ঢাকা ০৮:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সাকিব ফিরলে দলের কম্বিনেশন ভালো হয়: শান্ত চিলি: আন্দেস থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত এক দীর্ঘ দেশ সরকারি কর্মচারীদের সকালে ৪০ মিনিট ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রাণ গেল ফায়ার সার্ভিস সদস্যের ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ ও ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ সেলের অগ্রগতি পর্যালোচনা আনসার-ভিডিপি সদস্যদের দেশপ্রেম ও পেশাদারত্বের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা থেকে চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে অভিযান চালানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি: সীমান্ত বন্ধে দিশেহারা ২০ লাখ মানুষ দুবাইয়ে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট কর্পোরেট প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নড়াইলে অনলাইন প্রতারণা ও মাদক চক্রের মূল হোতাসহ ৩ জন আটক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • / 126

ছবি সংগৃহীত

 

 

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অনলাইন প্রতারণা ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশের যৌথ দল। শুক্রবার (১৩ জুন) রাত ১২টা থেকে শনিবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কালিয়ার পাঁচগ্রাম ইউনিয়নের মহিষখোলা ও যাদবপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। শনিবার (১৪ জুন) সকালে কালিয়া অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প অভিযান ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

আরও পড়ুন  ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা, স্থানীয়দের হাতে আটক যুবক

আটককৃতরা হলেন যাদবপুর গ্রামের মৃত জাকির মোল্লার ছেলে আকাশ মোল্লা, আসাদ শেখের ছেলে আলী শেখ এবং মৃত জাহিদ ভূইয়ার ছেলে হায়দার ভূইয়া।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে অনলাইন প্রতারণায় ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, একটি ডিজিটাল ভয়েস চেঞ্জার, ১১টি মোবাইল ফোন, ২১টি সিমকার্ড, একটি বিদেশি ৩০০ সিসি মোটরসাইকেল, গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনলাইন প্রতারণা ও মাদকব্যবসার ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে এবং তরুণ প্রজন্ম মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং মূল হোতাসহ তিনজনকে আটক করা সম্ভব হয়।

কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি এলাকায় সক্রিয় ছিল। অভিযান চালিয়ে তাদের আটকের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সাধারণ মানুষ এখন কিছুটা হলেও নিরাপদ মনে করছেন।

এদিকে প্রশাসনের এমন পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা মনে করছেন, এ ধরনের যৌথ অভিযান নিয়মিত চালালে সমাজ থেকে অনলাইন প্রতারণা ও মাদকের মতো ভয়াবহ সমস্যা অনেকটাই নির্মূল হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নড়াইলে অনলাইন প্রতারণা ও মাদক চক্রের মূল হোতাসহ ৩ জন আটক

আপডেট সময় ০২:০০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

 

 

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অনলাইন প্রতারণা ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশের যৌথ দল। শুক্রবার (১৩ জুন) রাত ১২টা থেকে শনিবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কালিয়ার পাঁচগ্রাম ইউনিয়নের মহিষখোলা ও যাদবপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। শনিবার (১৪ জুন) সকালে কালিয়া অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প অভিযান ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

আরও পড়ুন  ইলিশ বিক্রির নাম করে অনলাইনে প্রতারণা, ৭০ সিমসহ গ্রেপ্তার ৮

আটককৃতরা হলেন যাদবপুর গ্রামের মৃত জাকির মোল্লার ছেলে আকাশ মোল্লা, আসাদ শেখের ছেলে আলী শেখ এবং মৃত জাহিদ ভূইয়ার ছেলে হায়দার ভূইয়া।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে অনলাইন প্রতারণায় ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, একটি ডিজিটাল ভয়েস চেঞ্জার, ১১টি মোবাইল ফোন, ২১টি সিমকার্ড, একটি বিদেশি ৩০০ সিসি মোটরসাইকেল, গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনলাইন প্রতারণা ও মাদকব্যবসার ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে এবং তরুণ প্রজন্ম মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং মূল হোতাসহ তিনজনকে আটক করা সম্ভব হয়।

কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি এলাকায় সক্রিয় ছিল। অভিযান চালিয়ে তাদের আটকের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সাধারণ মানুষ এখন কিছুটা হলেও নিরাপদ মনে করছেন।

এদিকে প্রশাসনের এমন পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা মনে করছেন, এ ধরনের যৌথ অভিযান নিয়মিত চালালে সমাজ থেকে অনলাইন প্রতারণা ও মাদকের মতো ভয়াবহ সমস্যা অনেকটাই নির্মূল হবে।