ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ব্রিটিশ সরকারের কঠোর পদক্ষেপ: অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার, আতঙ্কে বাংলাদেশিরাও

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 472

ছবি: সংগৃহীত

 

ব্রিটিশ সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, যার ফলে এক মাসে রেকর্ড পরিমাণ অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। এর প্রভাবে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গ্রেফতার আতঙ্ক বেড়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে লন্ডনের ২০৯টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ব্রিটিশ ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট টিম ১৪২ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করে, যা গত বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২০২৪ সালে ওই মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল ৮৩ জনকে।

আরও পড়ুন  রাঙামাটিতে হিজড়া শিলা হত্যার ঘটনায় ৪ জনের গ্রেফতার: তদন্ত চলছে

ব্রিটিশ হোম অফিসের তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৬০৯ জন অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিবাসী ধরতে ব্রিটিশ সরকার এখন রেস্তোরাঁ ছাড়াও সেলুন, সুপারমার্কেট, এবং কার ওয়াশের মতো স্থানগুলোতেও অভিযান চালাচ্ছে, যা আগে কখনো ছিল না।

এভাবে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির সরকারের কঠোর অবস্থান স্থানীয় কমিউনিটিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি অভিবাসীরা এখন বেশ আতঙ্কিত। এই পরিস্থিতিতে আইনজীবীরা অভিবাসীদের নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া এবং বৈধতার প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন।

২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রিটিশ পুলিশ ৫ হাজার ৪২৫টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৩০ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে। বিশেষ করে অবৈধ কর্মসংস্থানের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে আগের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি গ্রেফতার হয়েছে।

এছাড়া, ব্রিটিশ সরকার ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ পরিমাণ অবৈধ অভিবাসীকে চার্টার ফ্লাইটে তাদের নিজ দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে ৮৫০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার অভিবাসন নিয়ে জনগণের সমর্থন লাভ করতে চাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রিটিশ সরকারের কঠোর পদক্ষেপ: অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার, আতঙ্কে বাংলাদেশিরাও

আপডেট সময় ০৫:০৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ব্রিটিশ সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, যার ফলে এক মাসে রেকর্ড পরিমাণ অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। এর প্রভাবে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গ্রেফতার আতঙ্ক বেড়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে লন্ডনের ২০৯টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ব্রিটিশ ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট টিম ১৪২ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করে, যা গত বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২০২৪ সালে ওই মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল ৮৩ জনকে।

আরও পড়ুন  পারভেজ হত্যা মামলায় দুই তরুণীর একজনের গ্রেফতারি

ব্রিটিশ হোম অফিসের তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৬০৯ জন অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিবাসী ধরতে ব্রিটিশ সরকার এখন রেস্তোরাঁ ছাড়াও সেলুন, সুপারমার্কেট, এবং কার ওয়াশের মতো স্থানগুলোতেও অভিযান চালাচ্ছে, যা আগে কখনো ছিল না।

এভাবে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির সরকারের কঠোর অবস্থান স্থানীয় কমিউনিটিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি অভিবাসীরা এখন বেশ আতঙ্কিত। এই পরিস্থিতিতে আইনজীবীরা অভিবাসীদের নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া এবং বৈধতার প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন।

২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রিটিশ পুলিশ ৫ হাজার ৪২৫টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৩০ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে। বিশেষ করে অবৈধ কর্মসংস্থানের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে আগের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি গ্রেফতার হয়েছে।

এছাড়া, ব্রিটিশ সরকার ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ পরিমাণ অবৈধ অভিবাসীকে চার্টার ফ্লাইটে তাদের নিজ দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে ৮৫০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার অভিবাসন নিয়ে জনগণের সমর্থন লাভ করতে চাচ্ছে।