ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ইতিহাসে প্রথম, রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হাইকোর্টের রায়ে: প্রধান বিচারপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 221

ছবি সংগৃহীত

 

রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে হাইকোর্টের রায়ে একটি রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিলের ঘটনা এই প্রথম—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সকালে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এ মন্তব্য করেন তিনি। শুনানিকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে ছিলেন আরও তিন বিচারপতি।

আরও পড়ুন  হাইকোর্টের রায়: অন্তর্বর্তী সরকার আইন ও জনগণের সমর্থনে প্রতিষ্ঠিত

এইদিন আদালতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলটি ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়, কারণ সেদিন কোনো পক্ষ আদালতে হাজির ছিলেন না। তবে পরে মামলাটি পুনরুজ্জীবনের (রিস্টোর) জন্য আবেদন করা হয়।

২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর আদালত দেরি মাফ করে আবেদনটি গ্রহণ করেন এবং মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করেন। সেই শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ও শিশির মনির।

পরবর্তীতে, ২০২৩ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয় এবং তা চলমান রয়েছে।

এই মামলার গুরুত্ব উল্লেখ করে আদালত বলেছে, দেশের আইনি ইতিহাসে এটি এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। কেননা, একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি সাধারণত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত হলেও এই প্রথম আদালতের রায়ে সেটি বাতিল হয়।

এ বিষয়ে আগ্রহী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় এবং আদালতের ভূমিকায় এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

আদালত শুনানি চলাকালে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। আপাতত, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারা দেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইতিহাসে প্রথম, রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হাইকোর্টের রায়ে: প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় ০২:৪০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে হাইকোর্টের রায়ে একটি রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিলের ঘটনা এই প্রথম—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সকালে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এ মন্তব্য করেন তিনি। শুনানিকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে ছিলেন আরও তিন বিচারপতি।

আরও পড়ুন  সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা: আইন কী বলে, শাস্তি কি?

এইদিন আদালতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলটি ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়, কারণ সেদিন কোনো পক্ষ আদালতে হাজির ছিলেন না। তবে পরে মামলাটি পুনরুজ্জীবনের (রিস্টোর) জন্য আবেদন করা হয়।

২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর আদালত দেরি মাফ করে আবেদনটি গ্রহণ করেন এবং মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করেন। সেই শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ও শিশির মনির।

পরবর্তীতে, ২০২৩ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয় এবং তা চলমান রয়েছে।

এই মামলার গুরুত্ব উল্লেখ করে আদালত বলেছে, দেশের আইনি ইতিহাসে এটি এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। কেননা, একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি সাধারণত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত হলেও এই প্রথম আদালতের রায়ে সেটি বাতিল হয়।

এ বিষয়ে আগ্রহী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় এবং আদালতের ভূমিকায় এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

আদালত শুনানি চলাকালে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। আপাতত, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারা দেশ।