ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের থাকার ভবন ধসে পড়েছে, চলছে উদ্ধার অভিযান বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রার সীমা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পেপারবিহীন, আধুনিক সংসদ প্রতিষ্ঠায় ই-পার্লামেন্ট চালুর উদ্যোগ ইসরায়েলে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ইরানের ঢাকার নদী দূষণমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা শিক্ষকদের জন্য: শিক্ষামন্ত্রী মিলন দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি সদস্য দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হাইব্রিড কর্মকাণ্ডে কঠোর বার্তা ন্যাটোর নতুন চাঞ্চল্য পাকিস্তান দলে, ক্রিকেটারদের ফোন জব্দ

ঢাকার নদী দূষণমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 23

ছবি: সংগৃহীত

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা এবং নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা, নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার ওপর নির্ভর না করে ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

আরও পড়ুন  ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং এসব নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য অপসারণের বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি নদ-নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং ঢাকার চারপাশের বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।

এ সময় এ পর্যন্ত নেওয়া পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুস, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকার নদী দূষণমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

আপডেট সময় ০৩:৪৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা এবং নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা, নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার ওপর নির্ভর না করে ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং এসব নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য অপসারণের বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি নদ-নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং ঢাকার চারপাশের বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।

এ সময় এ পর্যন্ত নেওয়া পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুস, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।