দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ
- আপডেট সময় ০৪:০৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
- / 29
দিল্লিতে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর ওই এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা হয়েছে। সংঘর্ষে কয়েকজন বিক্ষোভকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
সোমবার (২০ জুলাই) কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠক করেন। একই সময়ে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস দিল্লির ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন।
এর মধ্যেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
সকালে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থকেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে তারা সংসদ ভবনের দিকে পদযাত্রা করলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। সে সময় সংসদে বাদল অধিবেশন চলছিল।
সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়া বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পরে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করা হয়।
পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় কয়েকটি ব্যারিকেড ভেঙে ফেলা হয়।
কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকায় হাজারো বিক্ষোভকারী জড়ো হন। পরে যন্তর মন্তর, কনট প্লেস, রেল ভবন, শাস্ত্রী ভবন ও জনপথসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে বিক্ষোভকারীদের একাংশ সংসদ ভবনের কাছাকাছি উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের ব্যারিকেড অতিক্রমের চেষ্টা করেন।
এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন।
দিল্লির ডেপুটি পুলিশ কমিশনার সচিন শর্মা সবাইকে যন্তর মন্তরের নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের মধ্যেই অবস্থান করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সংঘর্ষপ্রবণ এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে এবং সবাইকে শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে।
দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মান্ডি হাউস, জনপথ, সংসদ মার্গ ও যন্তর মন্তর এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষের সমাগম হয়েছে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে প্যাটেল চক মেট্রো স্টেশনের বাইরের গেট বন্ধ রাখা হয়েছে।
একই সঙ্গে ওই স্টেশন দিয়ে যাত্রীদের বাইরে বের হওয়া সীমিত করা হয়েছে।
এদিকে বহু আন্দোলনকারী সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ও কৃষি ভবন মেট্রো স্টেশনে নেমে হেঁটে যন্তর মন্তরের দিকে যাচ্ছেন। তবে সংসদ ভবনের দিকে কোনো অনুমোদনহীন মিছিল বা বিক্ষোভ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্দোলনকারীদের কেরল ভবনের আশপাশের নির্ধারিত সীমার বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে দিল্লি পুলিশ উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে এবং রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস।NN




















