ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপির উচ্চপর্যায়: রিজভী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • / 11

ছবি: সংগৃহীত

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সে বিষয়ে বিএনপির উচ্চপর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতির বিচার দাবির বিষয়টিও দলীয় সিদ্ধান্তের অংশ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে রাষ্ট্রায়ত্ত ১২ প্রতিষ্ঠানের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানদের নিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী।

তিনি বলেন, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে দলের উচ্চপর্যায় সিদ্ধান্ত নেবে। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতির বিচারের যে দাবি তোলা হয়েছে, সেটিও দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয় বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব আমি গ্রহণ করেছি: স্পিকার

নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানদের উদ্দেশে রিজভী আশা প্রকাশ করে বলেন, তারা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করছেন।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই পদত্যাগ করেন।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা।

প্রায় তিন বছরের দায়িত্বকালে মো. সাহাবুদ্দিন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী ছিলেন। তার মেয়াদকালেই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল শেষ হলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান, যা দেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপির উচ্চপর্যায়: রিজভী

আপডেট সময় ০২:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সে বিষয়ে বিএনপির উচ্চপর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতির বিচার দাবির বিষয়টিও দলীয় সিদ্ধান্তের অংশ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে রাষ্ট্রায়ত্ত ১২ প্রতিষ্ঠানের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানদের নিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী।

তিনি বলেন, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে দলের উচ্চপর্যায় সিদ্ধান্ত নেবে। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতির বিচারের যে দাবি তোলা হয়েছে, সেটিও দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয় বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানদের উদ্দেশে রিজভী আশা প্রকাশ করে বলেন, তারা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করছেন।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই পদত্যাগ করেন।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা।

প্রায় তিন বছরের দায়িত্বকালে মো. সাহাবুদ্দিন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী ছিলেন। তার মেয়াদকালেই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল শেষ হলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান, যা দেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।