হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর নকআউটে নরওয়ে
- আপডেট সময় ১১:২১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
- / 19
আর্লিং হালান্ডের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা নরওয়ে নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্বের টিকিট। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেয় স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি।
জাতীয় দলের জার্সিতে ধারাবাহিক গোল করে চলা হালান্ড এ ম্যাচেও জোড়া গোল করেছেন। সর্বশেষ ছয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের প্রতিটিতেই তিনি দুটি করে গোল করেছেন। তার ধারাবাহিক নৈপুণ্যেই বিশ্বকাপ মঞ্চে সফল প্রত্যাবর্তন উদযাপন করছে নরওয়ে।
সর্বশেষ ১৯৯৮ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল নরওয়ে। ওই আসরে শেষ ষোলোতে উঠে ইতালির কাছে হেরে বিদায় নেয় তারা। দীর্ঘ ২৮ বছর পর আবার বিশ্বকাপে ফিরে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে পৌঁছাতে বড় ভূমিকা রাখলেন হালান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডের নেতৃত্বাধীন দল।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধের শেষ দিকে এগিয়ে যায় নরওয়ে। ইনজুরিতে আক্রান্ত এক সতীর্থের বদলি হিসেবে মাঠে নামা মার্কুস পেডারসেন ৪৩তম মিনিটে দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে নরওয়ে। ৪৮ ও ৫৮ মিনিটে পরপর দুটি গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন হালান্ড। দুই গোলের মাধ্যমে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় নরওয়ে।
সেনেগাল অবশ্য লড়াই চালিয়ে যায়। ৫৩ মিনিটে ইসমাইলা সার গোল করে ব্যবধান কমান। পরে যোগ করা সময়ে আরও একটি গোল করে তিনি দলের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুললেও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকেও ম্যাচটি স্মরণীয় হয়ে থাকছে হালান্ডের জন্য। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই নরওয়ের হয়ে ৫২ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা পৌঁছেছে ৫৯-এ। সর্বশেষ ছয় আন্তর্জাতিক ম্যাচে তিনি করেছেন ১২ গোল। এছাড়া নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমেই দেশের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন এই স্ট্রাইকার। চলতি আসরে দুই ম্যাচে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারটিতে।
এই জয়ে ‘আই’ গ্রুপ থেকে ফ্রান্সের সঙ্গে নকআউট পর্বে ওঠা নিশ্চিত করেছে নরওয়ে। এখন গ্রুপ সেরা হওয়ার লক্ষ্যে শুক্রবার মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও নরওয়ে। ম্যাচটির ফল নকআউট পর্বে দুই দলের সম্ভাব্য পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অন্যদিকে টানা দুই ম্যাচে হেরে কঠিন অবস্থায় পড়েছে সেনেগাল। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এই প্রথম টানা দুই ম্যাচে পরাজয়ের মুখ দেখল সাদিও মানের দল। তবে তাদের নকআউটের আশা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। তৃতীয় স্থানের দল হিসেবে পরবর্তী পর্বে ওঠার সম্ভাবনা ধরে রাখতে শেষ ম্যাচে ইরাকের বিপক্ষে জয় পেতে হবে সেনেগালকে।


























