ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

আমরা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী: ড. ইউনূস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 483

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘একুশে পদক-২০২৫’ প্রদান অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “আমরা এখন অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী, উদ্যমী এবং সৃজনশীল। আমাদের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন অতীতের যে কোনো প্রজন্মের স্বপ্নের তুলনায় আরও দুঃসাহসী। তারা যেমন নতুন বাংলাদেশ গড়তে চায়, তেমনি নতুন বিশ্ব তৈরির স্বপ্নও লালন করছে।”

তিনি বলেন, “তরুণরা আজ নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত ছেলেরা যেমন, মেয়েরাও তেমনি। তারা এক আত্মবিশ্বাসী জাতি গঠনের স্বপ্ন দেখে, যেখানে পৃথিবীর সকল সম্পদের উপর মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে। এমন এক সভ্যতা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে জীবনযাত্রা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ হবে না এবং পৃথিবীর সব প্রাণীর সুস্থভাবে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা থাকবে।”

আরও পড়ুন  সকলের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

একুশে পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের এই সম্মাননা শুধু ব্যক্তি অর্জন নয়, বরং দেশ ও জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। আপনারা পথপ্রদর্শক, আপনাদের অবদান জাতিকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

তিনি আরও স্মরণ করেন দেশমাতৃকার জন্য আত্মোৎসর্গকারী ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া সাহসী ছাত্র-শ্রমিক-জনতাকে।

এ বছর শিল্পকলা, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, বিজ্ঞান, গবেষণা, ভাষা-সাহিত্য ও ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জাতীয় নারী ফুটবল দলকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। শিল্পকলায় চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর), সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর), ফেরদৌস আরা, আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন এবং চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা একুশে পদক লাভ করেন।

সাংবাদিকতায় মরহুম মাহফুজ উল্লাহ ও মানবাধিকার-সাংবাদিকতায় মাহমুদুর রহমান পদক পেয়েছেন। ভাষা ও সাহিত্যে মরহুম কবি হেলাল হাফিজ ও শহীদুল জহিরকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দলগতভাবে মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা পদক লাভ করেন। গবেষণায় মঈদুল হাসান এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল এই সম্মাননা অর্জন করে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আমরা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী: ড. ইউনূস

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘একুশে পদক-২০২৫’ প্রদান অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “আমরা এখন অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী, উদ্যমী এবং সৃজনশীল। আমাদের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন অতীতের যে কোনো প্রজন্মের স্বপ্নের তুলনায় আরও দুঃসাহসী। তারা যেমন নতুন বাংলাদেশ গড়তে চায়, তেমনি নতুন বিশ্ব তৈরির স্বপ্নও লালন করছে।”

তিনি বলেন, “তরুণরা আজ নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত ছেলেরা যেমন, মেয়েরাও তেমনি। তারা এক আত্মবিশ্বাসী জাতি গঠনের স্বপ্ন দেখে, যেখানে পৃথিবীর সকল সম্পদের উপর মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে। এমন এক সভ্যতা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে জীবনযাত্রা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ হবে না এবং পৃথিবীর সব প্রাণীর সুস্থভাবে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা থাকবে।”

আরও পড়ুন  ড. ইউনূস ও মোদির সম্ভাব্য বৈঠক হতে পারে এপ্রিলে: জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

একুশে পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের এই সম্মাননা শুধু ব্যক্তি অর্জন নয়, বরং দেশ ও জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। আপনারা পথপ্রদর্শক, আপনাদের অবদান জাতিকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

তিনি আরও স্মরণ করেন দেশমাতৃকার জন্য আত্মোৎসর্গকারী ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া সাহসী ছাত্র-শ্রমিক-জনতাকে।

এ বছর শিল্পকলা, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, বিজ্ঞান, গবেষণা, ভাষা-সাহিত্য ও ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জাতীয় নারী ফুটবল দলকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। শিল্পকলায় চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর), সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর), ফেরদৌস আরা, আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন এবং চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা একুশে পদক লাভ করেন।

সাংবাদিকতায় মরহুম মাহফুজ উল্লাহ ও মানবাধিকার-সাংবাদিকতায় মাহমুদুর রহমান পদক পেয়েছেন। ভাষা ও সাহিত্যে মরহুম কবি হেলাল হাফিজ ও শহীদুল জহিরকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দলগতভাবে মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা পদক লাভ করেন। গবেষণায় মঈদুল হাসান এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল এই সম্মাননা অর্জন করে।