ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নাতনি জাইমা রহমানের হাতে খালেদা জিয়ার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ সেন্সর বোর্ডের কাঁচি: ৬৩টি দৃশ্য বাদ দিয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘ভূত বাংলা’ আইআরজিসির নিয়ন্ত্রণে চীনা গোয়েন্দা স্যাটেলাইট: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য আন্দোরা পাহাড়, পর্যটন আর শান্ত জীবনের ক্ষুদ্র রাষ্ট্র স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের জন্য এবার তামিমের ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ শুক্রবার রাতে ঢাকা ছাড়ছে প্রথম হজ ফ্লাইট: উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আজ আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বিএসএফ ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন: এক জওয়ান নিহত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী

ইসরাইলের হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের প্রেসিডেন্টকে হত্যা করা: রিপোর্ট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 236

ছবি সংগৃহীত

 

 

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন। ১৬ জুন তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলে একটি ভবনে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি, যা ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সাথে সম্পর্কিত।

আরও পড়ুন  ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ভবনে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ছাড়াও সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, বিচার বিভাগের প্রধান মোহসেনি এজেইসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা।

ইসরাইলের ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র ভবনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা হয়, যাতে ভেতরের কর্মকর্তাদের পালানোর সুযোগ না থাকে এবং ভবনের বায়ুপ্রবাহ বিঘ্নিত হয়। বিস্ফোরণে ভবনের নিচতলার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ধোঁয়ায় চারপাশ ঢেকে যায়।

তবে আগে থেকেই একটি জরুরি হ্যাচ প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। হামলার পর প্রেসিডেন্টসহ অন্য কর্মকর্তারা ওই হ্যাচ ব্যবহার করে নিরাপদে বেরিয়ে আসেন। বেরিয়ে আসার সময় পেজেশকিয়ানের পায়ে সামান্য আঘাত লাগে। এছাড়াও আরও কয়েকজন কর্মকর্তাও হালকা আহত হন।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ইসরাইলের বিরুদ্ধে তাকে হত্যার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ করেন। টাকার কার্লসনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “তারা চেষ্টা করেছিল, তারা পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে।”

এনডিটিভি সূত্রে জানা যায়, এই হামলার ধরন ছিল বৈরুতে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহকে হত্যাচেষ্টার মতো, যেখানে ভবন লক্ষ্য করে সুপরিকল্পিতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল।

এদিকে, ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানায়, ১৬ জুন শাহরাক-ই-ঘার্বের নিকটবর্তী এলাকায় হামলা চালিয়েছিল ইসরাইল। এর আগে ১৩ জুন, কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই ইরানে আকস্মিক হামলা চালায় ইসরাইল। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দেয়।

১২ দিনব্যাপী এই সংঘাতে ইসরাইলি বাহিনী ইরানের একাধিক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং পারমাণবিক বিজ্ঞানীকে হত্যা করে বলে দাবি করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরাইলের হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের প্রেসিডেন্টকে হত্যা করা: রিপোর্ট

আপডেট সময় ০৪:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

 

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন। ১৬ জুন তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলে একটি ভবনে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি, যা ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সাথে সম্পর্কিত।

আরও পড়ুন  ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ভবনে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ছাড়াও সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, বিচার বিভাগের প্রধান মোহসেনি এজেইসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা।

ইসরাইলের ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র ভবনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা হয়, যাতে ভেতরের কর্মকর্তাদের পালানোর সুযোগ না থাকে এবং ভবনের বায়ুপ্রবাহ বিঘ্নিত হয়। বিস্ফোরণে ভবনের নিচতলার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ধোঁয়ায় চারপাশ ঢেকে যায়।

তবে আগে থেকেই একটি জরুরি হ্যাচ প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। হামলার পর প্রেসিডেন্টসহ অন্য কর্মকর্তারা ওই হ্যাচ ব্যবহার করে নিরাপদে বেরিয়ে আসেন। বেরিয়ে আসার সময় পেজেশকিয়ানের পায়ে সামান্য আঘাত লাগে। এছাড়াও আরও কয়েকজন কর্মকর্তাও হালকা আহত হন।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ইসরাইলের বিরুদ্ধে তাকে হত্যার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ করেন। টাকার কার্লসনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “তারা চেষ্টা করেছিল, তারা পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে।”

এনডিটিভি সূত্রে জানা যায়, এই হামলার ধরন ছিল বৈরুতে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহকে হত্যাচেষ্টার মতো, যেখানে ভবন লক্ষ্য করে সুপরিকল্পিতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল।

এদিকে, ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানায়, ১৬ জুন শাহরাক-ই-ঘার্বের নিকটবর্তী এলাকায় হামলা চালিয়েছিল ইসরাইল। এর আগে ১৩ জুন, কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই ইরানে আকস্মিক হামলা চালায় ইসরাইল। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দেয়।

১২ দিনব্যাপী এই সংঘাতে ইসরাইলি বাহিনী ইরানের একাধিক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং পারমাণবিক বিজ্ঞানীকে হত্যা করে বলে দাবি করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।