ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ফুলবাড়ী দিবস আজ, ২০ বছর পর ফের আন্দোলনের আভাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৮:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 0

ছবি : সংগৃহীত

 

২৬ আগস্ট ফুলবাড়ী ট্রাজেডি দিবস। ২০০৬ সালের এই দিনে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লাখনি স্থাপনের বিরোধিতায় বহুজাতিক কোম্পানি এশিয়া এনার্জির কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় তিন তরুণ নিহত এবং দুই শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হন। সেই ঘটনার ২০ বছর পূর্ণ হলেও কয়লাখনি নিয়ে স্থানীয়দের বিরোধিতা ও আন্দোলনের দাবি এখনো আলোচনায় রয়েছে।

তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকে সেদিন দেশের সম্পদ রক্ষার দাবিতে ফুলবাড়ীতে বড় ধরনের সমাবেশ হয়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ অনুযায়ী, তৎকালীন বিডিআরের গুলিতে তরিকুল, আমিন ও সালেকিন নিহত হন। আহত হন দুই শতাধিক নারী-পুরুষ। আহতদের মধ্যে কয়েকজন স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করেন। তাদের মধ্যে বিরামপুরের সাহাজপুর গ্রামের প্রদীপ সরকার মারা গেছেন। অন্যদিকে ফুলবাড়ী পৌর এলাকার সুজাপুর গ্রামের বাবলু রায় ও খানপুর গ্রামের শ্রীমান বাস্কে এখনো দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  দেশজুড়ে পাঁচ দফা দাবিতে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও ইন্টার্নদের আন্দোলন

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত পাঁচটি কয়লাখনির সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলো হলো দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ী, বিরামপুরের দীঘিপাড়া, জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ এবং রংপুরের পীরগঞ্জের খালাশপীর কয়লাখনি। এসব খনির মধ্যে জামালগঞ্জে প্রায় ১ বিলিয়ন টন এবং ফুলবাড়ী কয়লাখনিতে প্রায় ৫৭০ মিলিয়ন টন কয়লা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৯৯৪ সালে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিএইচপি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের চুক্তি হয়। পরে এশিয়া এনার্জির সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি করে সরকার। আন্দোলনকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ওই চুক্তিতে উত্তোলিত কয়লার মাত্র ৬ শতাংশ বাংলাদেশের এবং ৯৪ শতাংশ এশিয়া এনার্জির পাওয়ার কথা ছিল। এশিয়া এনার্জির অংশের ৮০ শতাংশ কয়লা বিদেশে রপ্তানির প্রস্তাব ছিল।

প্রস্তাবিত কয়লাখনি বাস্তবায়িত হলে ফুলবাড়ী শহরসহ পার্বতীপুর, বিরামপুর ও নবাবগঞ্জের বড় একটি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন আন্দোলনকারীরা। তাদের বক্তব্য ছিল, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেলে কৃষি ও পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং বিপুলসংখ্যক মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে হতে পারে।

এমন আশঙ্কার মধ্যে গড়ে ওঠে ‘ফুলবাড়ী রক্ষা কমিটি’। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ফুলবাড়ীতে এশিয়া এনার্জির সব কার্যক্রম বন্ধ এবং সেখানে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কোনো কয়লাখনি না করার সরকারি প্রতিশ্রুতির দাবি জানানো হয়।

পরবর্তী সময়ে ফুলবাড়ী রক্ষা কমিটির আন্দোলন কিছুটা স্থিমিত হয়ে পড়লে তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আন্দোলন জোরদার করে। বিভিন্ন পেশাজীবী, ছাত্র-যুবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে যুক্ত হন।

২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট এশিয়া এনার্জির স্থানীয় কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে জাতীয় কমিটির তৎকালীন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, সেদিন লক্ষাধিক মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

ঢাকা মোড় থেকে মিছিল নিয়ে এশিয়া এনার্জির কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় ছোট যমুনা নদীর পূর্ব প্রান্তে পুলিশ ও বিডিআরের বাধার মুখে পড়েন আন্দোলনকারীরা। পরে নিমতলা মোড়ে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে ঘেরাও কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

এরপর পুলিশ ও বিডিআর আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে এবং গুলি চালায় বলে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। এতে তরিকুল, আমিন ও সালেকিন নিহত এবং দুই শতাধিক মানুষ আহত হন। ঘটনার পর ফুলবাড়ীসহ আশপাশের খনিঅঞ্চলে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে।

৩০ আগস্ট তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের নেতারা আলোচনায় বসেন। ওই আলোচনায় আন্দোলনকারীদের ছয় দফা প্রস্তাব মেনে নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। দাবিগুলোর মধ্যে এশিয়া এনার্জিকে দেশ থেকে বহিষ্কার এবং দেশের কোথাও উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লাখনি বাস্তবায়ন না করার বিষয়টি ছিল অন্যতম।

ফুলবাড়ী কয়লাখনি বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও সম্মিলিত পেশাজীবী সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক, সাবেক পৌর মেয়র মুরতুজা সরকার মানিক বলেন, সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত ছয় দফা চুক্তিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না করার বিষয়টি ছিল। তবে এশিয়া এনার্জি একাধিক মামলা করে আন্দোলনকারী নেতাকর্মীদের হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মুরতুজা সরকার মানিক বলেন, ফুলবাড়ী কয়লাখনি নিয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নিলে আগের চেয়েও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ফুলবাড়ী শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল ও সদস্য সচিব জয় প্রকাশ গুপ্ত বলেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে এশিয়া এনার্জিকে বিতাড়িত করতে ফুলবাড়ীবাসী আবারও ঐক্যবদ্ধ হবে। তাদের ভাষ্য, তিন ফসলি জমি স্থানীয়দের স্থায়ী সম্পদ এবং অস্থায়ী সম্পদের জন্য তা নষ্ট করা উচিত নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফুলবাড়ী দিবস আজ, ২০ বছর পর ফের আন্দোলনের আভাস

আপডেট সময় ১১:৪৮:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

 

২৬ আগস্ট ফুলবাড়ী ট্রাজেডি দিবস। ২০০৬ সালের এই দিনে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লাখনি স্থাপনের বিরোধিতায় বহুজাতিক কোম্পানি এশিয়া এনার্জির কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় তিন তরুণ নিহত এবং দুই শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হন। সেই ঘটনার ২০ বছর পূর্ণ হলেও কয়লাখনি নিয়ে স্থানীয়দের বিরোধিতা ও আন্দোলনের দাবি এখনো আলোচনায় রয়েছে।

তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকে সেদিন দেশের সম্পদ রক্ষার দাবিতে ফুলবাড়ীতে বড় ধরনের সমাবেশ হয়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ অনুযায়ী, তৎকালীন বিডিআরের গুলিতে তরিকুল, আমিন ও সালেকিন নিহত হন। আহত হন দুই শতাধিক নারী-পুরুষ। আহতদের মধ্যে কয়েকজন স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করেন। তাদের মধ্যে বিরামপুরের সাহাজপুর গ্রামের প্রদীপ সরকার মারা গেছেন। অন্যদিকে ফুলবাড়ী পৌর এলাকার সুজাপুর গ্রামের বাবলু রায় ও খানপুর গ্রামের শ্রীমান বাস্কে এখনো দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  দেশজুড়ে পাঁচ দফা দাবিতে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও ইন্টার্নদের আন্দোলন

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত পাঁচটি কয়লাখনির সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলো হলো দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ী, বিরামপুরের দীঘিপাড়া, জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ এবং রংপুরের পীরগঞ্জের খালাশপীর কয়লাখনি। এসব খনির মধ্যে জামালগঞ্জে প্রায় ১ বিলিয়ন টন এবং ফুলবাড়ী কয়লাখনিতে প্রায় ৫৭০ মিলিয়ন টন কয়লা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৯৯৪ সালে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিএইচপি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের চুক্তি হয়। পরে এশিয়া এনার্জির সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি করে সরকার। আন্দোলনকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ওই চুক্তিতে উত্তোলিত কয়লার মাত্র ৬ শতাংশ বাংলাদেশের এবং ৯৪ শতাংশ এশিয়া এনার্জির পাওয়ার কথা ছিল। এশিয়া এনার্জির অংশের ৮০ শতাংশ কয়লা বিদেশে রপ্তানির প্রস্তাব ছিল।

প্রস্তাবিত কয়লাখনি বাস্তবায়িত হলে ফুলবাড়ী শহরসহ পার্বতীপুর, বিরামপুর ও নবাবগঞ্জের বড় একটি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন আন্দোলনকারীরা। তাদের বক্তব্য ছিল, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেলে কৃষি ও পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং বিপুলসংখ্যক মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে হতে পারে।

এমন আশঙ্কার মধ্যে গড়ে ওঠে ‘ফুলবাড়ী রক্ষা কমিটি’। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ফুলবাড়ীতে এশিয়া এনার্জির সব কার্যক্রম বন্ধ এবং সেখানে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কোনো কয়লাখনি না করার সরকারি প্রতিশ্রুতির দাবি জানানো হয়।

পরবর্তী সময়ে ফুলবাড়ী রক্ষা কমিটির আন্দোলন কিছুটা স্থিমিত হয়ে পড়লে তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আন্দোলন জোরদার করে। বিভিন্ন পেশাজীবী, ছাত্র-যুবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে যুক্ত হন।

২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট এশিয়া এনার্জির স্থানীয় কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে জাতীয় কমিটির তৎকালীন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, সেদিন লক্ষাধিক মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

ঢাকা মোড় থেকে মিছিল নিয়ে এশিয়া এনার্জির কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় ছোট যমুনা নদীর পূর্ব প্রান্তে পুলিশ ও বিডিআরের বাধার মুখে পড়েন আন্দোলনকারীরা। পরে নিমতলা মোড়ে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে ঘেরাও কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

এরপর পুলিশ ও বিডিআর আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে এবং গুলি চালায় বলে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। এতে তরিকুল, আমিন ও সালেকিন নিহত এবং দুই শতাধিক মানুষ আহত হন। ঘটনার পর ফুলবাড়ীসহ আশপাশের খনিঅঞ্চলে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে।

৩০ আগস্ট তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের নেতারা আলোচনায় বসেন। ওই আলোচনায় আন্দোলনকারীদের ছয় দফা প্রস্তাব মেনে নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। দাবিগুলোর মধ্যে এশিয়া এনার্জিকে দেশ থেকে বহিষ্কার এবং দেশের কোথাও উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লাখনি বাস্তবায়ন না করার বিষয়টি ছিল অন্যতম।

ফুলবাড়ী কয়লাখনি বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও সম্মিলিত পেশাজীবী সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক, সাবেক পৌর মেয়র মুরতুজা সরকার মানিক বলেন, সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত ছয় দফা চুক্তিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না করার বিষয়টি ছিল। তবে এশিয়া এনার্জি একাধিক মামলা করে আন্দোলনকারী নেতাকর্মীদের হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মুরতুজা সরকার মানিক বলেন, ফুলবাড়ী কয়লাখনি নিয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নিলে আগের চেয়েও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ফুলবাড়ী শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল ও সদস্য সচিব জয় প্রকাশ গুপ্ত বলেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে এশিয়া এনার্জিকে বিতাড়িত করতে ফুলবাড়ীবাসী আবারও ঐক্যবদ্ধ হবে। তাদের ভাষ্য, তিন ফসলি জমি স্থানীয়দের স্থায়ী সম্পদ এবং অস্থায়ী সম্পদের জন্য তা নষ্ট করা উচিত নয়।