ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী

স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 2142

ছবি: খবরের কথা

 

স্পিকার না থাকায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কে শপথ পড়াবেন?- মিলেছে এ প্রশ্নের জবাব। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসিরউদ্দিন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্পিকারের পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকার দায়িত্বে না থাকায় বর্তমানে পদ দুটি শূন্য রয়েছে। তাই সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সিইসি নিজেই নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পড়াবেন বলে সংসদ ও ইসি সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুন  সরকার ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়: সিইসি নাসির উদ্দিন

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮(১) একং ১৪৮(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার অথবা স্পিকারের মনোনীত কোনো ব্যক্তি নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াতে পারবেন’ বলে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে স্পিকার না থাকায় সে অনুযায়ী শপথ পড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।

তবে সংবিধানের ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তিও যদি গেজেট প্রকাশের পর তিনদিনের মধ্যে এমপিদের শপথ পাঠ না করান, তাহলে পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন।

এছাড়া সংবিধানের তফসিল-৩ অনুযায়ী যদি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার দায়িত্বে না থাকেন, তাহলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবদুল রহমানেল মাছউদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে-স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারই নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। এ নিয়মের ব্যত্যয় হওয়ার সুযোগ নেই। আমাদের কাছে এখনো কোনো বার্তা আসেনি। তবে রেওয়াজ অনুযায়ী সিইসিই পড়াবেন-এটা নিশ্চিত।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শাহদীন মালিক বলেন, সংসদ না থাকলেও রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাবাহিকতা রক্ষায় সংবিধানে বিকল্প পথ রাখা হয়েছে। স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে সিইসির মাধ্যমে শপথ নেওয়া পুরোপুরি বৈধ। এটি সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পড়ে।

তিনি বলেন, শপথ গ্রহণ বিলম্বিত হলে সংসদের বৈধতা ও কার্যক্রম শুরু নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তবে সার্বিক ব্যাপারে সিইসির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আইন অনুযায়ী নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর সর্বোচ্চ তিনদিনের মধ্যে এমপিদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করতে হয় এবং সংসদ গঠনের পূর্বে তা সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক। নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সংসদ সদস্যদের বরণে সে অনুযায়ী অধিবেশন কক্ষ এবং শপথ কক্ষ সংস্কার চলমান রয়েছে এবং তা শেষ পর্যায়ে বলে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, সংসদ সচিবালয় এ বিষয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন

আপডেট সময় ১২:২৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

স্পিকার না থাকায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কে শপথ পড়াবেন?- মিলেছে এ প্রশ্নের জবাব। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসিরউদ্দিন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্পিকারের পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকার দায়িত্বে না থাকায় বর্তমানে পদ দুটি শূন্য রয়েছে। তাই সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সিইসি নিজেই নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পড়াবেন বলে সংসদ ও ইসি সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুন  জার্মানিতে জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতায় ফেরার পথে সিডিইউ, থাকতে পারে ঝুঁকি

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮(১) একং ১৪৮(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার অথবা স্পিকারের মনোনীত কোনো ব্যক্তি নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াতে পারবেন’ বলে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে স্পিকার না থাকায় সে অনুযায়ী শপথ পড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।

তবে সংবিধানের ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তিও যদি গেজেট প্রকাশের পর তিনদিনের মধ্যে এমপিদের শপথ পাঠ না করান, তাহলে পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন।

এছাড়া সংবিধানের তফসিল-৩ অনুযায়ী যদি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার দায়িত্বে না থাকেন, তাহলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবদুল রহমানেল মাছউদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে-স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারই নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। এ নিয়মের ব্যত্যয় হওয়ার সুযোগ নেই। আমাদের কাছে এখনো কোনো বার্তা আসেনি। তবে রেওয়াজ অনুযায়ী সিইসিই পড়াবেন-এটা নিশ্চিত।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শাহদীন মালিক বলেন, সংসদ না থাকলেও রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাবাহিকতা রক্ষায় সংবিধানে বিকল্প পথ রাখা হয়েছে। স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে সিইসির মাধ্যমে শপথ নেওয়া পুরোপুরি বৈধ। এটি সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পড়ে।

তিনি বলেন, শপথ গ্রহণ বিলম্বিত হলে সংসদের বৈধতা ও কার্যক্রম শুরু নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তবে সার্বিক ব্যাপারে সিইসির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আইন অনুযায়ী নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর সর্বোচ্চ তিনদিনের মধ্যে এমপিদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করতে হয় এবং সংসদ গঠনের পূর্বে তা সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক। নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সংসদ সদস্যদের বরণে সে অনুযায়ী অধিবেশন কক্ষ এবং শপথ কক্ষ সংস্কার চলমান রয়েছে এবং তা শেষ পর্যায়ে বলে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, সংসদ সচিবালয় এ বিষয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে।