ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ জোহানেসবার্গে বন্দুকধারীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে ১২ জন নিহত আদ-দ্বীন হাসপাতালের জবাবে সন্তুষ্ট নন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসির ও তামিমার খালাসের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবে বাদী পক্ষ ইরানের সমর্থকরা মাঠে বসে খেলা দেখতে পারবেন না বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী মামলা থেকে খালাস পেলেন নাসির-তামিমা সরকারের ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতির কথা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভারতের ১২ পারমাণবিক ওয়ারহেড সক্রিয় অবস্থায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের পতন

কবে কমবে তীব্র লোডশেডিং, সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 70

ছবি সংগৃহীত

 

তীব্র গরমে দেশজুড়ে চলমান অসহনীয় লোডশেডিং থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। কারিগরি ত্রুটি ও জ্বালানি সংকটে বন্ধ থাকা কয়েকটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুনরায় উৎপাদনে ফেরার প্রক্রিয়ায় থাকায় এই উন্নতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটে শিল্প ও কৃষি উৎপাদনসহ জনজীবনে নাভিশ্বাস ওঠার প্রেক্ষাপটে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিটে সমস্যা হওয়ায় তারা বর্তমানে চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ দিচ্ছে। একই অবস্থা বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টেরও। আমরা সবার সঙ্গে কথা বলেছি, আশা করছি সপ্তাহ খানেকের মধ্যে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।”

আরও পড়ুন  সুতা আমদানিতে রেকর্ড মাইলফলক, সাত বছরের শীর্ষ রেকর্ড

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে ভারতের আদানি পাওয়ার থেকে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ২৮ এপ্রিল থেকে বাঁশখালীর এসএস পাওয়ারের আইপিপি প্ল্যান্ট থেকে ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা জানান, “২৮ এপ্রিল থেকে গ্রিডে বাড়তি প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। এছাড়া জ্বালানি সংকটে বন্ধ থাকা আরএনপিএন -এর ইউনিটটি চালু হলে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে সব মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হবে।”

তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়া নিয়ে কিছুটা সতর্কতা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন বলেন, তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সচল করে সাময়িকভাবে লোডশেডিং কমানো সম্ভব হলেও এতে উৎপাদন খরচ ও ভর্তুকির চাপ অনেক বেড়ে যাবে। দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য জ্বালানি আমদানির নিরবচ্ছিন্ন অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। নতুন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সচল হলে জনজীবনে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কবে কমবে তীব্র লোডশেডিং, সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

তীব্র গরমে দেশজুড়ে চলমান অসহনীয় লোডশেডিং থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। কারিগরি ত্রুটি ও জ্বালানি সংকটে বন্ধ থাকা কয়েকটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুনরায় উৎপাদনে ফেরার প্রক্রিয়ায় থাকায় এই উন্নতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটে শিল্প ও কৃষি উৎপাদনসহ জনজীবনে নাভিশ্বাস ওঠার প্রেক্ষাপটে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিটে সমস্যা হওয়ায় তারা বর্তমানে চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ দিচ্ছে। একই অবস্থা বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টেরও। আমরা সবার সঙ্গে কথা বলেছি, আশা করছি সপ্তাহ খানেকের মধ্যে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।”

আরও পড়ুন  ইতালির রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে ভারতের আদানি পাওয়ার থেকে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ২৮ এপ্রিল থেকে বাঁশখালীর এসএস পাওয়ারের আইপিপি প্ল্যান্ট থেকে ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা জানান, “২৮ এপ্রিল থেকে গ্রিডে বাড়তি প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। এছাড়া জ্বালানি সংকটে বন্ধ থাকা আরএনপিএন -এর ইউনিটটি চালু হলে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে সব মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হবে।”

তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়া নিয়ে কিছুটা সতর্কতা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন বলেন, তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সচল করে সাময়িকভাবে লোডশেডিং কমানো সম্ভব হলেও এতে উৎপাদন খরচ ও ভর্তুকির চাপ অনেক বেড়ে যাবে। দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য জ্বালানি আমদানির নিরবচ্ছিন্ন অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। নতুন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সচল হলে জনজীবনে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।