ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

আফগানিস্তানকে হারিয়ে রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপ শুরু নিউজিল্যান্ডের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 761

ছবি; সংগৃহীত

আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপে শুভসূচনা করেছে নিউজিল্যান্ড। কিউইরা ১৮৩ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছে ১৩ বল হাতে রেখে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটাই নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড, কারণ এর আগে ১৭০ রানের বেশি তাড়া করে জয় ছিল না তাদের।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করে ১৮২ রান। আফগানদের এই লড়াকু পুঁজিতে বড় অবদান রাখেন গুলবাদিন নাইব; তার ব্যাট থেকে আসে ৬৩ রানের চমৎকার একটি ইনিংস, যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ব্যক্তিগত সেরা সংগ্রহ।

আফগানদের ইনিংসে সেদিকউল্লাহ আতাল ২৯ রান এবং রহমানউল্লাহ গুরবাজ ২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এছাড়া আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও নাজিবুল্লাহ রাসুলিও ব্যাট হাতে দলের সংগ্রহে প্রয়োজনীয় কিছু রান যোগ করেন। কিউইদের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন লকি ফার্গুসন, তিনি শিকার করেন ২ উইকেট।

আরও পড়ুন  আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৫০০ ছাড়িয়েছে

বল হাতে রাচিন রবীন্দ্র নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পাশাপাশি একটি উইকেট তুলে নেন। ইনিংসের শুরুতে আফগানিস্তান বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিলেও শেষ মুহূর্তে খেই হারিয়ে দ্রুত উইকেট বিলিয়ে দেয়। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে নিউজিল্যান্ডও স্বস্তিতে ছিল না। নতুন বলে মুজিব উর রহমানের ঘূর্ণিতে কুপোকাত হন ফিন অ্যালেন ও রাচিন রবীন্দ্র দুজনকেই সরাসরি বোল্ড করে এই স্পিনার।

এক ওভারে দুই উইকেট শিকার করে মুজিব আফগানদের জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। তবে সেই স্বপ্নে বাধা হয়ে দাঁড়ান টিম সেইফার্ট ও গ্লেন ফিলিপস। তৃতীয় উইকেটে এই যুটি ৭৪ রানের এক বিধ্বংসী জুটি গড়েন। ফিলিপস ২৫ বলে ৪২ রান করে বিদায় নিলে আফগান শিবিরে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, সেইফার্ট ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। মোহাম্মদ নবীর এক ওভারে চার ও ছক্কার বৃষ্টি বইয়ে দিয়ে তিনি হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৬৫ রান করে সেইফার্ট প্যাভিলিয়নে ফিরল।

ম্যাচের শেষ অঙ্কটা বেশ ঠান্ডা মাথায় মিলিয়েছেন ড্যারিল মিচেল ও মার্ক চ্যাপম্যান। জয়ের জন্য শেষ ৫ ওভারে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩২ রান। কোনো রকম ঝুঁকি বা তাড়াহুড়ো না করে এই দুই ব্যাটসম্যান সহজেই লক্ষ্য পূরণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আফগানিস্তানকে হারিয়ে রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপ শুরু নিউজিল্যান্ডের

আপডেট সময় ০৭:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপে শুভসূচনা করেছে নিউজিল্যান্ড। কিউইরা ১৮৩ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছে ১৩ বল হাতে রেখে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটাই নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড, কারণ এর আগে ১৭০ রানের বেশি তাড়া করে জয় ছিল না তাদের।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করে ১৮২ রান। আফগানদের এই লড়াকু পুঁজিতে বড় অবদান রাখেন গুলবাদিন নাইব; তার ব্যাট থেকে আসে ৬৩ রানের চমৎকার একটি ইনিংস, যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ব্যক্তিগত সেরা সংগ্রহ।

আফগানদের ইনিংসে সেদিকউল্লাহ আতাল ২৯ রান এবং রহমানউল্লাহ গুরবাজ ২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এছাড়া আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও নাজিবুল্লাহ রাসুলিও ব্যাট হাতে দলের সংগ্রহে প্রয়োজনীয় কিছু রান যোগ করেন। কিউইদের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন লকি ফার্গুসন, তিনি শিকার করেন ২ উইকেট।

আরও পড়ুন  কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান–আফগানিস্তান যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর

বল হাতে রাচিন রবীন্দ্র নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পাশাপাশি একটি উইকেট তুলে নেন। ইনিংসের শুরুতে আফগানিস্তান বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিলেও শেষ মুহূর্তে খেই হারিয়ে দ্রুত উইকেট বিলিয়ে দেয়। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে নিউজিল্যান্ডও স্বস্তিতে ছিল না। নতুন বলে মুজিব উর রহমানের ঘূর্ণিতে কুপোকাত হন ফিন অ্যালেন ও রাচিন রবীন্দ্র দুজনকেই সরাসরি বোল্ড করে এই স্পিনার।

এক ওভারে দুই উইকেট শিকার করে মুজিব আফগানদের জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। তবে সেই স্বপ্নে বাধা হয়ে দাঁড়ান টিম সেইফার্ট ও গ্লেন ফিলিপস। তৃতীয় উইকেটে এই যুটি ৭৪ রানের এক বিধ্বংসী জুটি গড়েন। ফিলিপস ২৫ বলে ৪২ রান করে বিদায় নিলে আফগান শিবিরে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, সেইফার্ট ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। মোহাম্মদ নবীর এক ওভারে চার ও ছক্কার বৃষ্টি বইয়ে দিয়ে তিনি হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৬৫ রান করে সেইফার্ট প্যাভিলিয়নে ফিরল।

ম্যাচের শেষ অঙ্কটা বেশ ঠান্ডা মাথায় মিলিয়েছেন ড্যারিল মিচেল ও মার্ক চ্যাপম্যান। জয়ের জন্য শেষ ৫ ওভারে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩২ রান। কোনো রকম ঝুঁকি বা তাড়াহুড়ো না করে এই দুই ব্যাটসম্যান সহজেই লক্ষ্য পূরণ।