ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 111

ছবি সংগৃহীত

 

নওগাঁ জেলা আইনজীবী সমিতির (বার অ্যাসোসিয়েশন) নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (বিএনপি সমর্থিত) নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে। মোট ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতিসহ ১২টি পদেই জয় পেয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। অন্যদিকে, জামায়াত সমর্থিত আইনজীবীরা আটটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কোনো আসনেই জয় পাননি।

সোমবার (২ মার্চ) দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন কমিশনার দেওয়ান মাহবুব আলী সুজা। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে বিএনপি সমর্থিত এম এইচ এম জাহাঙ্গীর আলম ১৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া হোসেন পেয়েছেন ১২৭ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বেলাল হোসেন; তিনি ১৯৫ ভোট পেয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত শওকত ইলিয়াস কবিরকে (১৭০ ভোট) পরাজিত করেন।

আরও পড়ুন  আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের বিষয়ে একমত বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমেদ

অন্যান্য পদের মধ্যে সহ-সভাপতির দুটি পদের একটিতে বিএনপি সমর্থিত আসাদুজ্জামান আল আজাদ এবং অন্যটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোত্তালেব হোসেন জয়ী হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদকের তিনটি পদের সবকটিতেই বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন—সাঈদ হোসেন আল মুরাদ, জহুরুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম। এছাড়া আটটি সদস্য পদের মধ্যে সাতটিতেই জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানান, ১৫টি পদের বিপরীতে মোট ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপি সমর্থিত পূর্ণ প্যানেল ১২টি আসন পেলেও সাধারণ সম্পাদকসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তবে জামায়াত সমর্থিত প্যানেলের একটি পদেও জয় না পাওয়াকে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত

আপডেট সময় ০৪:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

 

নওগাঁ জেলা আইনজীবী সমিতির (বার অ্যাসোসিয়েশন) নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (বিএনপি সমর্থিত) নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে। মোট ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতিসহ ১২টি পদেই জয় পেয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। অন্যদিকে, জামায়াত সমর্থিত আইনজীবীরা আটটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কোনো আসনেই জয় পাননি।

সোমবার (২ মার্চ) দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন কমিশনার দেওয়ান মাহবুব আলী সুজা। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে বিএনপি সমর্থিত এম এইচ এম জাহাঙ্গীর আলম ১৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া হোসেন পেয়েছেন ১২৭ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বেলাল হোসেন; তিনি ১৯৫ ভোট পেয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত শওকত ইলিয়াস কবিরকে (১৭০ ভোট) পরাজিত করেন।

আরও পড়ুন  কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে এবার আপিল বিভাগে নাহিদ

অন্যান্য পদের মধ্যে সহ-সভাপতির দুটি পদের একটিতে বিএনপি সমর্থিত আসাদুজ্জামান আল আজাদ এবং অন্যটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোত্তালেব হোসেন জয়ী হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদকের তিনটি পদের সবকটিতেই বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন—সাঈদ হোসেন আল মুরাদ, জহুরুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম। এছাড়া আটটি সদস্য পদের মধ্যে সাতটিতেই জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানান, ১৫টি পদের বিপরীতে মোট ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপি সমর্থিত পূর্ণ প্যানেল ১২টি আসন পেলেও সাধারণ সম্পাদকসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তবে জামায়াত সমর্থিত প্যানেলের একটি পদেও জয় না পাওয়াকে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।