ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা বিরোধীদলীয় এমপির চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর ডিজাইন শেষ: প্রধানমন্ত্রী জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে শিবগঞ্জে পোনামাছ অবমুক্ত বাংলাদেশ-হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় কমাতে ব্যবস্থা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরে গিয়ে আবেগাপ্লুত রাষ্ট্রপতি, দেখলেন প্রামাণ্যচিত্র হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনা, নিহত ২ সেনাসদস্য রাজধানীর যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে

এইডস ঝুঁকিতে দেশ: চট্টগ্রামে নতুন রোগী ৭৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 835

ছবি: সংগৃহীত

 

চট্টগ্রামে এইচআইভি সংক্রমণের হার সামগ্রিকভাবে কমলেও ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর তুলনায় স্থানীয় জনগণ ও প্রবাসীদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) সূত্রে জানা গেছে, গত অক্টোবর পর্যন্ত এক বছরে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৭৫ জন রোগী—যাদের মধ্যে স্থানীয় ২৬ জন এবং প্রবাসফেরত ২০ জন।

বিশ্ব এইডস দিবস (১ ডিসেম্বর) উপলক্ষে চমেকের এআরটি সেন্টারের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে আরও জানা যায়, ২০২৩ নভেম্বর থেকে ২০২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ৮৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ১১ জন। অন্যদিকে, গত এক বছরে শনাক্ত ৭৫ জনের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের, যাদের বেশিরভাগই চিকিৎসা শুরুর আগেই গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে আসেন।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

গত এক বছরে মোট ৩ হাজার ৭৬৬ জন সন্দেহভাজনকে পরীক্ষা করে ৭৫ জনের মধ্যে এইচআইভি শনাক্ত হয়। সংক্রমণের উৎস বিশ্লেষণে দেখা যায়—

সাধারণ জনগণ: ২৬ জন, প্রবাসফেরত ব্যক্তি: ২০ জন, পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক: ১৫ জন, স্বামী থেকে স্ত্রী সংক্রমণ: ১২ জন, যৌনকর্মী: ১ জন, শিশু: ১ জন।

জেলা অনুযায়ী রোগীদের মধ্যে চট্টগ্রামের বাসিন্দা ৫৩ জন, ফেনীর ৭ জন, কক্সবাজারের ৪ জন, রাঙামাটির ২ জন এবং অন্যান্য জেলায় ১ জন করে শনাক্ত হয়েছেন। মোট শনাক্তের ৬১ শতাংশের বেশি এসেছে সাধারণ মানুষ ও প্রবাসীদের মধ্য থেকে।

চিকিৎসা ও ঝুঁকি
চমেক হাসপাতালের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের প্রধান ডা. জুনায়েদ মাহমুদ খান বলেন, নিয়মিত ওষুধ সেবন ও ফলোআপ করলে এইচআইভি নিয়ন্ত্রণে রেখে স্বাভাবিক জীবন যাপন করা সম্ভব। সরকার এই রোগের চিকিৎসায় সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, হাঁচি-কাশি বা একই পাত্রে খাবার খাওয়া থেকে এইচআইভি ছড়ায় না। তবে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ, ব্যবহৃত সুচ-সিরিঞ্জ ব্যবহার এবং অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমেই এ ভাইরাস সংক্রমিত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এইডস ঝুঁকিতে দেশ: চট্টগ্রামে নতুন রোগী ৭৫

আপডেট সময় ১২:২৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

 

চট্টগ্রামে এইচআইভি সংক্রমণের হার সামগ্রিকভাবে কমলেও ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর তুলনায় স্থানীয় জনগণ ও প্রবাসীদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) সূত্রে জানা গেছে, গত অক্টোবর পর্যন্ত এক বছরে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৭৫ জন রোগী—যাদের মধ্যে স্থানীয় ২৬ জন এবং প্রবাসফেরত ২০ জন।

বিশ্ব এইডস দিবস (১ ডিসেম্বর) উপলক্ষে চমেকের এআরটি সেন্টারের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে আরও জানা যায়, ২০২৩ নভেম্বর থেকে ২০২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ৮৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ১১ জন। অন্যদিকে, গত এক বছরে শনাক্ত ৭৫ জনের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের, যাদের বেশিরভাগই চিকিৎসা শুরুর আগেই গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে আসেন।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

গত এক বছরে মোট ৩ হাজার ৭৬৬ জন সন্দেহভাজনকে পরীক্ষা করে ৭৫ জনের মধ্যে এইচআইভি শনাক্ত হয়। সংক্রমণের উৎস বিশ্লেষণে দেখা যায়—

সাধারণ জনগণ: ২৬ জন, প্রবাসফেরত ব্যক্তি: ২০ জন, পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক: ১৫ জন, স্বামী থেকে স্ত্রী সংক্রমণ: ১২ জন, যৌনকর্মী: ১ জন, শিশু: ১ জন।

জেলা অনুযায়ী রোগীদের মধ্যে চট্টগ্রামের বাসিন্দা ৫৩ জন, ফেনীর ৭ জন, কক্সবাজারের ৪ জন, রাঙামাটির ২ জন এবং অন্যান্য জেলায় ১ জন করে শনাক্ত হয়েছেন। মোট শনাক্তের ৬১ শতাংশের বেশি এসেছে সাধারণ মানুষ ও প্রবাসীদের মধ্য থেকে।

চিকিৎসা ও ঝুঁকি
চমেক হাসপাতালের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের প্রধান ডা. জুনায়েদ মাহমুদ খান বলেন, নিয়মিত ওষুধ সেবন ও ফলোআপ করলে এইচআইভি নিয়ন্ত্রণে রেখে স্বাভাবিক জীবন যাপন করা সম্ভব। সরকার এই রোগের চিকিৎসায় সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, হাঁচি-কাশি বা একই পাত্রে খাবার খাওয়া থেকে এইচআইভি ছড়ায় না। তবে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ, ব্যবহৃত সুচ-সিরিঞ্জ ব্যবহার এবং অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমেই এ ভাইরাস সংক্রমিত হয়।