ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন পুকুরে মিলল দুই ভাইয়ের নিথর দেহ

খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 18

ছবি সংগৃহীত

 

খাবার পর পানি পান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের ধারণা ও বিতর্ক রয়েছে। কেউ মনে করেন এটি হজমে সহায়তা করে, আবার কেউ মনে করেন এটি হজম প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তবে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে পানি পানের পরিমাণ, সময় এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার গ্রহণের পরপরই স্বল্প পরিমাণ পানি পান সাধারণত ক্ষতিকর নয়। বরং এটি মুখ ও গলার শুষ্কতা দূর করতে সাহায্য করে। তবে একসাথে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি পান করলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে হজমে অস্বস্তি, গ্যাস বা ভারী অনুভূতি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন  ফ্রিজের মাংস নিরাপদ কি না বুঝবেন যে তিন লক্ষণে

গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞরা জানান, পাকস্থলীতে খাবার হজম করার জন্য নির্দিষ্ট হজম রস বা এনজাইম কাজ করে। অতিরিক্ত পানি একসাথে গ্রহণ করলে কিছু ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। তবে এটি স্থায়ী কোনো ক্ষতি করে না।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, খাবারের সময় অল্প অল্প পানি পান করা যেতে পারে। খাবার শেষ করার অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর পানি পান করা বেশি উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়। এছাড়া খুব ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলা এবং চুমুক দিয়ে পানি পান করার অভ্যাস স্বাস্থ্যসম্মত।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, “খাবার খাওয়ার পর পানি খাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে”—এটি একটি ভুল ধারণা। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করা জরুরি, তবে তা অবশ্যই পরিমিত হতে হবে।

পুষ্টিবিদদের মতে, পানি হজমে সরাসরি বাধা নয় বরং শরীরের বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা হজমজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সময় ও পরিমাণে সতর্ক থাকা উচিত।

সর্বোপরি বলা যায়, খাবার পর পানি পান করা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিকর নয়, তবে সঠিক সময় ও পরিমাণ বজায় রাখাই সুস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

আপডেট সময় ০৬:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

 

খাবার পর পানি পান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের ধারণা ও বিতর্ক রয়েছে। কেউ মনে করেন এটি হজমে সহায়তা করে, আবার কেউ মনে করেন এটি হজম প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তবে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে পানি পানের পরিমাণ, সময় এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার গ্রহণের পরপরই স্বল্প পরিমাণ পানি পান সাধারণত ক্ষতিকর নয়। বরং এটি মুখ ও গলার শুষ্কতা দূর করতে সাহায্য করে। তবে একসাথে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি পান করলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে হজমে অস্বস্তি, গ্যাস বা ভারী অনুভূতি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন  ফ্রিজের মাংস নিরাপদ কি না বুঝবেন যে তিন লক্ষণে

গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞরা জানান, পাকস্থলীতে খাবার হজম করার জন্য নির্দিষ্ট হজম রস বা এনজাইম কাজ করে। অতিরিক্ত পানি একসাথে গ্রহণ করলে কিছু ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। তবে এটি স্থায়ী কোনো ক্ষতি করে না।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, খাবারের সময় অল্প অল্প পানি পান করা যেতে পারে। খাবার শেষ করার অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর পানি পান করা বেশি উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়। এছাড়া খুব ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলা এবং চুমুক দিয়ে পানি পান করার অভ্যাস স্বাস্থ্যসম্মত।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, “খাবার খাওয়ার পর পানি খাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে”—এটি একটি ভুল ধারণা। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করা জরুরি, তবে তা অবশ্যই পরিমিত হতে হবে।

পুষ্টিবিদদের মতে, পানি হজমে সরাসরি বাধা নয় বরং শরীরের বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা হজমজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সময় ও পরিমাণে সতর্ক থাকা উচিত।

সর্বোপরি বলা যায়, খাবার পর পানি পান করা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিকর নয়, তবে সঠিক সময় ও পরিমাণ বজায় রাখাই সুস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।