ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

গোয়েন্দা তথ্যে ভারতে ফয়সাল গ্রেপ্তার, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / 162

ছবি সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেন (৩৪)-কে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়।

আরও পড়ুন  ‘জুলাই যোদ্ধা’ শনাক্তে গোয়েন্দা তদন্ত শুরু

জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করার পর সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফেরার জন্য পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে গ্রেপ্তারের পর রোববার তাদের বিধাননগর আদালত-এ হাজির করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তাদের ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে ফয়সাল ও আলমগীরকে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুর-এ পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

গোয়েন্দা তথ্যে ভারতে ফয়সাল গ্রেপ্তার, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

আপডেট সময় ১২:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেন (৩৪)-কে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়।

আরও পড়ুন  "ইউক্রেন রাষ্ট্র হিসেবে বিলীন হয়ে যেতে পারে" — ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা প্রধান কিরিলো বুদানোভ

জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করার পর সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফেরার জন্য পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে গ্রেপ্তারের পর রোববার তাদের বিধাননগর আদালত-এ হাজির করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তাদের ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে ফয়সাল ও আলমগীরকে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুর-এ পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।