ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

জাতীয় গ্রিডে আদানির ৯২৫ মেগাওয়াট: কমতে পারে দেশব্যাপী লোডশেডিং

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 93

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলা ও ক্রমবর্ধমান লোডশেডিং কমাতে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটে এই ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সফলভাবে সিঙ্ক্রোনাইজ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বর্তমানে এই নতুন ইউনিট থেকে প্রায় ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আদানির এই প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিমাণ পর্যায়ক্রমে আরও বাড়ানো হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই অতিরিক্ত উৎপাদন সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশজুড়ে চলমান লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন  টানা ২ দিন ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যে এলাকায়

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আদানির পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বড় প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ ২৮ এপ্রিল থেকে এসএস পাওয়ার এবং আরএনপিএল (রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও চীনের নরিনকোর যৌথ উদ্যোগ) থেকে অতিরিক্ত ৬০০ মেগাওয়াট করে মোট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিপিডিবির সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় উৎপাদনের ঘাটতি বেশ লক্ষণীয় ছিল। গত শনিবার সন্ধ্যায় বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৬ হাজার ৯০০ মেগাওয়াটে পৌঁছালেও আদানি প্ল্যান্টের সরবরাহ ব্যতিরেকে উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৭১২ মেগাওয়াট। নতুন এই কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন শুরু করলে চাহিদার সঙ্গে উৎপাদনের এই ব্যবধান কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নতুন যুক্ত হওয়া এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন স্থিতিশীল থাকলে শিল্প-কারখানা ও আবাসিক পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন বাড়তি চাহিদা মেটাতে এই অতিরিক্ত মেগাওয়াট বড় ধরনের স্বস্তি দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় গ্রিডে আদানির ৯২৫ মেগাওয়াট: কমতে পারে দেশব্যাপী লোডশেডিং

আপডেট সময় ১০:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

 

দেশের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলা ও ক্রমবর্ধমান লোডশেডিং কমাতে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটে এই ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সফলভাবে সিঙ্ক্রোনাইজ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বর্তমানে এই নতুন ইউনিট থেকে প্রায় ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আদানির এই প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিমাণ পর্যায়ক্রমে আরও বাড়ানো হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই অতিরিক্ত উৎপাদন সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশজুড়ে চলমান লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন  রূপপুর প্রকল্প, ২০২৭ সালের মধ্যে লক্ষ্য ১২০০ মেগাওয়াট

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আদানির পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বড় প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ ২৮ এপ্রিল থেকে এসএস পাওয়ার এবং আরএনপিএল (রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও চীনের নরিনকোর যৌথ উদ্যোগ) থেকে অতিরিক্ত ৬০০ মেগাওয়াট করে মোট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিপিডিবির সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় উৎপাদনের ঘাটতি বেশ লক্ষণীয় ছিল। গত শনিবার সন্ধ্যায় বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৬ হাজার ৯০০ মেগাওয়াটে পৌঁছালেও আদানি প্ল্যান্টের সরবরাহ ব্যতিরেকে উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৭১২ মেগাওয়াট। নতুন এই কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন শুরু করলে চাহিদার সঙ্গে উৎপাদনের এই ব্যবধান কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নতুন যুক্ত হওয়া এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন স্থিতিশীল থাকলে শিল্প-কারখানা ও আবাসিক পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন বাড়তি চাহিদা মেটাতে এই অতিরিক্ত মেগাওয়াট বড় ধরনের স্বস্তি দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।