ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 15

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদায়কৃত অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন।

আরও পড়ুন  রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত বিচারের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

রায়ে আদালত বলেন, আসামিদের অপরাধ অত্যন্ত নৃশংস ও সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন। যথাযথ শাস্তি না হলে বিচারব্যবস্থার উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই স্বপ্না আক্তারকে আটক এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করে আদালত রায় ঘোষণা করেন। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

আলোচিত এ মামলার বিচারকাজ অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ায় এটি দেশের দ্রুততম বিচারিক প্রক্রিয়ার অন্যতম নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ১২:০৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

 

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদায়কৃত অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন।

আরও পড়ুন  ফরিদপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

রায়ে আদালত বলেন, আসামিদের অপরাধ অত্যন্ত নৃশংস ও সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন। যথাযথ শাস্তি না হলে বিচারব্যবস্থার উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই স্বপ্না আক্তারকে আটক এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করে আদালত রায় ঘোষণা করেন। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

আলোচিত এ মামলার বিচারকাজ অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ায় এটি দেশের দ্রুততম বিচারিক প্রক্রিয়ার অন্যতম নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।