চীন সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
- আপডেট সময় ০৪:২১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
- / 49
বর্তমানে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং চীন সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে চীন তার সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর একটি বেসরকারি হোটেলে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আগামী জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য চীন সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় চীন দৃঢ় সমর্থন দিয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত জানান, নতুন সরকার গঠনের পর চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে প্রায় ১০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছে।
বর্তমানে চীন তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা, মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের আবাসিক হল নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো নিয়ে কাজ করছে। এছাড়া সবুজ জ্বালানি, তথ্য-প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রিক ভেহিকল খাতেও বেইজিং সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
দুই দেশের জনগণের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, চলতি বছর এ পর্যন্ত ৩২ হাজার বাংলাদেশিকে ভিসা দেওয়া হয়েছে এবং বছর শেষে এই সংখ্যা এক লাখ ছাড়াতে পারে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে সপ্তাহে ৪৫টি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে গতি আনতে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দুটি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের ‘ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব’ আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে।






















