ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চব্বিশে সম্মিলিত আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে : রাষ্ট্রপতি বাহরাইনের জ্বালানি ট্যাংকে ইরানের অতর্কিত হামলা প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের নাম যুক্ত করে ত্রয়োদশ সংসদে শোকপ্রস্তাব গৃহীত নতুন নোট বিক্রি বেআইনি, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলেন আহমেদ আযম খান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ড. মোহাম্মদ ইউনূস বিএনপির স্থায়ী কমিটির পদ ছাড়লেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ যুদ্ধ ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে আরো শক্তিশালী করে ফেলবে— ইরানি গণতন্ত্রকামীদের মত যুদ্ধ বন্ধে ৩ শর্ত ইরানের; অন্যথায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলার হুঁশিয়ারি

প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের সভাপতির নাম প্রস্তাবকালে বক্তব্যের সময় তিনি এ কথা জানান।

সংসদনেতা তারেক রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি। আমার রাজনীতি দেশ এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা করার রাজনীতি। এই লক্ষ্য অর্জনে আমি গণতান্ত্রিক জনগণের সমর্থন এবং সহযোগিতা চাই। এই মহান জাতীয় সংসদে সকল দলের নির্বাচিত প্রতিজন সংসদ সদস্যের সমর্থন এবং সহযোগিতা চাই।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দল কিংবা মত কিংবা কর্মসূচি ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু তাঁবেদারমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত একটি স্বাধীন সার্বভৌম নিরাপদ স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধ থাকতে পারে না। বিরোধ নেই।

আরও পড়ুন  জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন। সেই গণতন্ত্রকে প্রহসনের রূপ দিয়ে জাতীয় সংসদকে হাস্যরসের খোরাকে পরিণত করা হয়েছিল। দেশের তাঁবেদারি শাসন শোষণ কায়েম করা হয়েছিল। দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করেছেন। জীবনে কখনোই স্বৈরাচার কিংবা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি। দেশে আজ থেকে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হলো। আলহামদুলিল্লাহ। সংসদীয় রাজনীতি প্রতিষ্ঠাতা খালেদা জিয়া দেশ এবং জনগণের সাফল্যে এই শুভ মুহূর্তটি দেখে যেতে পারেননি। আজ তাই এই জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে আমরা দেশ এবং জনগণের স্বার্থে আপসহীন নেতৃত্ব ব্যক্তিত্ব স্মরণীয় বরণীয় অনুকরণীয় রাজনীতিবিদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

বিএনপির রাজনীতি জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রাজনীতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি পরিবার স্বনির্ভর করাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমেই বিএনপি একটি স্বনির্ভর সমৃদ্ধ নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জনে আমি গণতান্ত্রিক জনগণের সমর্থন এবং সহযোগিতা চাইছি। এই মহান জাতীয় সংসদে সকল দলের নির্বাচিত প্রতিজন সংসদ সদস্যের সমর্থন এবং সহযোগিতা আশা করছি।

নতুন সরকারের যাত্রার শুরুতে স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকার উপস্থিত না থাকার বিষয়ে সংসদনেতা বলেন, পতিত পরাজিত বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকারের জনবিরোধী এবং গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের ফলে যে জনরোষ তৈরি হয়েছে বা জনরোষ তৈরি হয়েছিল তাতে এই মহান সংসদের সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের কেউ কারাগারে, কেউ নিখোঁজ কিংবা কেউ পলাতক। দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী এবং তাঁবেদারি শাসন শোষণের পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে আজ আমাদের এক বিশেষ পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

জাতীয় সংসদকে জাতীয় কর্মর্কাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু না করে বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকার অকার্যকর করে ফেলেছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এই মহান জাতীয় সংসদকে সকল যুক্তি-তর্ক আর জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের সভাপতির নাম প্রস্তাবকালে বক্তব্যের সময় তিনি এ কথা জানান।

সংসদনেতা তারেক রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি। আমার রাজনীতি দেশ এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা করার রাজনীতি। এই লক্ষ্য অর্জনে আমি গণতান্ত্রিক জনগণের সমর্থন এবং সহযোগিতা চাই। এই মহান জাতীয় সংসদে সকল দলের নির্বাচিত প্রতিজন সংসদ সদস্যের সমর্থন এবং সহযোগিতা চাই।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দল কিংবা মত কিংবা কর্মসূচি ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু তাঁবেদারমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত একটি স্বাধীন সার্বভৌম নিরাপদ স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধ থাকতে পারে না। বিরোধ নেই।

আরও পড়ুন  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ: এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তারেক রহমান

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন। সেই গণতন্ত্রকে প্রহসনের রূপ দিয়ে জাতীয় সংসদকে হাস্যরসের খোরাকে পরিণত করা হয়েছিল। দেশের তাঁবেদারি শাসন শোষণ কায়েম করা হয়েছিল। দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করেছেন। জীবনে কখনোই স্বৈরাচার কিংবা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি। দেশে আজ থেকে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হলো। আলহামদুলিল্লাহ। সংসদীয় রাজনীতি প্রতিষ্ঠাতা খালেদা জিয়া দেশ এবং জনগণের সাফল্যে এই শুভ মুহূর্তটি দেখে যেতে পারেননি। আজ তাই এই জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে আমরা দেশ এবং জনগণের স্বার্থে আপসহীন নেতৃত্ব ব্যক্তিত্ব স্মরণীয় বরণীয় অনুকরণীয় রাজনীতিবিদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

বিএনপির রাজনীতি জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রাজনীতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি পরিবার স্বনির্ভর করাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমেই বিএনপি একটি স্বনির্ভর সমৃদ্ধ নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জনে আমি গণতান্ত্রিক জনগণের সমর্থন এবং সহযোগিতা চাইছি। এই মহান জাতীয় সংসদে সকল দলের নির্বাচিত প্রতিজন সংসদ সদস্যের সমর্থন এবং সহযোগিতা আশা করছি।

নতুন সরকারের যাত্রার শুরুতে স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকার উপস্থিত না থাকার বিষয়ে সংসদনেতা বলেন, পতিত পরাজিত বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকারের জনবিরোধী এবং গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের ফলে যে জনরোষ তৈরি হয়েছে বা জনরোষ তৈরি হয়েছিল তাতে এই মহান সংসদের সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের কেউ কারাগারে, কেউ নিখোঁজ কিংবা কেউ পলাতক। দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী এবং তাঁবেদারি শাসন শোষণের পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে আজ আমাদের এক বিশেষ পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

জাতীয় সংসদকে জাতীয় কর্মর্কাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু না করে বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকার অকার্যকর করে ফেলেছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এই মহান জাতীয় সংসদকে সকল যুক্তি-তর্ক আর জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই।