ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

খাইবার পাখতুনখোয়ায় তিনটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত ৯ বিদ্রোহী নিহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 473

ছবি সংগৃহীত

 

 

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে তিনটি পৃথক অভিযানে ভারত-সমর্থিত ৯ জন বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। রোববার (২৫ মে) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে। খবর ট্রিবিউন এক্সপ্রেস।

আরও পড়ুন  নির্বাচন পর্যন্ত দেশজুড়ে চলবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযান: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আইএসপিআরের বিবৃতিতে জানানো হয়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী দেরা ঈসমাইল খান বিভাগের একটি এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে ভারত-সমর্থিত ‘খারেজিরা’ নামে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অবস্থান শনাক্ত করে সেনারা। গোলাগুলির মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন বিদ্রোহী নিহত হয়।

আরেকটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ট্যাংক বিভাগে অভিযান চালানো হলে আরও দুই বিদ্রোহী নিহত হয় বলে জানায় আইএসপিআর।

এছাড়া খাইবার বিভাগের বাগ এলাকায় তৃতীয় একটি অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। সেখানে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে আরও তিন বিদ্রোহী প্রাণ হারায়।

আইএসপিআর দাবি করেছে, এই তিনটি অভিযানে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, দেশটির ভেতরে সক্রিয় বিদ্রোহী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে ভারত থেকে সহায়তা ও মদদ দেওয়া হয়। এসব গোষ্ঠী প্রায়ই নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক জনগণের ওপর হামলা চালিয়ে থাকে।

আইএসপিআর-এর তথ্যমতে, ২০২৪ সালেই বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলায় পাকিস্তানে ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশটির সেনাবাহিনী বলছে, সন্ত্রাস দমনে তারা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে।

তবে ভারত সবসময় এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। দিল্লির পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হয়ে থাকে যে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায়ভার তারা নিতে পারে না।

পাকিস্তানের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তবর্তী এলাকা ও দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর গোপন আস্তানা চিহ্নিত করে নিয়মিত অভিযান চালানো না গেলে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক রূপ নিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

খাইবার পাখতুনখোয়ায় তিনটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত ৯ বিদ্রোহী নিহত

আপডেট সময় ১২:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

 

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে তিনটি পৃথক অভিযানে ভারত-সমর্থিত ৯ জন বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। রোববার (২৫ মে) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে। খবর ট্রিবিউন এক্সপ্রেস।

আরও পড়ুন  গাজীপুরসহ সারা দেশে সন্ত্রাস দমনে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু, জানালো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আইএসপিআরের বিবৃতিতে জানানো হয়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী দেরা ঈসমাইল খান বিভাগের একটি এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে ভারত-সমর্থিত ‘খারেজিরা’ নামে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অবস্থান শনাক্ত করে সেনারা। গোলাগুলির মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন বিদ্রোহী নিহত হয়।

আরেকটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ট্যাংক বিভাগে অভিযান চালানো হলে আরও দুই বিদ্রোহী নিহত হয় বলে জানায় আইএসপিআর।

এছাড়া খাইবার বিভাগের বাগ এলাকায় তৃতীয় একটি অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। সেখানে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে আরও তিন বিদ্রোহী প্রাণ হারায়।

আইএসপিআর দাবি করেছে, এই তিনটি অভিযানে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, দেশটির ভেতরে সক্রিয় বিদ্রোহী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে ভারত থেকে সহায়তা ও মদদ দেওয়া হয়। এসব গোষ্ঠী প্রায়ই নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক জনগণের ওপর হামলা চালিয়ে থাকে।

আইএসপিআর-এর তথ্যমতে, ২০২৪ সালেই বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলায় পাকিস্তানে ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশটির সেনাবাহিনী বলছে, সন্ত্রাস দমনে তারা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে।

তবে ভারত সবসময় এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। দিল্লির পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হয়ে থাকে যে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায়ভার তারা নিতে পারে না।

পাকিস্তানের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তবর্তী এলাকা ও দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর গোপন আস্তানা চিহ্নিত করে নিয়মিত অভিযান চালানো না গেলে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক রূপ নিতে পারে।