ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

টানা দরপতন কাটিয়ে ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার, বেড়েছে সূচক ও লেনদেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 15

ছবি সংগৃহীত

 

টানা দরপতনের ধারা থেকে বেরিয়ে ইতিবাচক অবস্থানে ফিরেছে দেশের শেয়ারবাজার। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম—দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে উভয় বাজারের প্রধান সূচক এবং লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে।

ডিএসইতে বেড়েছে সব প্রধান সূচক

আরও পড়ুন  ঈদের দীর্ঘ ছুটি শেষে আবারও সচল দেশের পুঁজিবাজার

দিনের লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৩৭ পয়েন্টে।

এ ছাড়া ডিএসইর শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৩০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একই সময়ে ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএস৩০ ৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১২২ পয়েন্টে।

লেনদেনেও দেখা গেছে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি। মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ৫৯৬ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে যার পরিমাণ ছিল ৪৭৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১১৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩০০টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৫০টির দাম কমেছে এবং ৩৮টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক প্রবণতা

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মঙ্গলবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ৩৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২৩৭ পয়েন্টে। এ ছাড়া সিএএসপিআই সূচক ৬০ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ১৩০ পয়েন্টে পৌঁছেছে।

সিএসই৩০ সূচকও ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭৩৫ পয়েন্টে।

লেনদেনের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। মঙ্গলবার সিএসইতে মোট ৫১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১০৮টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে ৩৮টির দর কমেছে এবং ১৬টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে।

টানা দরপতনের পর দেশের দুই শেয়ারবাজারে একই দিনে সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধিকে বাজারের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

টানা দরপতন কাটিয়ে ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার, বেড়েছে সূচক ও লেনদেন

আপডেট সময় ০৬:১৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

টানা দরপতনের ধারা থেকে বেরিয়ে ইতিবাচক অবস্থানে ফিরেছে দেশের শেয়ারবাজার। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম—দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে উভয় বাজারের প্রধান সূচক এবং লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে।

ডিএসইতে বেড়েছে সব প্রধান সূচক

আরও পড়ুন  প্রধান উপদেষ্টার ৫ দিকনির্দেশনা: শেয়ারবাজারে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ

দিনের লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৩৭ পয়েন্টে।

এ ছাড়া ডিএসইর শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৩০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একই সময়ে ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএস৩০ ৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১২২ পয়েন্টে।

লেনদেনেও দেখা গেছে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি। মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ৫৯৬ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে যার পরিমাণ ছিল ৪৭৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১১৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩০০টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৫০টির দাম কমেছে এবং ৩৮টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক প্রবণতা

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মঙ্গলবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ৩৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২৩৭ পয়েন্টে। এ ছাড়া সিএএসপিআই সূচক ৬০ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ১৩০ পয়েন্টে পৌঁছেছে।

সিএসই৩০ সূচকও ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭৩৫ পয়েন্টে।

লেনদেনের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। মঙ্গলবার সিএসইতে মোট ৫১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১০৮টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে ৩৮টির দর কমেছে এবং ১৬টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে।

টানা দরপতনের পর দেশের দুই শেয়ারবাজারে একই দিনে সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধিকে বাজারের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।