ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

উচ্চকক্ষে ১০৫ সদস্যের প্রস্তাব, আলোচনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 37

ছবি: সংগৃহীত

 

সংসদের উচ্চকক্ষের ১০৫ সদস্যের মধ্যে ৫০ জন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে এবং ৫০ জন সংসদীয় আসনের অনুপাতে নির্বাচনের প্রস্তাব উঠেছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে। বাকি পাঁচ সদস্যকে রাষ্ট্রপতির মনোনয়নের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চকক্ষের স্পিকারের নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য এবং সংসদের দুই কক্ষের মেয়াদ নির্ধারণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টার বৈঠকে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন শিক্ষক উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব দেন। বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, তার প্রস্তাবের প্রতি একাধিক সদস্য সমর্থন জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ বাতিল, নতুন অধ্যাদেশ জারি করল সরকার

প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চকক্ষে সংসদীয় আসনের অনুপাতে ৫০ জন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আরও ৫০ জন সদস্য নির্বাচিত হতে পারেন। বাকি পাঁচজনকে মনোনয়ন দেবেন রাষ্ট্রপতি। প্রস্তাবদাতার মতে, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষাবিদও উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবকে গ্রহণযোগ্য বলে মত দেন। তিনি উচ্চকক্ষের স্পিকারের নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।

ওই শিক্ষাবিদের প্রস্তাব অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ সৃষ্টি করা যেতে পারে। উচ্চকক্ষের স্পিকার পদাধিকারবলে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া সরকার ও বিরোধী দলের মনোনয়নের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্য উপদেষ্টাদের উচ্চকক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাবও দেন তিনি।

সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার বছর এবং উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর করার প্রস্তাবও দিয়েছেন ওই শিক্ষাবিদ। তার যুক্তি, এ ব্যবস্থা চালু হলে সরকারের মেয়াদ শেষ হলেও অন্তত একটি নির্বাচিত সংসদ বহাল থাকবে।

শনিবারের বৈঠকে বিশেষ কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপকেরা অংশ নেন। কমিটির পক্ষ থেকে ৬০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও উপস্থিত ছিলেন ৪৪ জন।

উচ্চকক্ষ গঠনের পদ্ধতি নিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থানও ভিন্ন। ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে সংসদীয় আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার কাঠামো, প্রক্রিয়া ও কর্মপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় কয়েকজন প্রস্তাব করেছেন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠিত হলে সরকার ও বিরোধী দলের মতামতের ভিত্তিতে এর স্পিকারের নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা যেতে পারে।

এ ধরনের প্রস্তাব বিবেচনা করা সম্ভব বলে জানান তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্পিকার ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্য উপদেষ্টাদের সরকার ও বিরোধী দলের সম্মতির ভিত্তিতে নিয়োগের বিধান রাখার বিষয়েও মতামত এসেছে।

তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির সভাপতি বলেন, সংবিধান সংশোধন নিয়ে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে, কিন্তু আলোচনা শেষ হয়নি। আরও প্রস্তাব পাওয়ার পর সেগুলো কমিটিতে উপস্থাপন করা হবে। এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোর মধ্যে শনিবারের আলোচনা সবচেয়ে ফলপ্রসূ ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কমিটির আরও এক বা দুটি বৈঠক বাকি রয়েছে। এরই মধ্যে প্রস্তাবগুলো সংকলনের কাজ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

বৈঠকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম, আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে বিচারিক পর্যালোচনার বিষয়েও আলোচনা হয়। এসব ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ও সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে আলোচকেরা মতামত দেন। বিভিন্ন দেশের বিচার বিভাগের এখতিয়ারসংক্রান্ত উদাহরণও তুলে ধরা হয় বলে জানান কমিটির সভাপতি।

এ ছাড়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকর করা, বিচারক নিয়োগে আইন প্রণয়ন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাবও বৈঠকে আলোচনায় আসে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধন, অর্থবিল, আস্থা ভোট ও জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্য বিষয়ে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে মোটামুটি ঐকমত্য হয়েছে বলে জানান কমিটির সভাপতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

উচ্চকক্ষে ১০৫ সদস্যের প্রস্তাব, আলোচনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার

আপডেট সময় ০৭:৩৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

 

সংসদের উচ্চকক্ষের ১০৫ সদস্যের মধ্যে ৫০ জন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে এবং ৫০ জন সংসদীয় আসনের অনুপাতে নির্বাচনের প্রস্তাব উঠেছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে। বাকি পাঁচ সদস্যকে রাষ্ট্রপতির মনোনয়নের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চকক্ষের স্পিকারের নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য এবং সংসদের দুই কক্ষের মেয়াদ নির্ধারণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টার বৈঠকে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন শিক্ষক উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব দেন। বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, তার প্রস্তাবের প্রতি একাধিক সদস্য সমর্থন জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  সকলের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চকক্ষে সংসদীয় আসনের অনুপাতে ৫০ জন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আরও ৫০ জন সদস্য নির্বাচিত হতে পারেন। বাকি পাঁচজনকে মনোনয়ন দেবেন রাষ্ট্রপতি। প্রস্তাবদাতার মতে, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষাবিদও উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবকে গ্রহণযোগ্য বলে মত দেন। তিনি উচ্চকক্ষের স্পিকারের নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।

ওই শিক্ষাবিদের প্রস্তাব অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ সৃষ্টি করা যেতে পারে। উচ্চকক্ষের স্পিকার পদাধিকারবলে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া সরকার ও বিরোধী দলের মনোনয়নের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্য উপদেষ্টাদের উচ্চকক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাবও দেন তিনি।

সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার বছর এবং উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর করার প্রস্তাবও দিয়েছেন ওই শিক্ষাবিদ। তার যুক্তি, এ ব্যবস্থা চালু হলে সরকারের মেয়াদ শেষ হলেও অন্তত একটি নির্বাচিত সংসদ বহাল থাকবে।

শনিবারের বৈঠকে বিশেষ কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপকেরা অংশ নেন। কমিটির পক্ষ থেকে ৬০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও উপস্থিত ছিলেন ৪৪ জন।

উচ্চকক্ষ গঠনের পদ্ধতি নিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থানও ভিন্ন। ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে সংসদীয় আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার কাঠামো, প্রক্রিয়া ও কর্মপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় কয়েকজন প্রস্তাব করেছেন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠিত হলে সরকার ও বিরোধী দলের মতামতের ভিত্তিতে এর স্পিকারের নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা যেতে পারে।

এ ধরনের প্রস্তাব বিবেচনা করা সম্ভব বলে জানান তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্পিকার ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্য উপদেষ্টাদের সরকার ও বিরোধী দলের সম্মতির ভিত্তিতে নিয়োগের বিধান রাখার বিষয়েও মতামত এসেছে।

তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির সভাপতি বলেন, সংবিধান সংশোধন নিয়ে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে, কিন্তু আলোচনা শেষ হয়নি। আরও প্রস্তাব পাওয়ার পর সেগুলো কমিটিতে উপস্থাপন করা হবে। এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোর মধ্যে শনিবারের আলোচনা সবচেয়ে ফলপ্রসূ ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কমিটির আরও এক বা দুটি বৈঠক বাকি রয়েছে। এরই মধ্যে প্রস্তাবগুলো সংকলনের কাজ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

বৈঠকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম, আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে বিচারিক পর্যালোচনার বিষয়েও আলোচনা হয়। এসব ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ও সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে আলোচকেরা মতামত দেন। বিভিন্ন দেশের বিচার বিভাগের এখতিয়ারসংক্রান্ত উদাহরণও তুলে ধরা হয় বলে জানান কমিটির সভাপতি।

এ ছাড়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকর করা, বিচারক নিয়োগে আইন প্রণয়ন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাবও বৈঠকে আলোচনায় আসে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধন, অর্থবিল, আস্থা ভোট ও জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্য বিষয়ে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে মোটামুটি ঐকমত্য হয়েছে বলে জানান কমিটির সভাপতি।