এসেছে যে, পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ চীনের হাতে যাওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘনের শামিল।

এ চুক্তির ফলে সিকে হাচিসন তাদের শেয়ারহোল্ডারদের ঋণ পরিশোধ করতে সক্ষম হবে। কোম্পানিটি এখন বিশ্বের ৪৩টি বন্দর পরিচালনা করছে এবং নতুন চুক্তির ফলে ব্ল্যাকরক ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে আসবে সিকে হাচিসনের বন্দর ব্যবস্থাপনার বড় অংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চুক্তি বৈশ্বিক বন্দর ব্যবসায় একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে এবং বিশ্ব বাণিজ্যে এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়বে।

চুক্তির পর, সিকে হাচিসনের শেয়ার ২২ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে, যা তাদের ভবিষ্যত বাণিজ্যিক পদক্ষেপের ইতিবাচক প্রতিফলন।

নিউজটি শেয়ার করুন

পানামা খাল নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের বড় জয়ের ইঙ্গিত, ট্রাম্পের কৌশলগত বিজয়

আপডেট সময় ০১:২৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

পানামা খালের গুরুত্ব নিয়ে প্রথম থেকেই মুখ খুলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার, এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথের দুটি প্রধান বন্দর মার্কিন বহুজাতিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকরকের অধীনে আসতে যাচ্ছে। এর ফলে, বিশ্ব বন্দর ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হংকংভিত্তিক সিকে হাচিসন ২ হাজার ২৮০ কোটি ডলারে পানামা খালের দুটি প্রধান বন্দর বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই চুক্তি মূলত চীনের প্রভাব নিয়ে ট্রাম্পের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে সম্পাদিত। সিকে হাচিসন তাদের ব্যবসা ব্ল্যাকরক এবং অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করছে। চুক্তির মাধ্যমে, পানামার দুটি বন্দরের মালিকানা ও পরিচালনার ৯০ শতাংশ শেয়ার ব্ল্যাকরক ও তার সহযোগীদের হাতে চলে আসবে।

বিজ্ঞাপন

ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের পরিচালক রায়ান বার্গের মতে, এই চুক্তি পানামা খালের নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটাবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রতিযোগিতায় একটি বড় জয় হিসেবে বিবেচিত হবে। ট্রাম্প প্রশাসন বারবার দাবি করে এসেছে যে, পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ চীনের হাতে যাওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘনের শামিল।

এ চুক্তির ফলে সিকে হাচিসন তাদের শেয়ারহোল্ডারদের ঋণ পরিশোধ করতে সক্ষম হবে। কোম্পানিটি এখন বিশ্বের ৪৩টি বন্দর পরিচালনা করছে এবং নতুন চুক্তির ফলে ব্ল্যাকরক ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে আসবে সিকে হাচিসনের বন্দর ব্যবস্থাপনার বড় অংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চুক্তি বৈশ্বিক বন্দর ব্যবসায় একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে এবং বিশ্ব বাণিজ্যে এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়বে।

চুক্তির পর, সিকে হাচিসনের শেয়ার ২২ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে, যা তাদের ভবিষ্যত বাণিজ্যিক পদক্ষেপের ইতিবাচক প্রতিফলন।