ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু

ব্রিটিশ সরকারের কঠোর পদক্ষেপ: অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার, আতঙ্কে বাংলাদেশিরাও

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 570

ছবি: সংগৃহীত

 

ব্রিটিশ সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, যার ফলে এক মাসে রেকর্ড পরিমাণ অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। এর প্রভাবে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গ্রেফতার আতঙ্ক বেড়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে লন্ডনের ২০৯টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ব্রিটিশ ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট টিম ১৪২ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করে, যা গত বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২০২৪ সালে ওই মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল ৮৩ জনকে।

আরও পড়ুন  রাজধানীতে র‌্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ ৩৮ রাউন্ড গুলি ও সন্ত্রাসী গ্রেফতার

ব্রিটিশ হোম অফিসের তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৬০৯ জন অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিবাসী ধরতে ব্রিটিশ সরকার এখন রেস্তোরাঁ ছাড়াও সেলুন, সুপারমার্কেট, এবং কার ওয়াশের মতো স্থানগুলোতেও অভিযান চালাচ্ছে, যা আগে কখনো ছিল না।

এভাবে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির সরকারের কঠোর অবস্থান স্থানীয় কমিউনিটিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি অভিবাসীরা এখন বেশ আতঙ্কিত। এই পরিস্থিতিতে আইনজীবীরা অভিবাসীদের নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া এবং বৈধতার প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন।

২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রিটিশ পুলিশ ৫ হাজার ৪২৫টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৩০ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে। বিশেষ করে অবৈধ কর্মসংস্থানের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে আগের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি গ্রেফতার হয়েছে।

এছাড়া, ব্রিটিশ সরকার ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ পরিমাণ অবৈধ অভিবাসীকে চার্টার ফ্লাইটে তাদের নিজ দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে ৮৫০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার অভিবাসন নিয়ে জনগণের সমর্থন লাভ করতে চাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রিটিশ সরকারের কঠোর পদক্ষেপ: অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার, আতঙ্কে বাংলাদেশিরাও

আপডেট সময় ০৫:০৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ব্রিটিশ সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, যার ফলে এক মাসে রেকর্ড পরিমাণ অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। এর প্রভাবে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গ্রেফতার আতঙ্ক বেড়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে লন্ডনের ২০৯টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ব্রিটিশ ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট টিম ১৪২ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করে, যা গত বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২০২৪ সালে ওই মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল ৮৩ জনকে।

আরও পড়ুন  আনিসুল-শাজাহানসহ ১৬ জনকে গ্রেফতার, মামলায় সাবেক মন্ত্রীদের নাম: হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদালতের নির্দেশ

ব্রিটিশ হোম অফিসের তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৬০৯ জন অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিবাসী ধরতে ব্রিটিশ সরকার এখন রেস্তোরাঁ ছাড়াও সেলুন, সুপারমার্কেট, এবং কার ওয়াশের মতো স্থানগুলোতেও অভিযান চালাচ্ছে, যা আগে কখনো ছিল না।

এভাবে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির সরকারের কঠোর অবস্থান স্থানীয় কমিউনিটিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি অভিবাসীরা এখন বেশ আতঙ্কিত। এই পরিস্থিতিতে আইনজীবীরা অভিবাসীদের নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া এবং বৈধতার প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন।

২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রিটিশ পুলিশ ৫ হাজার ৪২৫টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৩০ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে। বিশেষ করে অবৈধ কর্মসংস্থানের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে আগের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি গ্রেফতার হয়েছে।

এছাড়া, ব্রিটিশ সরকার ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ পরিমাণ অবৈধ অভিবাসীকে চার্টার ফ্লাইটে তাদের নিজ দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে ৮৫০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার অভিবাসন নিয়ে জনগণের সমর্থন লাভ করতে চাচ্ছে।