ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নজরুল ও রিজভীর দায়িত্ব বাড়ল: পেলেন নতুন মন্ত্রণালয় সাকিব ফিরলে দলের কম্বিনেশন ভালো হয়: শান্ত চিলি: আন্দেস থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত এক দীর্ঘ দেশ সরকারি কর্মচারীদের সকালে ৪০ মিনিট ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রাণ গেল ফায়ার সার্ভিস সদস্যের ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ ও ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ সেলের অগ্রগতি পর্যালোচনা আনসার-ভিডিপি সদস্যদের দেশপ্রেম ও পেশাদারত্বের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা থেকে চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে অভিযান চালানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি: সীমান্ত বন্ধে দিশেহারা ২০ লাখ মানুষ দুবাইয়ে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট

কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা : তিন যুবকের মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • / 185

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে তিন যুবকের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২০ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কেরানীগঞ্জের মো. সজিব (২৫), ফরিদপুরের মো. রাকিব (২৩) ও শরীয়তপুরের শাওন ওরফে ভ্যালকা শাওন (২৬)। এ ছাড়া নিহত কিশোরীর লাশ গুমের অপরাধে প্রত্যেককে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন  কেরানীগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৬ জন আটক, অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার

তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আলী আকবর (২২) ও মো. রিয়াজ (২২) খালাস পেয়েছেন। 

রায়ের সময় রাকিব ও শাওনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় এবং রায় ঘোষণার পরপরই তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তবে মামলার অন্যতম আসামি সজিব এখনও পলাতক, তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১১ জুন সকালে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পশ্চিম বামনসুর এলাকায় একটি পুকুরে এক কিশোরীর মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা রুজু হয়।

তদন্তে পুলিশ প্রথমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে। তার বান্ধবীর জবানবন্দিতে নিশ্চিত হওয়া যায়, এটি তারই বান্ধবী। পরে গ্রেপ্তার হয় শাওন। আদালতে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং জানায়, রাকিব, সজিব ও আলী আকবরকে সঙ্গে নিয়ে তারা কিশোরীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেয়।

পরবর্তীতে রাকিব ও সজিবকেও গ্রেপ্তার করা হয় এবং তারাও আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর উপ-পরিদর্শক অলক কুমার দে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার বিচারকাজ চলাকালে ট্রাইব্যুনাল মোট ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করেন মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর এরশাদ আলম জর্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন

কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা : তিন যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০১:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে তিন যুবকের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২০ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কেরানীগঞ্জের মো. সজিব (২৫), ফরিদপুরের মো. রাকিব (২৩) ও শরীয়তপুরের শাওন ওরফে ভ্যালকা শাওন (২৬)। এ ছাড়া নিহত কিশোরীর লাশ গুমের অপরাধে প্রত্যেককে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন  "কেরানীগঞ্জে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের রুট পরিবর্তনের দাবিতে সড়ক অবরোধ"

তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আলী আকবর (২২) ও মো. রিয়াজ (২২) খালাস পেয়েছেন। 

রায়ের সময় রাকিব ও শাওনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় এবং রায় ঘোষণার পরপরই তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তবে মামলার অন্যতম আসামি সজিব এখনও পলাতক, তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১১ জুন সকালে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পশ্চিম বামনসুর এলাকায় একটি পুকুরে এক কিশোরীর মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা রুজু হয়।

তদন্তে পুলিশ প্রথমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে। তার বান্ধবীর জবানবন্দিতে নিশ্চিত হওয়া যায়, এটি তারই বান্ধবী। পরে গ্রেপ্তার হয় শাওন। আদালতে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং জানায়, রাকিব, সজিব ও আলী আকবরকে সঙ্গে নিয়ে তারা কিশোরীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেয়।

পরবর্তীতে রাকিব ও সজিবকেও গ্রেপ্তার করা হয় এবং তারাও আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর উপ-পরিদর্শক অলক কুমার দে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার বিচারকাজ চলাকালে ট্রাইব্যুনাল মোট ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করেন মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর এরশাদ আলম জর্জ।