ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদে ঘাঁটি তৈরি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • / 158

ছবি সংগৃহীত

 

চাঁদে শুধুমাত্র স্বল্পকালীন সফর নয়, এবার সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বিশাল এক অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ‘ইগনিশন’ নামক এক অনুষ্ঠানে চাঁদে নিয়মিত নভোচারী পাঠানো এবং একটি দীর্ঘমেয়াদী ঘাঁটি স্থাপনের মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। এই পরিকল্পনাটি মূলত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘জাতীয় মহাকাশ নীতি’র একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নাসার নতুন প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, “নাসা আবারও অসম্ভবকে সম্ভব করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই চাঁদে মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং সেখানে একটি স্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। মহাকাশ গবেষণার এই প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় এখন বছরের বদলে মাসের হিসাবে গণনা করা হবে।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়; লাখো মানুষ বিদ্যুৎহীন

নাসার নতুন এই কৌশল দীর্ঘ বিরতির বদলে ঘনঘন এবং সাশ্রয়ী অভিযানের ওপর জোর দিচ্ছে। এই মহাপরিকল্পনার প্রথম বড় মাইলফলক হবে ‘আর্টেমিস ৩’ মিশন। ২০২৭ সালে এই মিশনের মাধ্যমে নভোচারীরা চাঁদে পৌঁছাবেন। এরপর প্রতি ছয় মাস অন্তর নিয়মিতভাবে সেখানে মহাকাশযান পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে নাসার।

নাসার সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয়ের মতে, প্রকল্পটি তিনটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হবেঃ
প্রথম ধাপ: প্রযুক্তির আধুনিকায়ন এবং রোবোটিক ও কার্গো মিশনের সংখ্যা বৃদ্ধি।
দ্বিতীয় ধাপ: প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং নভোচারীদের জন্য আধা-বাসযোগ্য সিস্টেম স্থাপন।
চূড়ান্ত ধাপ: আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সাথে নিয়ে চাঁদে মানুষের স্থায়ী উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং একে মহাকাশের আরও গভীরে অভিযানের ‘বেস ক্যাম্প’ হিসেবে গড়ে তোলা।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

চাঁদে ঘাঁটি তৈরি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ১১:১৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

 

চাঁদে শুধুমাত্র স্বল্পকালীন সফর নয়, এবার সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বিশাল এক অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ‘ইগনিশন’ নামক এক অনুষ্ঠানে চাঁদে নিয়মিত নভোচারী পাঠানো এবং একটি দীর্ঘমেয়াদী ঘাঁটি স্থাপনের মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। এই পরিকল্পনাটি মূলত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘জাতীয় মহাকাশ নীতি’র একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নাসার নতুন প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, “নাসা আবারও অসম্ভবকে সম্ভব করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই চাঁদে মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং সেখানে একটি স্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। মহাকাশ গবেষণার এই প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় এখন বছরের বদলে মাসের হিসাবে গণনা করা হবে।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি ছাত্রীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

নাসার নতুন এই কৌশল দীর্ঘ বিরতির বদলে ঘনঘন এবং সাশ্রয়ী অভিযানের ওপর জোর দিচ্ছে। এই মহাপরিকল্পনার প্রথম বড় মাইলফলক হবে ‘আর্টেমিস ৩’ মিশন। ২০২৭ সালে এই মিশনের মাধ্যমে নভোচারীরা চাঁদে পৌঁছাবেন। এরপর প্রতি ছয় মাস অন্তর নিয়মিতভাবে সেখানে মহাকাশযান পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে নাসার।

নাসার সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয়ের মতে, প্রকল্পটি তিনটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হবেঃ
প্রথম ধাপ: প্রযুক্তির আধুনিকায়ন এবং রোবোটিক ও কার্গো মিশনের সংখ্যা বৃদ্ধি।
দ্বিতীয় ধাপ: প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং নভোচারীদের জন্য আধা-বাসযোগ্য সিস্টেম স্থাপন।
চূড়ান্ত ধাপ: আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সাথে নিয়ে চাঁদে মানুষের স্থায়ী উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং একে মহাকাশের আরও গভীরে অভিযানের ‘বেস ক্যাম্প’ হিসেবে গড়ে তোলা।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।