ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

নভেম্বরে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু: প্রতিমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 40

ছবি সংগৃহীত

 

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে একজন কর্মীর যেতে আনুমানিক ১ লাখ ৫৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। তবে কর্মী পাঠানোর আগে মেডিকেল পরীক্ষাকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীতে উইটনেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত অভিবাসন সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় যাবেন বিনা খরচে ১০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক

নুরুল হক বলেন, নভেম্বরের শুরুতে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু হলে দুই থেকে চার দিনের মধ্যে পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হবে। এরপর তারা দেশটিতে যেতে পারবেন। ১ নভেম্বর অথবা ওই মাসের প্রথম সপ্তাহে ফ্লাইট চালু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর খরচও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে মেডিকেল পরীক্ষার খরচও নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করে মেডিকেল পরীক্ষার অনুমোদিত কেন্দ্রগুলোর তালিকা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে তালিকাটি চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হবে বলে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে জানিয়েছে। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষ নিজ নিজ ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করবে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে নুরুল হক বলেন, কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। সেগুলো শেষ করতে আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন। তবে নভেম্বর থেকে কর্মী পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।

তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ার অনুমোদিত ৩৩৮টি বড় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা পাওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র বা ডিমান্ড লেটার জমা দেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগের নির্ধারিত ব্যবস্থা এফডব্লিউসিএমএস এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট সেবার মাধ্যমে এসব চাহিদাপত্র জমা দেওয়া হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ দূতাবাসের সত্যায়ন ছাড়া কোনো চাহিদাপত্র গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

তার ভাষ্য, চাহিদাপত্র সত্যায়নের পাশাপাশি কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষাও সম্পন্ন করতে হবে। কোন কোন কেন্দ্রে এই পরীক্ষা করা যাবে, তা দুই দেশের আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।

অনুমোদনহীন মেডিকেল কেন্দ্রে পরীক্ষা করানো নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেন নুরুল হক। তিনি বলেন, মেডিকেল পরীক্ষা শুরুর বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। তাই কর্মীদের অনুমোদিত কেন্দ্র ছাড়া অন্য কোথাও পরীক্ষা না করানোর বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

নভেম্বরে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

 

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে একজন কর্মীর যেতে আনুমানিক ১ লাখ ৫৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। তবে কর্মী পাঠানোর আগে মেডিকেল পরীক্ষাকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীতে উইটনেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত অভিবাসন সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

আরও পড়ুন  আবারও বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী অধ্যাপক সাইদুর রহমান

নুরুল হক বলেন, নভেম্বরের শুরুতে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু হলে দুই থেকে চার দিনের মধ্যে পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হবে। এরপর তারা দেশটিতে যেতে পারবেন। ১ নভেম্বর অথবা ওই মাসের প্রথম সপ্তাহে ফ্লাইট চালু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর খরচও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে মেডিকেল পরীক্ষার খরচও নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করে মেডিকেল পরীক্ষার অনুমোদিত কেন্দ্রগুলোর তালিকা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে তালিকাটি চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হবে বলে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে জানিয়েছে। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষ নিজ নিজ ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করবে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে নুরুল হক বলেন, কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। সেগুলো শেষ করতে আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন। তবে নভেম্বর থেকে কর্মী পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।

তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ার অনুমোদিত ৩৩৮টি বড় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা পাওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র বা ডিমান্ড লেটার জমা দেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগের নির্ধারিত ব্যবস্থা এফডব্লিউসিএমএস এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট সেবার মাধ্যমে এসব চাহিদাপত্র জমা দেওয়া হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ দূতাবাসের সত্যায়ন ছাড়া কোনো চাহিদাপত্র গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

তার ভাষ্য, চাহিদাপত্র সত্যায়নের পাশাপাশি কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষাও সম্পন্ন করতে হবে। কোন কোন কেন্দ্রে এই পরীক্ষা করা যাবে, তা দুই দেশের আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।

অনুমোদনহীন মেডিকেল কেন্দ্রে পরীক্ষা করানো নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেন নুরুল হক। তিনি বলেন, মেডিকেল পরীক্ষা শুরুর বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। তাই কর্মীদের অনুমোদিত কেন্দ্র ছাড়া অন্য কোথাও পরীক্ষা না করানোর বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।