ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ৩০

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • / 164

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নে নির্বাচন-পরবর্তী বিরোধকে কেন্দ্র করে ৯ গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আক্তার মিয়া (৪৫) ও হাবিবুর রহমান (৩৫) নামে দু’জন নিহত হয়েছেন এবং নারী-পুরুষসহ প্রায় অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে বিএনপি সমর্থক রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কাশেম মিয়ার সমর্থিত গোষ্ঠীর মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় জাল ভোটের অভিযোগে রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়া মিয়াকে সেনাবাহিনী আটক করে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন। কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর জিয়া মিয়া সন্দেহ করেন যে স্বতন্ত্র প্রার্থী পক্ষের শিশু মিয়া তার গ্রেফতারে সাহায্য করেছিলেন। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে আগে থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

আরও পড়ুন  দক্ষিণ সুদানে বিমান হামলায় নিহত ৭, ধ্বংস হাসপাতাল-ফার্মেসি

এর জের ধরে গত কয়েকদিন আগেও দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়ায়। একই ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ফের রহিম গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজন টেঁটা-বল্লম নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে মসজিদের ইমাম মাওলানা হাবিবুর রহমান এবং আক্তার মিয়া মারা যান। আহত হন উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে দুইজন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ বলেন, পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ৩০

আপডেট সময় ১২:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নে নির্বাচন-পরবর্তী বিরোধকে কেন্দ্র করে ৯ গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আক্তার মিয়া (৪৫) ও হাবিবুর রহমান (৩৫) নামে দু’জন নিহত হয়েছেন এবং নারী-পুরুষসহ প্রায় অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে বিএনপি সমর্থক রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কাশেম মিয়ার সমর্থিত গোষ্ঠীর মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় জাল ভোটের অভিযোগে রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়া মিয়াকে সেনাবাহিনী আটক করে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন। কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর জিয়া মিয়া সন্দেহ করেন যে স্বতন্ত্র প্রার্থী পক্ষের শিশু মিয়া তার গ্রেফতারে সাহায্য করেছিলেন। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে আগে থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

আরও পড়ুন  বিয়েবাড়িতে গরুর মাংস কম দেওয়ায় সংঘর্ষ, বরসহ আহত ২০

এর জের ধরে গত কয়েকদিন আগেও দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়ায়। একই ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ফের রহিম গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজন টেঁটা-বল্লম নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে মসজিদের ইমাম মাওলানা হাবিবুর রহমান এবং আক্তার মিয়া মারা যান। আহত হন উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে দুইজন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ বলেন, পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে।