ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

পাকিস্তানের পাঞ্চাবে ব্যাপক বন্যা, নিহত ১৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 544

ছবি: সংগৃহীত

 

পাকিস্তানের পাঞ্চাবে ব্যাপক বন্যায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে এবং পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৬ লাখেরও বেশি মানুষ। সুতলেজ, রাভি এবং চেনাব তিন নদীর পানি বিপজ্জনকমাত্রায় বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক বন্যা শুরু হয়েছে পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবের মধ্যাঞ্চল।

বন্যায় নিহত ১৫ জনের মধ্যে ৫ জন প্রদেশের শিয়ালকোট, ৪ জন গুজরাট, ৩ জন নারোয়াল, ২ জন হাফিজাবাদ এবং এক জন গুজরানওয়ালা জেলার বাসিন্দা ছিলেন। গুজরানওয়ালার জেলা কমিশনার এ তথ্য জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত গাদ্দাফি পুত্র সাইফ আল-ইসলাম

গত জুনের শেষ দিক থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়েছে পাকিস্তানে। এছাড়া সম্প্রতি ভারত বাঁধ খুলে দেওয়ায় সুতলেজ, রাভি ও চেনাব নদীর পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধ পেয়েছে, যার জেরে ইতোমধ্যে ডুবেছে পাঞ্জাবের মধ্যস্থল। পাকিস্তানের আবহাওয়য়া দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাঞ্জাবের দক্ষিণাঞ্চলেও এই বন্যা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পাকিস্তান দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ)-এর মুখপাত্র ফারুক আহমেদ পাকিস্তানের জাতীয় দৈনি ডনকে জানিয়েছেন, প্রদেশের ১৭টি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এই জেলাগুলো হলো সিয়ালকোট, সারগোধা, চিনিওট, গুজরানওয়ালা, নানকানা, হাফিজাবাদ, মান্দি বাহাউদ্দিন, গুজরাট, লাহোর, নারোয়াল, কাসুর, ওকারা, পাকপাত্তান, ভাওয়ালনগর, ভেহারি, ভাওয়ালপুর এবং লোধরান।

এই ১৭ জেলার মধ্যে আটটি জেলার বন্যাপরিস্থিত অনেক বেশি উদ্বেগজনক। সেই জেলাগুলো হলো শিয়ালকোট , নারোয়াল, হাফিজাবাদ, সারগোধা, লাহোর, কাসুর, ওকারা এবং ফয়সালাবাদ।

সরকারি হিসেব অনুযায়ী, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এই ১৭ জেলার নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোতে বসবাসকারী প্রায় ১০ লাখ মানুষ। তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে দেড় লাখেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দিয়েছেন পিডিএমএর’র উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্যরা। উদ্ধার করা হয়েছে লাখ লাখ গবাদি পশুও।

চলতি বছরের বর্ষা ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে এনেছে পাকিস্তানের জন্য। পিডিএমএ-এর হিসেব অনুযায়ী, প্রবল বর্ষণে বাড়ির ছাদ-দেওয়াল ধস, বজ্রপাত, হড়পা বান এবং বর্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন দুর্যোগে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৮০৭ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানের পাঞ্চাবে ব্যাপক বন্যা, নিহত ১৫

আপডেট সময় ০১:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

 

পাকিস্তানের পাঞ্চাবে ব্যাপক বন্যায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে এবং পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৬ লাখেরও বেশি মানুষ। সুতলেজ, রাভি এবং চেনাব তিন নদীর পানি বিপজ্জনকমাত্রায় বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক বন্যা শুরু হয়েছে পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবের মধ্যাঞ্চল।

বন্যায় নিহত ১৫ জনের মধ্যে ৫ জন প্রদেশের শিয়ালকোট, ৪ জন গুজরাট, ৩ জন নারোয়াল, ২ জন হাফিজাবাদ এবং এক জন গুজরানওয়ালা জেলার বাসিন্দা ছিলেন। গুজরানওয়ালার জেলা কমিশনার এ তথ্য জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলি: প্রাণ গেল বাংলাদেশি যুবকের

গত জুনের শেষ দিক থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়েছে পাকিস্তানে। এছাড়া সম্প্রতি ভারত বাঁধ খুলে দেওয়ায় সুতলেজ, রাভি ও চেনাব নদীর পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধ পেয়েছে, যার জেরে ইতোমধ্যে ডুবেছে পাঞ্জাবের মধ্যস্থল। পাকিস্তানের আবহাওয়য়া দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাঞ্জাবের দক্ষিণাঞ্চলেও এই বন্যা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পাকিস্তান দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ)-এর মুখপাত্র ফারুক আহমেদ পাকিস্তানের জাতীয় দৈনি ডনকে জানিয়েছেন, প্রদেশের ১৭টি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এই জেলাগুলো হলো সিয়ালকোট, সারগোধা, চিনিওট, গুজরানওয়ালা, নানকানা, হাফিজাবাদ, মান্দি বাহাউদ্দিন, গুজরাট, লাহোর, নারোয়াল, কাসুর, ওকারা, পাকপাত্তান, ভাওয়ালনগর, ভেহারি, ভাওয়ালপুর এবং লোধরান।

এই ১৭ জেলার মধ্যে আটটি জেলার বন্যাপরিস্থিত অনেক বেশি উদ্বেগজনক। সেই জেলাগুলো হলো শিয়ালকোট , নারোয়াল, হাফিজাবাদ, সারগোধা, লাহোর, কাসুর, ওকারা এবং ফয়সালাবাদ।

সরকারি হিসেব অনুযায়ী, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এই ১৭ জেলার নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোতে বসবাসকারী প্রায় ১০ লাখ মানুষ। তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে দেড় লাখেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দিয়েছেন পিডিএমএর’র উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্যরা। উদ্ধার করা হয়েছে লাখ লাখ গবাদি পশুও।

চলতি বছরের বর্ষা ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে এনেছে পাকিস্তানের জন্য। পিডিএমএ-এর হিসেব অনুযায়ী, প্রবল বর্ষণে বাড়ির ছাদ-দেওয়াল ধস, বজ্রপাত, হড়পা বান এবং বর্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন দুর্যোগে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৮০৭ জন।