ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক

ইসরাইলে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তির দাবিতে ফের বিক্ষোভ, সাহসী সিদ্ধান্তের আহ্বান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • / 642

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি চুক্তি কার্যকর করার দাবিতে আবারও বিক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে ইসরাইলের জনতা। শনিবার রাতে তেল আবিবের হোস্টেজেস স্কয়ার ও বিগিন রোডে জড়ো হয়ে হাজার হাজার মানুষ সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেন।

তেল আবিবের হোস্টেজেস স্কয়ারে প্রায় দুই হাজার মানুষ সমাবেশ করেন। সেখানে হামাসের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) পাঁচ সেনার একজন লিরি আলবাগ বক্তব্য রাখেন। তিনি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ইরানের মতো সাহসিকতা দেখানোর আহ্বান জানান। ইরানের সঙ্গে যেভাবে যুদ্ধবিরতি হয়েছে, সেভাবে গাজাতেও যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার দাবি জানান আলবাগ।

আরও পড়ুন  ইরানের সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের

গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত একটি স্বল্পকালীন যুদ্ধবিরতিতে মুক্তি পান এই আইডিএফ সেনা। সমাবেশে তিনি বলেন, “গত দুই সপ্তাহ ধরে সব শিরোনামে উঠে এসেছে ইরানের কথা। কিন্তু আমার ভাই ও বোনদের কথা যেন ভুলে যাওয়া হয়েছে।”

সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে ইসরাইলের ১২ দিনের সংঘাতের কথা উল্লেখ করে আলবাগ বলেন, ওই যুদ্ধ ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় শেষ হয়েছে। তিনি সরাসরি নেতানিয়াহু এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানান, “ইরানের ক্ষেত্রে যেমন সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এবার গাজার যুদ্ধ বন্ধ করতে সেই একই সাহসিকতা দেখান এবং সকল জিম্মিকে ফিরিয়ে আনুন। জাতি হিসেবে এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

প্রসঙ্গত, শুক্রবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, আসন্ন কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। এতে হামাসের হাতে বন্দি থাকা আরও ৫০ জন ইসরাইলিকে ফিরিয়ে আনার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।

উল্লেখ্য, গাজায় চলমান সহিংসতায় বহু ইসরাইলি নাগরিক উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন এবং জিম্মিদের দ্রুত মুক্তির জন্য দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

সূত্র: দ্য টাইমস অফ ইসরাইল

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরাইলে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তির দাবিতে ফের বিক্ষোভ, সাহসী সিদ্ধান্তের আহ্বান

আপডেট সময় ০৪:২০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

 

গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি চুক্তি কার্যকর করার দাবিতে আবারও বিক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে ইসরাইলের জনতা। শনিবার রাতে তেল আবিবের হোস্টেজেস স্কয়ার ও বিগিন রোডে জড়ো হয়ে হাজার হাজার মানুষ সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেন।

তেল আবিবের হোস্টেজেস স্কয়ারে প্রায় দুই হাজার মানুষ সমাবেশ করেন। সেখানে হামাসের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) পাঁচ সেনার একজন লিরি আলবাগ বক্তব্য রাখেন। তিনি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ইরানের মতো সাহসিকতা দেখানোর আহ্বান জানান। ইরানের সঙ্গে যেভাবে যুদ্ধবিরতি হয়েছে, সেভাবে গাজাতেও যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার দাবি জানান আলবাগ।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতি ভেঙে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের নতুন হামলা, নিহত ২

গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত একটি স্বল্পকালীন যুদ্ধবিরতিতে মুক্তি পান এই আইডিএফ সেনা। সমাবেশে তিনি বলেন, “গত দুই সপ্তাহ ধরে সব শিরোনামে উঠে এসেছে ইরানের কথা। কিন্তু আমার ভাই ও বোনদের কথা যেন ভুলে যাওয়া হয়েছে।”

সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে ইসরাইলের ১২ দিনের সংঘাতের কথা উল্লেখ করে আলবাগ বলেন, ওই যুদ্ধ ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় শেষ হয়েছে। তিনি সরাসরি নেতানিয়াহু এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানান, “ইরানের ক্ষেত্রে যেমন সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এবার গাজার যুদ্ধ বন্ধ করতে সেই একই সাহসিকতা দেখান এবং সকল জিম্মিকে ফিরিয়ে আনুন। জাতি হিসেবে এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

প্রসঙ্গত, শুক্রবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, আসন্ন কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। এতে হামাসের হাতে বন্দি থাকা আরও ৫০ জন ইসরাইলিকে ফিরিয়ে আনার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।

উল্লেখ্য, গাজায় চলমান সহিংসতায় বহু ইসরাইলি নাগরিক উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন এবং জিম্মিদের দ্রুত মুক্তির জন্য দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

সূত্র: দ্য টাইমস অফ ইসরাইল