ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরানের পথে স্পিকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / 29

ছবি: সংগৃহীত

 

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি ইরানের উদ্দেশে রওনা হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জানাজা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী শনিবার (৪ জুলাই) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  সংসদের কাঠামো পরিবর্তন: ৫০৫ আসন নিয়ে গঠিত হবে দুই কক্ষের সংসদ

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের পরিবর্তিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮০ সালে স্বল্প সময়ের জন্য দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরে ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরুর পর ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক এবং পরবর্তীতে ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ তাকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরানের পথে স্পিকার

আপডেট সময় ০১:০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

 

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি ইরানের উদ্দেশে রওনা হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জানাজা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী শনিবার (৪ জুলাই) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  জাতীয় সংসদে আরও ১০টি বিল পাস

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের পরিবর্তিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮০ সালে স্বল্প সময়ের জন্য দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরে ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরুর পর ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক এবং পরবর্তীতে ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ তাকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।