ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

জাপানের ও-সোজি মডেলে ডিসি ফরিদার ‘ক্লিন স্কুল টিম’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 24

ছবি: সংগৃহীত

জাপানের ‘ও-সোজি’ মডেল অনুসরণ করে ঢাকার ২১টি বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস, দায়িত্ববোধ ও শ্রমের মর্যাদা গড়ে তোলার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘ক্লিন স্কুল টিম’-এর পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সপ্তাহে অন্তত এক দিন ডেঙ্গুর ঝুঁকি পরিদর্শন, বর্জ্য পৃথককরণ এবং শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পরিচ্ছন্নতার চর্চা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার ২১টি বিদ্যালয়ে এ মডেল বাস্তবায়ন করা হবে।

আরও পড়ুন  ইন্টারনেট গতিতে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ল জাপান: সেকেন্ডে স্থানান্তর ১২৫ পেটাবাইট ডেটা

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের উদ্যোগে নেওয়া এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য শুধু বিদ্যালয় পরিষ্কার রাখা নয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা, দায়িত্ববোধ, শ্রমের মর্যাদা ও পরিবেশ সচেতনতার স্থায়ী অভ্যাস গড়ে তুলতে চায় জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি বিদ্যালয় থেকে পরিবার এবং পরিবার থেকে সমাজে পরিচ্ছন্নতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ফরিদা খানম বলেন, পরিচ্ছন্নতা কেবল বিদ্যালয় পরিষ্কার রাখার বিষয় নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, শ্রমের মর্যাদা ও পরিবেশের প্রতি যত্নশীল মনোভাব গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। আজকের পরিচ্ছন্ন বিদ্যালয় আগামী দিনের সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরির ভিত্তি।

কর্মসূচির পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন রুটিনে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরিচ্ছন্নতার জন্য বরাদ্দ থাকবে। শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে শ্রেণিকক্ষ, করিডোর ও পাঠাগারের মতো নিরাপদ জায়গা পরিষ্কারের দায়িত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষকরা পুরো কার্যক্রম তদারকি করবেন। অন্যদিকে, টয়লেট, নোংরা ড্রেন ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিষ্কারের দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা।

ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া বলেন, ও-সোজি মডেল কেবল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নয়, এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ তৈরিরও কার্যকর উদ্যোগ। শিক্ষার্থীরা নিজের বিদ্যালয় নিজে পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তুললে তা পরিবার ও সমাজেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ মডেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ জরুরি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক দিন বিদ্যালয় পরিদর্শন করে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা হবে। কোথাও পানি জমে আছে কি না, পানির পাত্র ঢেকে রাখা হচ্ছে কি না এবং এডিস মশার প্রজননস্থল দূর করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা দেখা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থান এবং সমস্যা সমাধানে নেওয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি চেকলিস্টে নথিভুক্ত করা হবে।

শিক্ষার্থীদের বাড়িতেও পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তুলতে চালু করা হবে ‘আমার বাসা, আমার দায়িত্ব’ কর্মসূচি। এর আওতায় তাদের সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা চেকলিস্ট দেওয়া হবে। ঘর গুছিয়ে রাখা, সঠিকভাবে বর্জ্য ফেলা এবং বাড়ির আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার মতো বিষয় এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রতি রোববার শিক্ষকরা চেকলিস্ট মূল্যায়ন করবেন।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও ব্যবহারিক শিক্ষা দেওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। বিদ্যালয়ে পচনশীল, পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও অন্যান্য বর্জ্য আলাদাভাবে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ডাস্টবিন ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং পচনশীল বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হবে।

কর্মসূচির আওতায় ‘ক্লিন স্কুল চ্যালেঞ্জ’ আয়োজনেরও প্রস্তাব রয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে। সেরা বিদ্যালয়, শ্রেণি ও শিক্ষার্থীদের সনদ, বই, শিক্ষা উপকরণ অথবা গাছের চারা দিয়ে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে গত ৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে রাজধানীর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠন করে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টিম গঠনের পর প্রায় তিন মাস ধরে গবেষণা, বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়। এসব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের উপযোগী করে জাপানের বিদ্যালয়ভিত্তিক ‘ও-সোজি’ মডেলের আদলে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাপানের ও-সোজি মডেলে ডিসি ফরিদার ‘ক্লিন স্কুল টিম’

আপডেট সময় ০৪:৫০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

জাপানের ‘ও-সোজি’ মডেল অনুসরণ করে ঢাকার ২১টি বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস, দায়িত্ববোধ ও শ্রমের মর্যাদা গড়ে তোলার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘ক্লিন স্কুল টিম’-এর পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সপ্তাহে অন্তত এক দিন ডেঙ্গুর ঝুঁকি পরিদর্শন, বর্জ্য পৃথককরণ এবং শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পরিচ্ছন্নতার চর্চা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার ২১টি বিদ্যালয়ে এ মডেল বাস্তবায়ন করা হবে।

আরও পড়ুন  জাপানের পাসপোর্ট সংকট: মাত্র ১৭% মানুষের পাসপোর্ট আছে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের উদ্যোগে নেওয়া এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য শুধু বিদ্যালয় পরিষ্কার রাখা নয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা, দায়িত্ববোধ, শ্রমের মর্যাদা ও পরিবেশ সচেতনতার স্থায়ী অভ্যাস গড়ে তুলতে চায় জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি বিদ্যালয় থেকে পরিবার এবং পরিবার থেকে সমাজে পরিচ্ছন্নতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ফরিদা খানম বলেন, পরিচ্ছন্নতা কেবল বিদ্যালয় পরিষ্কার রাখার বিষয় নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, শ্রমের মর্যাদা ও পরিবেশের প্রতি যত্নশীল মনোভাব গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। আজকের পরিচ্ছন্ন বিদ্যালয় আগামী দিনের সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরির ভিত্তি।

কর্মসূচির পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন রুটিনে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরিচ্ছন্নতার জন্য বরাদ্দ থাকবে। শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে শ্রেণিকক্ষ, করিডোর ও পাঠাগারের মতো নিরাপদ জায়গা পরিষ্কারের দায়িত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষকরা পুরো কার্যক্রম তদারকি করবেন। অন্যদিকে, টয়লেট, নোংরা ড্রেন ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিষ্কারের দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা।

ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া বলেন, ও-সোজি মডেল কেবল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নয়, এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ তৈরিরও কার্যকর উদ্যোগ। শিক্ষার্থীরা নিজের বিদ্যালয় নিজে পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তুললে তা পরিবার ও সমাজেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ মডেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ জরুরি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক দিন বিদ্যালয় পরিদর্শন করে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা হবে। কোথাও পানি জমে আছে কি না, পানির পাত্র ঢেকে রাখা হচ্ছে কি না এবং এডিস মশার প্রজননস্থল দূর করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা দেখা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থান এবং সমস্যা সমাধানে নেওয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি চেকলিস্টে নথিভুক্ত করা হবে।

শিক্ষার্থীদের বাড়িতেও পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তুলতে চালু করা হবে ‘আমার বাসা, আমার দায়িত্ব’ কর্মসূচি। এর আওতায় তাদের সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা চেকলিস্ট দেওয়া হবে। ঘর গুছিয়ে রাখা, সঠিকভাবে বর্জ্য ফেলা এবং বাড়ির আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার মতো বিষয় এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রতি রোববার শিক্ষকরা চেকলিস্ট মূল্যায়ন করবেন।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও ব্যবহারিক শিক্ষা দেওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। বিদ্যালয়ে পচনশীল, পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও অন্যান্য বর্জ্য আলাদাভাবে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ডাস্টবিন ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং পচনশীল বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হবে।

কর্মসূচির আওতায় ‘ক্লিন স্কুল চ্যালেঞ্জ’ আয়োজনেরও প্রস্তাব রয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে। সেরা বিদ্যালয়, শ্রেণি ও শিক্ষার্থীদের সনদ, বই, শিক্ষা উপকরণ অথবা গাছের চারা দিয়ে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে গত ৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে রাজধানীর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠন করে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টিম গঠনের পর প্রায় তিন মাস ধরে গবেষণা, বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়। এসব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের উপযোগী করে জাপানের বিদ্যালয়ভিত্তিক ‘ও-সোজি’ মডেলের আদলে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।