ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / 69

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১১ জুলাই) সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের শুরুতে তিনি ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে দুটি নতুন ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে তার।

শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

আরও পড়ুন  উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সাশ্রয়ী হওয়ার কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া তিনি আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।

সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় নেতাকর্মী, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল, স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে অভ্যর্থনা জানান।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের উদ্দেশে রওনা দেয়। শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। নেতাকর্মীদের উপস্থিতির কারণে গাড়িবহরের গতি কিছুটা কমে যায়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়। হাসপাতাল ও কলেজসংলগ্ন ফুটপাত থেকে ভ্রাম্যমাণ হকার, অস্থায়ী খাবারের দোকান, স্টেশনারি ব্যবসা এবং অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন পর ফুটপাত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে এবং যানজটও কিছুটা কমেছে। রোগীর স্বজন, পথচারী ও সাধারণ মানুষ এ উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাদের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও গতি পাবে এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা স্মরণীয়।

তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিজ ক্যাম্পাসে এসেছেন, যা বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য আবেগঘন এবং আনন্দের উপলক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৪৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

 

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১১ জুলাই) সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের শুরুতে তিনি ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে দুটি নতুন ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে তার।

শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

আরও পড়ুন  সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া তিনি আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।

সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় নেতাকর্মী, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল, স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে অভ্যর্থনা জানান।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের উদ্দেশে রওনা দেয়। শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। নেতাকর্মীদের উপস্থিতির কারণে গাড়িবহরের গতি কিছুটা কমে যায়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়। হাসপাতাল ও কলেজসংলগ্ন ফুটপাত থেকে ভ্রাম্যমাণ হকার, অস্থায়ী খাবারের দোকান, স্টেশনারি ব্যবসা এবং অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন পর ফুটপাত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে এবং যানজটও কিছুটা কমেছে। রোগীর স্বজন, পথচারী ও সাধারণ মানুষ এ উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাদের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও গতি পাবে এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা স্মরণীয়।

তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিজ ক্যাম্পাসে এসেছেন, যা বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য আবেগঘন এবং আনন্দের উপলক্ষ।