ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈশাখে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, কঠোর নজরদারিতে থাকবে উৎসব: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 277

ছবি সংগৃহীত

 

পহেলা বৈশাখ ঘিরে দেশজুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, তবে কোনো বড় ধরনের নিরাপত্তা হুমকির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত নিরাপত্তা বিষয়ক এক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

আরও পড়ুন  ফরিদপুরে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটির সাথে সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত অন্তত ২৫

তিনি বলেন, “এবারের পহেলা বৈশাখে দেশব্যাপী ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হবে। যাতে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালিত হয়, সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে। রাজধানীসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থাকবে।”

তিনি আরও জানান, নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্তির সময় যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। “রমজানের সময় যেমন পরিস্থিতি শান্ত ছিল, নববর্ষেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।”

সম্প্রতি রাজধানীতে বিদেশি কিছু ব্র্যান্ডের দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৪৯ জনকে আটক করা হয়েছে। কারো বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

বৈঠকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীও উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম রাখা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আয়োজক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারাই ১০ এপ্রিল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। এ বিষয়ে আজকের বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি।”

এবারের বৈশাখে উৎসবে বিপুল জনসমাগম হবে বলে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “শুধু বাঙালিরাই নয়, দেশের ২৬টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীও এ উৎসবে অংশ নেবে। বিভিন্ন স্থানে মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। উদযাপন হবে সম্প্রীতির, উদ্দীপনার ও বর্ণিলতার।”

উল্লেখ্য, বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও গ্রামে থাকবে নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো বর্ণাঢ্য আয়োজন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বরাবরের মতোই থাকবে আনুষ্ঠানিকতা, আর সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে বৈশাখী উৎসব পরিণত হবে জাতীয় মিলনমেলায়।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈশাখে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, কঠোর নজরদারিতে থাকবে উৎসব: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১০:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

 

পহেলা বৈশাখ ঘিরে দেশজুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, তবে কোনো বড় ধরনের নিরাপত্তা হুমকির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত নিরাপত্তা বিষয়ক এক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

আরও পড়ুন  গাজা নিয়ে ট্রাম্পের নতুন মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

তিনি বলেন, “এবারের পহেলা বৈশাখে দেশব্যাপী ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হবে। যাতে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালিত হয়, সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে। রাজধানীসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থাকবে।”

তিনি আরও জানান, নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্তির সময় যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। “রমজানের সময় যেমন পরিস্থিতি শান্ত ছিল, নববর্ষেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।”

সম্প্রতি রাজধানীতে বিদেশি কিছু ব্র্যান্ডের দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৪৯ জনকে আটক করা হয়েছে। কারো বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

বৈঠকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীও উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম রাখা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আয়োজক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারাই ১০ এপ্রিল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। এ বিষয়ে আজকের বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি।”

এবারের বৈশাখে উৎসবে বিপুল জনসমাগম হবে বলে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “শুধু বাঙালিরাই নয়, দেশের ২৬টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীও এ উৎসবে অংশ নেবে। বিভিন্ন স্থানে মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। উদযাপন হবে সম্প্রীতির, উদ্দীপনার ও বর্ণিলতার।”

উল্লেখ্য, বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও গ্রামে থাকবে নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো বর্ণাঢ্য আয়োজন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বরাবরের মতোই থাকবে আনুষ্ঠানিকতা, আর সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে বৈশাখী উৎসব পরিণত হবে জাতীয় মিলনমেলায়।