ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

“মধ্যরাতে সেনবাগে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১২ দোকান পুড়ে গেল”

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • / 1500

ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পলি প্লাইবোর্ড কারখানা সহ ১২টি দোকান পুড়ে গেছে। শনিবার (৯ আগস্ট) রাত ১২টা ২০ মিনিটে সেবারহাট বাজারে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পলি প্লাইবোর্ড কারখানার জেনারেটর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়, যা瞬াত্মকভাবে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোও এ সময় আগুন নেভাতে সহায়তা করে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পরেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি এবং থেমে থেমে জ্বলতে থাকে। এ অগ্নিকাণ্ডে ৬ থেকে ৭ জন আহত হয়েছেন, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে বাজারের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের কঠোর প্রচেষ্টায় সকাল সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং পুরোপুরি নির্বাপন হয়।

আরও পড়ুন  পুরানা পল্টনের জামান টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ড: নিয়ন্ত্রণে এসেছে আগুন

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ১২টি দোকান পুড়লেও জনতা ব্যাংকসহ অন্তত অর্ধশতাধিক দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার, মুদি মালামাল ও ওষুধের দোকান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মতে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পলি প্লাইবোর্ড কারখানার জেনারেটর থেকেই শুরু হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ ঢাকা পোস্টকে জানান, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানীর খবর পাওয়া যায়নি। আমাদের হিসাব অনুযায়ী, পলি প্লাইবোর্ড কারখানা সহ মোট ১২টি দোকান পুড়েছে। অন্যান্য দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার, প্লাস্টিক, মুদি এবং ইলেকট্রনিকসহ নানা পণ্য ছিল। ছোট ছোট দোকানগুলোর পার্টিশন বোর্ড বা টিন দিয়ে তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

“মধ্যরাতে সেনবাগে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১২ দোকান পুড়ে গেল”

আপডেট সময় ১২:০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পলি প্লাইবোর্ড কারখানা সহ ১২টি দোকান পুড়ে গেছে। শনিবার (৯ আগস্ট) রাত ১২টা ২০ মিনিটে সেবারহাট বাজারে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পলি প্লাইবোর্ড কারখানার জেনারেটর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়, যা瞬াত্মকভাবে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোও এ সময় আগুন নেভাতে সহায়তা করে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পরেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি এবং থেমে থেমে জ্বলতে থাকে। এ অগ্নিকাণ্ডে ৬ থেকে ৭ জন আহত হয়েছেন, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে বাজারের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের কঠোর প্রচেষ্টায় সকাল সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং পুরোপুরি নির্বাপন হয়।

আরও পড়ুন  শিবচর বাজারে আগুন: ব্যবসায়ীর মৃত্যু

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ১২টি দোকান পুড়লেও জনতা ব্যাংকসহ অন্তত অর্ধশতাধিক দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার, মুদি মালামাল ও ওষুধের দোকান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মতে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পলি প্লাইবোর্ড কারখানার জেনারেটর থেকেই শুরু হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ ঢাকা পোস্টকে জানান, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানীর খবর পাওয়া যায়নি। আমাদের হিসাব অনুযায়ী, পলি প্লাইবোর্ড কারখানা সহ মোট ১২টি দোকান পুড়েছে। অন্যান্য দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার, প্লাস্টিক, মুদি এবং ইলেকট্রনিকসহ নানা পণ্য ছিল। ছোট ছোট দোকানগুলোর পার্টিশন বোর্ড বা টিন দিয়ে তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানানো হবে।