ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, দ্বিতীয় দফার সম্ভাবনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 18

ছবি: সংগৃহীত

 

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, অর্থনৈতিক সংকট ও কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার উদ্বেগের মধ্যে বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় ভোট শুরু হয়। এবারের নির্বাচনে ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইলিয়ানা ইয়োতোভা (৬১) এবং দেশটির সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রে গিউরভ (৫০)। তবে প্রথম দফায় কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবেন না বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা।

বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্টের পদ মূলত আনুষ্ঠানিক হলেও সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় এ পদের রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। দেশটির গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। তবে প্রেসিডেন্ট সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, আইনে ভেটো দিতে পারেন, আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেন।

আরও পড়ুন  নারী আসনে ভোট ১২ মে, আসন বণ্টনে এগিয়ে বিএনপি ও জামায়াত জোট

এবারের নির্বাচনে কৃষ্ণসাগরে বুলগেরিয়ার উপকূলের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে ধারাবাহিক ড্রোন হামলার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এসব হামলায় প্রায় দুই ডজন আন্তর্জাতিক নাবিকের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিন্দার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে মিত্রদের সহায়তা চেয়েছে বুলগেরিয়া।

হামলার জন্য রাশিয়াকে সরাসরি দায়ী করেনি বুলগেরিয়া সরকার। তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ বলেছেন, এসব হামলার ফলাফল ‘রুশ ফেডারেশনের জন্য লাভজনক’।

প্রেসিডেন্ট পদে এগিয়ে থাকা দুই প্রার্থীই ড্রোন হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তাঁদের অবস্থানে পার্থক্য রয়েছে।

চলতি বছর তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা গিউরভ পশ্চিমাপন্থি ও সংস্কারপন্থি দলগুলোর সমর্থন পাচ্ছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে কিয়েভের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তিও স্বাক্ষর করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার এক নির্বাচনী সমাবেশে গিউরভ বলেন, ইউরোপে বুলগেরিয়ার নিজস্ব অবস্থান থাকা উচিত। তাঁর ভাষায়, দেশটি এমন একটি নির্ভরযোগ্য ন্যাটো মিত্র হবে, যারা প্রস্তুতি, শক্তিশালী কূটনীতি ও সুস্পষ্ট অবস্থানের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবে।

অন্যদিকে, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়োতোভা গত জানুয়ারিতে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রুমেন রাদেভ পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পদত্যাগ করার পর তিনি এ দায়িত্ব পান। পরে রাদেভ পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে তাঁর অবস্থানকে ক্রেমলিনের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে মনে করেন।

রাদেভ ইয়োতোভাকে সমর্থন দিচ্ছেন। দুজনই কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবারের নির্বাচনী সমাবেশে ইয়োতোভা বলেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীরা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে। তবে তাঁর মতে, দীর্ঘস্থায়ী এ সংঘাতের কারণে সবাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

বুলগেরিয়ার পার্লামেন্টের দলগুলোর মধ্যে দেশটির পশ্চিমাপন্থি অবস্থান বজায় রাখার বিষয়ে ব্যাপক ঐকমত্য রয়েছে। তবে রাশিয়ার সঙ্গে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কারণে দেশটিতে রুশপন্থি মনোভাবও উল্লেখযোগ্য। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ ইস্যুতে বুলগেরীয় সমাজের বিভাজন আরও বেড়েছে।

জনমত জরিপ সংস্থা মার্কেট লিংকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডোব্রোমির ঝিভকভ বলেন, ইয়োতোভা তাঁদের মধ্যে অন্যতম, যাঁরা বুলগেরিয়াকে আরও নিরপেক্ষ অবস্থানে নেওয়ার পক্ষে মত দেন।

বার্তা সংস্থা এপিকে ঝিভকভ বলেন, তাঁরা ইউক্রেনকে সহায়তা ও দেশটিতে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের আহ্বান জানান। তাঁর দাবি, তাঁদের বক্তব্যে প্রায়ই ক্রেমলিনের বক্তব্য ও প্রচারণায় ব্যবহৃত শব্দচয়নের প্রতিফলন দেখা যায়।

নির্বাচনী প্রচারে প্রার্থীরা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও লাগামহীন মূল্যস্ফীতির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার অনেক মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

আলফা রিসার্চের জনমত জরিপে ইয়োতোভা ৪১ শতাংশ এবং গিউরভ ২৮ শতাংশ ভোট পেতে পারেন বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্লেষকদের ধারণা, ২৭ জন প্রার্থীর কেউই প্রথম দফায় সরাসরি নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবেন না।

দেশটিতে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ৬৬ লাখ। প্রথম দফায় নির্বাচিত হতে প্রয়োজনীয় ভোটের পাশাপাশি ভোটার উপস্থিতি ৫০ শতাংশের বেশি হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। তবে রোববার ভোটার উপস্থিতি ৪০ শতাংশের নিচে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে আগামী ১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফার ভোট হতে পারে। প্রথম দফায় কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে শীর্ষ প্রার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

সূত্র: আল জাজিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, দ্বিতীয় দফার সম্ভাবনা

আপডেট সময় ০৪:০৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

 

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, অর্থনৈতিক সংকট ও কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার উদ্বেগের মধ্যে বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় ভোট শুরু হয়। এবারের নির্বাচনে ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইলিয়ানা ইয়োতোভা (৬১) এবং দেশটির সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রে গিউরভ (৫০)। তবে প্রথম দফায় কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবেন না বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা।

বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্টের পদ মূলত আনুষ্ঠানিক হলেও সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় এ পদের রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। দেশটির গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। তবে প্রেসিডেন্ট সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, আইনে ভেটো দিতে পারেন, আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেন।

আরও পড়ুন  বোরকাপড়া নারীদের ভোটকেন্দ্রে মুখ দেখাতে হবে: ইসি

এবারের নির্বাচনে কৃষ্ণসাগরে বুলগেরিয়ার উপকূলের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে ধারাবাহিক ড্রোন হামলার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এসব হামলায় প্রায় দুই ডজন আন্তর্জাতিক নাবিকের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিন্দার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে মিত্রদের সহায়তা চেয়েছে বুলগেরিয়া।

হামলার জন্য রাশিয়াকে সরাসরি দায়ী করেনি বুলগেরিয়া সরকার। তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ বলেছেন, এসব হামলার ফলাফল ‘রুশ ফেডারেশনের জন্য লাভজনক’।

প্রেসিডেন্ট পদে এগিয়ে থাকা দুই প্রার্থীই ড্রোন হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তাঁদের অবস্থানে পার্থক্য রয়েছে।

চলতি বছর তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা গিউরভ পশ্চিমাপন্থি ও সংস্কারপন্থি দলগুলোর সমর্থন পাচ্ছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে কিয়েভের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তিও স্বাক্ষর করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার এক নির্বাচনী সমাবেশে গিউরভ বলেন, ইউরোপে বুলগেরিয়ার নিজস্ব অবস্থান থাকা উচিত। তাঁর ভাষায়, দেশটি এমন একটি নির্ভরযোগ্য ন্যাটো মিত্র হবে, যারা প্রস্তুতি, শক্তিশালী কূটনীতি ও সুস্পষ্ট অবস্থানের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবে।

অন্যদিকে, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়োতোভা গত জানুয়ারিতে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রুমেন রাদেভ পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পদত্যাগ করার পর তিনি এ দায়িত্ব পান। পরে রাদেভ পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে তাঁর অবস্থানকে ক্রেমলিনের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে মনে করেন।

রাদেভ ইয়োতোভাকে সমর্থন দিচ্ছেন। দুজনই কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবারের নির্বাচনী সমাবেশে ইয়োতোভা বলেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীরা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে। তবে তাঁর মতে, দীর্ঘস্থায়ী এ সংঘাতের কারণে সবাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

বুলগেরিয়ার পার্লামেন্টের দলগুলোর মধ্যে দেশটির পশ্চিমাপন্থি অবস্থান বজায় রাখার বিষয়ে ব্যাপক ঐকমত্য রয়েছে। তবে রাশিয়ার সঙ্গে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কারণে দেশটিতে রুশপন্থি মনোভাবও উল্লেখযোগ্য। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ ইস্যুতে বুলগেরীয় সমাজের বিভাজন আরও বেড়েছে।

জনমত জরিপ সংস্থা মার্কেট লিংকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডোব্রোমির ঝিভকভ বলেন, ইয়োতোভা তাঁদের মধ্যে অন্যতম, যাঁরা বুলগেরিয়াকে আরও নিরপেক্ষ অবস্থানে নেওয়ার পক্ষে মত দেন।

বার্তা সংস্থা এপিকে ঝিভকভ বলেন, তাঁরা ইউক্রেনকে সহায়তা ও দেশটিতে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের আহ্বান জানান। তাঁর দাবি, তাঁদের বক্তব্যে প্রায়ই ক্রেমলিনের বক্তব্য ও প্রচারণায় ব্যবহৃত শব্দচয়নের প্রতিফলন দেখা যায়।

নির্বাচনী প্রচারে প্রার্থীরা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও লাগামহীন মূল্যস্ফীতির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার অনেক মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

আলফা রিসার্চের জনমত জরিপে ইয়োতোভা ৪১ শতাংশ এবং গিউরভ ২৮ শতাংশ ভোট পেতে পারেন বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্লেষকদের ধারণা, ২৭ জন প্রার্থীর কেউই প্রথম দফায় সরাসরি নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবেন না।

দেশটিতে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ৬৬ লাখ। প্রথম দফায় নির্বাচিত হতে প্রয়োজনীয় ভোটের পাশাপাশি ভোটার উপস্থিতি ৫০ শতাংশের বেশি হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। তবে রোববার ভোটার উপস্থিতি ৪০ শতাংশের নিচে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে আগামী ১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফার ভোট হতে পারে। প্রথম দফায় কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে শীর্ষ প্রার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

সূত্র: আল জাজিরা।