ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হাসপাতাল বন্ধ না করে দোষীদের শাস্তি চাইলেন আদ্-দ্বীনে নিহতের বাবা শিশু সুরক্ষায় টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের স্লোভাকিয়া—মধ্য ইউরোপের পাহাড়, ইতিহাস ও আধুনিক অগ্রগতির দেশ মালয়েশিয়া পাচারের সময় টেকনাফে উদ্ধার ৫০ আটক ৯ ‘পাচারকারী’ সাভারে তিন পোশাক কারখানায় ছাঁটাই, কর্মহীন প্রায় ১৯’শ শ্রমিক উত্তরখানে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৩ সদস্য আইসিইউতে চারদিকে মেঘ, তবুও কমছে না গরম; অস্বস্তিতে ঢাকাবাসী রোববার থেকে বাড়ছে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন পুতিন ১৫ বছর বয়সেই ভারত দলে সূর্যবংশী, টি-টোয়েন্টির নতুন অধিনায়ক আইয়ার

শিশু সুরক্ষায় টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / 18

ছবি সংগৃহীত

 

 

দেশে শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে উল্লেখ করে জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আরও পড়ুন  সংসদ থেকে বিরোধী দলের আবারও ওয়াকআউট: 'গণবিরোধী' বিল পাসের অভিযোগ

শনিবার রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত শিশু অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একক দায়িত্ব নয়; পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সব অংশীজনকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, শিশু নির্যাতন একটি বহুমাত্রিক সামাজিক সমস্যা। এর স্থায়ী সমাধানের জন্য নির্যাতনের উৎস ও কারণগুলো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিদ্যমান আইন ও সুরক্ষা কাঠামোর সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারও জরুরি।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সহিংসতামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক বিকাশের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বর্তমান সময়ে অনলাইনভিত্তিক হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের ঝুঁকি বৃদ্ধির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা নীতিমালা কার্যকর করা এবং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একটি আলোচিত শিশু হত্যা মামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই।

আলোচনায় অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শুধু আইন থাকলেই হবে না, তার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের জন্য আইনি সহায়তা, চিকিৎসাসেবা ও মানসিক পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, সাংবাদিক, উন্নয়নকর্মী এবং নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক উদ্যোগ আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিশু সুরক্ষায় টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

আপডেট সময় ০৭:২২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

 

 

দেশে শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে উল্লেখ করে জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আরও পড়ুন  রাজনীতি করতে হলে শিক্ষকতা ছাড়ুন: ডেপুটি স্পিকার

শনিবার রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত শিশু অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একক দায়িত্ব নয়; পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সব অংশীজনকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, শিশু নির্যাতন একটি বহুমাত্রিক সামাজিক সমস্যা। এর স্থায়ী সমাধানের জন্য নির্যাতনের উৎস ও কারণগুলো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিদ্যমান আইন ও সুরক্ষা কাঠামোর সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারও জরুরি।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সহিংসতামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক বিকাশের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বর্তমান সময়ে অনলাইনভিত্তিক হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের ঝুঁকি বৃদ্ধির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা নীতিমালা কার্যকর করা এবং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একটি আলোচিত শিশু হত্যা মামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই।

আলোচনায় অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শুধু আইন থাকলেই হবে না, তার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের জন্য আইনি সহায়তা, চিকিৎসাসেবা ও মানসিক পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, সাংবাদিক, উন্নয়নকর্মী এবং নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক উদ্যোগ আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।