ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নাতনি জাইমা রহমানের হাতে খালেদা জিয়ার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ সেন্সর বোর্ডের কাঁচি: ৬৩টি দৃশ্য বাদ দিয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘ভূত বাংলা’ আইআরজিসির নিয়ন্ত্রণে চীনা গোয়েন্দা স্যাটেলাইট: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য আন্দোরা পাহাড়, পর্যটন আর শান্ত জীবনের ক্ষুদ্র রাষ্ট্র স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের জন্য এবার তামিমের ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ শুক্রবার রাতে ঢাকা ছাড়ছে প্রথম হজ ফ্লাইট: উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আজ আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বিএসএফ ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন: এক জওয়ান নিহত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী

স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 22

ছবি সংগৃহীত

 

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মারুফা আক্তার (২৭) নামে এক সিনিয়র স্টাফ নার্সকে হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়ে নৃশংসভাবে জখম করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে পৌর সদরের বাড়িভাদেরা রোডের একটি ভাড়া বাসায় এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত স্বামী আরিফুল ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বাসিন্দা আরিফুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ১০ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ে হয় নেত্রকোণা সদর উপজেলার মদনপুর এলাকার মারুফা আক্তারের। তাদের সংসারে ৭ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। প্রায় ৬ মাস আগে মারুফা মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগদান করেন এবং তারা সপরিবারে কর্মস্থলের কাছে ভাড়া বাসায় থাকতে শুরু করেন।

আরও পড়ুন  ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় বাংলাদেশ, অর্থবছরে ৩.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস এডিবির

দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে আরিফুল ইসলাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারুফার দুই হাত ও পায়ের রগ কেটে দেন। মারুফার আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আটকের পর আরিফুল ইসলাম দাবি করেন, “কলেজ জীবন থেকে কষ্ট করে তাকে পড়াশোনা করিয়েছি। কিন্তু চাকরি পাওয়ার পর সে আমার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন বাড়াচ্ছিল। অতিষ্ঠ হয়েই আমি তাকে আঘাত করেছি।”

মদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূরুল হুদা খান ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, আহত নার্সকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “খবর পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযুক্তকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছি। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক

আপডেট সময় ০৫:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

 

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মারুফা আক্তার (২৭) নামে এক সিনিয়র স্টাফ নার্সকে হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়ে নৃশংসভাবে জখম করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে পৌর সদরের বাড়িভাদেরা রোডের একটি ভাড়া বাসায় এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত স্বামী আরিফুল ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বাসিন্দা আরিফুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ১০ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ে হয় নেত্রকোণা সদর উপজেলার মদনপুর এলাকার মারুফা আক্তারের। তাদের সংসারে ৭ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। প্রায় ৬ মাস আগে মারুফা মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগদান করেন এবং তারা সপরিবারে কর্মস্থলের কাছে ভাড়া বাসায় থাকতে শুরু করেন।

আরও পড়ুন  জেডিপি’র ৯০ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা: আহ্বায়ক নাঈম, সদস্য সচিব আব্দুল আলিম

দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে আরিফুল ইসলাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারুফার দুই হাত ও পায়ের রগ কেটে দেন। মারুফার আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আটকের পর আরিফুল ইসলাম দাবি করেন, “কলেজ জীবন থেকে কষ্ট করে তাকে পড়াশোনা করিয়েছি। কিন্তু চাকরি পাওয়ার পর সে আমার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন বাড়াচ্ছিল। অতিষ্ঠ হয়েই আমি তাকে আঘাত করেছি।”

মদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূরুল হুদা খান ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, আহত নার্সকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “খবর পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযুক্তকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছি। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”